প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০৩ পিএম
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০৩ পিএম
নারী ফুটবল লিগে গত ৪ জানুয়ারি কাচারিপাড়া একাদশ উন্নন সংস্থার বিপক্ষে ম্যাচে মারামারির ঘটনায় দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছেন ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবের মনিকা চাকমা ও তহুরা খাতুন। এছাড়া কাচারিপপাড়ার সাবিত্রি ত্রিপুরাকেও দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়। আগেরদিন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) শৃংখলা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শৃংখলা কমিটির এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাফুফেতে আপিল করেছে মনিকা-তহুরার ক্লাব ফরাশগঞ্জ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্লাবের ম্যানেজার বাবুরাম, ‘ওই ম্যাচে রেফারির আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। আপিল কমিটির কাছে আমরা শাস্তির বিরুদ্ধে আজ (গতকাল) আবেদন করেছি। আমাদের বিদেশি খেলোয়াড় পুজা ইনজুরিতে প্রায় দুই সপ্তাহ বাইরে। ফুটবলারদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব রেফারির দেখা যাক আপিল কমিটি কি রায় দেয়।’

শৃংখলা
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফরাশগঞ্জের হয়ে সিরাজ স্মৃতি সংসদ (১০ জানুয়ারি) ও সদ্যপুস্করনী
যুব স্পোর্টিং ক্লাবের (১৩ জানুয়ারি) বিপক্ষে এই দুই ম্যাচ খেলতে পারবেন না মনিকা ও
তহুরা।
গত
রবিবার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের
৩০ মিনিটে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে দুই দলের ফুটবলাররা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। কাচারিপাড়া
একাদশের ফুটবলার সাবিত্রি ত্রিপুরা ফাউল করেছিলেন ফরাশগঞ্জের মনিকাকে। মনিকা উঠে দাঁড়িয়ে
আক্রমণ করেন সাবিত্রিকে। তখনই শুরু হয় মারামারি। তবে বিস্ময়করভাবে লাল কার্ড
পাননি ফরাশগঞ্জের তহুরা (পরে ম্যাচে তিনি হ্যাটট্রিক করেন)। কেননা তিনি এক খেলোয়াড়কে
পেছনে থেকে ও সামনে থেকে মোট দু’বার কষে লাথি মারেন! দু’দলের খেলোয়াড়রা জড়িয়ে পড়েন
হাতাহাতিতে। এ ঘটনায় প্রায় নয় মিনিট বন্ধ থাকে খেলা।
বাফুফের
ডিসিপ্লিনারি কমিটি ম্যাচের ফুটেজ, রেফারি ও ম্যাচ কমিশনারের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত
নিয়েছে।
আরকে/প্রবা