প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫৮ পিএম
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:১৩ পিএম
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর ভেতরে আনার কথা বারবারই বলে আসছেন আমিনুল হক। ফুটবলারদেরও এর বাইরে রাখতে চান না। নারী ফুটবলাররা বাফুফের চুক্তিবদ্ধ থাকলেও পুরুষ ফুটবলাররা তা নন। জাতীয় দলের হয়ে খেলার কারণে অবশ্য সম্মানী পান তারা। তবে এবার তাদের বেতন কাঠামোর ভেতরে আনতে চায় সরকার।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক বৈঠক হয়েছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে আমরা যখন আমাদের এই ফুটবলারদেরকে বেতন কাঠামোর ভেতরে নিয়ে আসব। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আমাদের তৃণমূল থেকে শুরু করে যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ফুটবল দলে খেলতে চায়, তারা অনেক বেশি উৎসাহিত হবে। তারা আগ্রহ প্রকাশ করবে এই ভেবে যে ‘বাংলাদেশ দলে খেললেই সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিভিত্তিক যে বেতন কাঠামোর ভেতরে আমাদের নিয়ে আসা হবে'। এটি অনেক বেশি উৎসাহিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শোনালেন আরেকটি আশার কথা, ‘এরই মধ্যে আমরা আলোচনা সাপেক্ষে তিনটি মাঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা ফুটবল ফেডারেশনের কাছে চুক্তির মাধ্যমে হস্তান্তর করব। সেই মাঠগুলো হচ্ছে কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম। এই তিনটি মাঠকে আমরা আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমে ফুটবল ফেডারেশনকে বরাদ্দ দেব ইনশাল্লাহ।’
ফিফার কাছ থেকে অনুদান নিয়ে কমলাপুর, সিলেট ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে সার্বিক ব্যবস্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণ করার আশ্বাস দিয়েছেন আমিনুল। এনএসসিতে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সেটার (তিন স্টেডিয়াম) সার্বিক অর্থায়ন করবে এবং এটার গ্যালারি থেকে শুরু করে সার্বিক ব্যবস্থাপনা কিভাবে আরও উন্নয়নশীল করা যায়, কীভাবে ভালো পরিবেশ তৈরি করা যায়, সেটি ফিফার থেকে একটি অনুদানের মাধ্যমে সেটি করা হবে।’
আরকে/প্রবা