প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৩ পিএম
আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৩ পিএম
নাহিদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ১১৪ রানেই অলআউট পাকিস্তান। ছবি: ইএসপিএন ক্রিকইনফো
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানা ও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে ১১৪ রানেই থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস।
এর আগে বুধবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংকে পাঠান মিরাজ। বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হয় ম্যাচটি।
শুরুতে পাক শিবিরে প্রথমে আঘাত করেন নাহিদ। ইনিংসের ১০ম ওভারে বোলিংয়ে এসেই ওভারের শেষ বলে উইকেট নেন রানা। পয়েন্টে সাহিবজাদা ফারহানের ক্যাচ নেন আফিফ হোসেন। ৩৮ বলে ২৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন ফারহান।
১২ তম ওভারে নাহিদের দ্বিতীয় শিকার হন ১১তম ওভারে জীবন পাওয়া শামিল হোসেন। ১১তম ওভারে মিরাজের শেষ বলে মিড অনে ক্যাচ তুলেছিলেন শামিল। দৌড়ে গিয়ে ক্যাচটি নিতে পারেননি ফিল্ডার তানজিদ। কিন্তু ১২তম ওভারে আর পারলেন না শামিল। নাহিদের বলে আবারও ক্যাচ তুলেছিলেন আকাশে। উইকেটকিপার লিটন ক্যাচ নিতে ভুল করেননি। ৭ বলে ৪ রান করেন তিনি।
পর পর নাহিদের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শিকার হন মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট নিলেন এই পেসার।
নাহিদের এটি ক্যারিয়ার সেরা ওয়ানডে বোলিং। এর আগে ওয়ানডেতে ৫ ম্যাচ খেলে নাহিদের উইকেটই ছিল ৫টি। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ।
নাহিদের পরে পাকিস্তানের কফিনে বাকি পেরেক মারার কাজগুলো করেন অধিনায়ক মিরাজ। ফিরিয়েছেন আবদুল সামাদ, হোসেন তালাত ও পাক অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকে।
উইকেটের কলামে নাম লিখিয়েছেন তাসকিন আহমেদও। তার বলে শূন্য রানে আউট হয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
পাক দল যখন খাদের কিনারায় তখন হাল ধরেন ফাহিম আশারাফ। ৮২ রানে ৯ উইকেট হারানো দলটির রান ২৬ ওভারে ৯ উইকেটে করে ১০২ রান। তবে সেটা দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেননি তিনি। ৩১তম ওভারের চতুর্থ বলে ফাহিমকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। ৪৭ বলে ৩৭ রান করেন এই ব্যাটার।
পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ওপেনার সাহিবজাদা। মোহাম্মদ রিজওয়ান ও মাজ সাদাকাত ছাড়া দুই সংখ্যার রানের ঘরে নাম লেখাতে পারেননি আর কোনো ব্যাটার।
বাংলাদেশের হয়ে ৭ ওভারে ৩৪ রান দিয়েছেন নাহিদ। সমান ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন তাসকিন। ১০ ওভারে ৩৪ রান দিয়েছেন মিরাজ। ৪ ওভার ৪ বলে ১৮ রান দিয়েছেন মুস্তাফিজ। ২ ওভারে ১০ রান দিয়ে উইকেট শূণ্য ছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।