আম্পায়ার, রেফারিদের ক্রীড়া পরিষদের আওতায় আনবে সরকার
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬ ২২:২৮ পিএম
ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। ছবি : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা হকি- প্রায় সব খেলাধুলাতেই রেফারির প্রয়োজন। মাঠের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও বেশিরভাগ সময় তারাই থাকেন অবহেলিত এবং সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত। ফেডারেশন বা সংস্থা থেকে রেফারিদের জন্য সম্মানী থাকলেও অনেক সময় দেখা যায় তা পাওনা খাতাতেই থেকে যায় বছরের পর বছর। রেফারি কিংবা আম্পায়াররা যাতে আরেকটু সুযোগ-সুবিধা পান এবং সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানী পান সেজন্য তাদেরকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) আওতায় আনতে পরিকল্পনা করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সোমবার (১৬ মার্চ) ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন আমিনুল। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন
তিনি। সেখানেই জানান সরকারের এই পরিকল্পনার কথা, ‘প্রতিটি সেক্টরে, গেমসে
কিন্তু রেফারির প্রয়োজন হয়। কিন্তু তারা ক্রীড়া পরিষদের আওতায় নেই। আমাদের নির্বাহী
পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছি যে আমরা পরবর্তীতে সব রেফারিদেরকে ক্রীড়া পরিষদের আওতায়
এনে কীভাবে তাদেরকে একটি কমিউনিকেশনের মাধ্যমে তাদের আরও বেশি ইনভলভমেন্ট বাড়াতে পারি,
তাদের যে সুযোগ-সুবিধা দরকার সেগুলো আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ দিতে পারি, সে বিষয়গুলো নিয়ে
একটি প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এটা এখনো ফাইনাল পর্যায়ের না।’
ক্রীড়া
প্রতিমন্ত্রী রেফারিদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের মূল্যায়ন করে তিনি বলেন, ‘আমরা
আলোচনা শুরু করেছি। পরবর্তীতে রেফারিদের সঙ্গে বসতে হবে। আমাদের ক্রীড়া পরিষদের যে
নীতিমালা রয়েছে, কিছু জায়গা হয়তোবা পরিবর্তন করতে হবে। সেগুলো পরিবর্তন করে আমরা চাই
যেন রেফারিরাও আমাদের একটি অংশ হয়। তাদেরকেও আমাদের ভিতরে নিয়ে আসা হবে।’
এছাড়া ৫ বছরের বেশি সময় ধরে মিরপুর সুইমিং পুলের ডিজিটাল স্কোর বোর্ড নষ্ট। সেখানে প্রতিযোগিতা হয় ঠিকই, কিন্তু হ্যান্ড টাইমিংয়ে। মিরপুর জাতীয় সুইমিংপুলে গ্যাস সমস্যা দীর্ঘদিনের। সেদিকে নজর দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি স্কোর বোর্ডের দাম ৫ কোটি টাকা হতে পারে না। যারাই করেছে, দুর্নীতির জন্য করেছে। আমার এখানে দুর্নীতির কোনও সুযোগ নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুর্নীতির শতভাগ লাগাম টেনে ধরার জন্য প্রস্তুত আছি।’
আরকে/প্রবা