প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৬ ২২:৪৬ পিএম
স্বাধীনতা দিবসের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জার্সি উপহার দিচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি : বাফুফে
স্বাধীনতা
দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে জাতীয় স্টেডিয়ামে গেছেন প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যদিয়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন
তিনি। 
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে জাইমা রহমান। তাদের স্টেডিয়ামে স্বাগত জানান
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এছাড়া ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
এবং বাফুফে প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
ও জাইমা রহমানের উপস্থিতিতে গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা
লক্ষ্য করা গেছে। পরে প্রধানমন্ত্রীকে তার নাম সম্বলিত জার্সি উপহার দেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আমিনুল হক।
গতকাল
জাতীয় স্টেডিয়ামে মেলা বসে সাবেক ফুটবলারদের। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লাল ও সবুজ দলে
ভাগ হয়ে খেলছেন তারা। সবুজ দল জয়ী হয় ৩-০ গোলে। সেই প্রদর্শনী ম্যাচ দেখতে জাতীয় স্টেডিয়ামে
যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর কন্যা ব্যারিস্টার জায়মা রহমান।
স্টেডিয়ামে
ঢুকেই ফুটবলারদের সঙ্গে করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দলের সঙ্গে আলাদা করে ছবিও
তোলেন তিনি। এরপর ডাগআউটে বসেই উপভোগ করেন ম্যাচ। যা শুরু হয় বিকেল ৪টার পর।
যুব
ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খেলেন লাল দলের হয়ে। যদিও গোলবারের নিচে নয়, বরং মাঝমাঠে
দেখা যায় তাঁকে। লাল দলে খেলেন আলফাজ আহমেদ, রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, কায়সার হামিদ,
গোলাম গাউসের মতো ফুটবলাররাও। সবুজ দলের হয়ে খেলেন এনামুল হক, ওয়ালী ফয়সাল, ছাইদ হাসান
কানন ও গোলাম রব্বানী ছোটনরা।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান
রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী খেলা উদ্বোধন করেন এবং মাঠে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা
বিনিময় করেন। এ সময় গ্যালারি থেকে অনেক দর্শক করতালি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা
জানান। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে তাদের অভিবাদন জানান।
পরে
ভিআইপি লাউঞ্জে বসে প্রধানমন্ত্রী ফুটবল খেলা দেখেন। তার সঙ্গে অন্যদের মধ্যে আরও ছিলেন
বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান
সালাউদ্দিন টুকু, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব ও সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু।
খেলা
শেষে তারেক রহমান বলেন, “আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এবং কিছুদিন আগে বাংলাদেশে যে প্রত্যাশিত
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেই নির্বাচনের সময়ও আমাদের দলীয় ইশতেহারে বলেছি, বাংলাদেশের
ক্রীড়া জগতে বিভিন্ন খেলায় নতুন খেলোয়াড় তৈরি করতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, ‘খেলাকে পেশাদার রূপ দিতে চাই। সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন কুঁড়ি
নামে যে অনুষ্ঠান ছিল, এখানে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসও চালু করতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী
আরও যোগ করেন, ‘শুধু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসই নয়, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশের
প্রত্যেক জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে স্কুল ও বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে আমরা খেলার প্রতিযোগিতা
শুরু করতে চাই।’
আরকে/প্রবা