নতুন দাবি নিয়ে বাফুফে কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির সদস্যরা। ছবি : বাফুফে
সাফ কোটা ইস্যুতে অবস্থান বদলেছে খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি- কঠোর দাবির জায়গা থেকে সরে এসে এখন তারা খুঁজছে সমঝোতার পথ।
আগে
যেখানে সাফ কোটায় ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে পাঁচজন খেলানোর সুযোগ পুরোপুরি বাতিলের দাবি ছিল,
এখন সেখানে নতুন প্রস্তাব- সাফ ও বিদেশি মিলিয়ে মোট চার খেলোয়াড়। অর্থাৎ, দু’জন
সাফভুক্ত দেশের ফুটবলার স্থানীয় মর্যাদায় এবং দু’জন বিদেশি হিসেবে খেলানোর সুযোগ রাখতে
চায় তারা।
এই
পরিবর্তিত অবস্থান নিয়ে রবিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে বৈঠকে বসেন সমিতির
প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম, যিনি আলোচনার
পর আশাবাদী সুরেই কথা বলেন।
তার
ভাষ্য, দাবি শুধু সংখ্যার নয়-সম্পর্কেরও। ফুটবলার, ক্লাব ও ফেডারেশনের মধ্যে
সুস্থ সমন্বয় বজায় রাখার পাশাপাশি সাফ অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ধরে
রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
পটভূমিতে
রয়েছে গত মৌসুমের নিয়ম। তখন সাফ কোটায় পাঁচজনকে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে খেলানোর সুযোগ
ছিল, আর বিদেশি কোটায় ছিল তিনজন। তবে নতুন মৌসুম সামনে রেখে এই কাঠামো নিয়ে শুরু হয়
বিতর্ক, যার জেরে প্রথমে পুরো সাফ কোটা বাতিলের দাবিতে সরব হয় সমিতি।
এদিকে,
বাফুফে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম
বাবু জানিয়েছেন, নতুন প্রস্তাবটি সভাপতির কাছে তুলে ধরা হবে এবং নির্বাহী কমিটির বৈঠকে
পুনরায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে, সাফ কোটা নিয়ে টানাপোড়েন এখনো শেষ
হয়নি-তবে
দু’পক্ষের কথাবার্তা দেখে বোঝা যাচ্ছে, সমাধানের পথ ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে।
আরকে/প্রবা