প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:০৮ পিএম
ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোতে অ্যাডহক কমিটি বিদ্যমান। তবে গত প্রায় দুই মাস আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য দেশেল ৪৯টি ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসিয়েশনে চিঠি দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। কিন্তু তেমন কোন সাড়া নেই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান, ‘আমরা মাত্র দুটি ফেডারেশন থেকে নির্বাচন আয়োজনের চিঠি পেয়েছি, গলফ ও আরচারি।’
২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার গঠনের পর দেশের সব জেলা ও বিভাগীয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি ভেঙ্গে অ্যাডহক
কমিটি দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, সব ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কমিটি
ভেঙ্গে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। তবে নির্বাচনের বিষয়ে তখনো কোন নির্দেশনা ছিল না
ক্রীড়া পরিষদের। যার ফলে গত দেড় বছর ধরেই বিভিন্ন ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনে চলছে অ্যাডহক
কমিটি দিয়ে। তবে গত বছরের ৩০ অক্টোবর পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসানের সই করা চিঠিতে
নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দিলেও তাতে তেমন কোন সাড়া মিলছে না। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
চিঠিতে উল্লেখ ছিল, ‘দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনয়নের জন্য ৪৯টি জাতীয় ক্রীড়া
সংস্থার (ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশন/সংস্থা) আগের কমিটি ভেঙে দিয়ে বর্তমান আহবায়ক কমিটি
গঠন করা হয়েছে। আহবায়ক কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো নির্বাচন আয়োজন এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধির নিকট দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া। সে প্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে নির্বাচন
আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।’
একটি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন আয়োজনের
জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠি দিলেও দ্বন্দ্বে পড়েছে আরচারি। কারণ নির্বাহী কমিটির
ক্ষমতা সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদের হাতে থাকলেও তাকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচন আয়োজনের
চিঠিতে সই করেছেন সভাপতি সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান। সূত্রটি আরও জানায়, কাউন্সিলরদের
তালিকা পূর্ণাঙ্গ না করেই তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের আয়োজন করার অর্থই হলো একটি পক্ষকে
সুবিধা আদায়ের সুযোগ করে দেওয়া।’
আরকে/প্রবা