প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১৩ পিএম
আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১৪ পিএম
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা বাংলাদেশ দলকে ডিএনসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করেছে। ছবি : বাফুফে
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা বাংলাদেশ দলকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অবশেষে বাস্তবায়ন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। হাতিরঝিলে বাফুফের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঘোষণার ১৮ দিনের মাথায় বুধবার সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেওয়া হয় আর্থিক পুরস্কার।
২৩ সদস্যের স্কোয়াডের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে
৫০ হাজার টাকার চেক এবং একটি করে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। তবে অনুষ্ঠানে সবাই
উপস্থিত থাকতে পারেননি। স্কোয়াডের তিন প্রবাসী ফুটবলারের চেক তাদের পরিবারের সদস্যদের
মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আর এসএসসি পরীক্ষার কারণে অনুপস্থিত চার খেলোয়াড়ের পুরস্কার
গ্রহণ করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
এদিকে কোচিং স্টাফদের ক্ষেত্রে আর্থিক
পুরস্কার না দিয়ে শুধু সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে। দেশের তৃণমূল ফুটবল উন্নয়নে ডিএনসিসি
দীর্ঘদিন ধরে ‘পাইওনিয়ার লিগ’-এ পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছে। পাশাপাশি তাদের অধীনস্থ বিভিন্ন
মাঠও বাফুফের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানে মাঠ উন্নয়ন ও উন্মুক্তকরণ
নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানান, নতুন করে আরও
ছয়টি মাঠ খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। তবে মাঠগুলো শুধু উন্মুক্ত করলেই হবে
না, সেগুলোর মানোন্নয়ন ও সংস্কারও জরুরি। মাঠগুলো প্রস্তুত হলে সেখানে কোচিং ও টেকনিক্যাল
সহায়তা দেবে বাফুফে।
ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিলটন
জানান, মাঠ উন্মুক্ত করার কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এগুলোকে পূর্ণাঙ্গভাবে ফুটবল
উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সংস্কার করা হবে। পুরস্কার বিতরণ শেষে তিনি বলেন,
এই আর্থিক সহায়তা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন
পূরণে যেকোনো বাধা অতিক্রমে তাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে নিজের
দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন মিলটন। তিনি তাবিথকে ‘জনতার মেয়র’ উল্লেখ করে
বলেন, সাবেক ফুটবলার হিসেবে তিনি দেশের ফুটবলের হারানো জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে
যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের সামনে এখন
বড় লক্ষ্য এশিয়ান বাছাইপর্ব পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া। সেই লক্ষ্য অর্জনে এই
প্রণোদনা খেলোয়াড়দের আরও উৎসাহ জোগাবে বলে মনে করছেন বাফুফে সভাপতি।