জোবেরা রহমান লিনু। ছবি: লিনুর ফেসবুক থেকে
১৯৬৫ সালে জন্ম তার। ২৭ বছরের দীর্ঘ-বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের জীবন্ত কিংবদন্তি। জাতীয় পর্যায়ে নারী এককে ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন। এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। টিটিতে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার লাভ করেন। জাতীয় সাইক্লিংয়েও কয়েকবারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেছেন। বেশ ভোজনরসিক। দেশ-বিদেশ বেড়াতে ভালোবাসেন। কবিতা-নাটক লিখতে পারদর্শী। ভালো গানও করেন। এতসব গুণে গুণান্বিতা যিনি, সেই জোবেরা রহমান লিনু গত ১৬ এপ্রিল লাভ করেন স্বাধীনতা পুরস্কার। জীবনের এই পর্বে এই অনন্য স্বীকৃতিরি অনাবিল চিত্তসুখ ভাগাভাগি করতে এবং নিজের সফল ক্যারিয়ার গড়ার নেপথ্য কুশীলবদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে শনিবার গুলশানের এক রেস্তোরাঁয় লিনু আয়োজন করেছিলেন বিশেষ এক অনুষ্ঠানের, যার নাম ‘স্বপ্ন ও সংগ্রামের সুবর্ণরেখা : স্বজন সমাবেশ’ এই সমাবেশে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন লিনুর পরিবার, স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সাবেক সতীর্থ ও বর্তমান খেলোয়াড়, কোচ, ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া সাংবাদিক ও ফটো সাংবাদিকরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়, যাতে লিনুর পুরো জীবন কাহিনী খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়। লিনু তার সফল ক্যারিয়ারের জন্য অনেকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন তার মা-বাবা, বর্ষীয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান, মঞ্জুরুল হক, সংগঠক ইশতিয়াক আহমেদ কারেন, সাবেক সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকেই।
লিনু বলেন, “আমার নেক্সট টার্গেটটা হচ্ছে পৃথিবী ঘুরে দেখা। আমি যে কয়দিন বাঁচব, আমি চেষ্টা করে যাব পৃথিবীটা ঘুরে দেখার”।