অভিমত কিরণের
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৫ ২০:৫৮ পিএম
বড়দের মতো অনূর্ধ্ব-২০ দলের নারী ফুটবলারও এশিয়ান কাপে খেলা নিশ্চিত করেছে প্রবা ফটো
একই বছরে পরপর নারীদের দুটি দল জায়গা করে নিয়েছে এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে। সিনিয়র দলের পর গতকাল রবিবার এশিয়ান কাপের টিকিট কেটেছে অনূর্ধ্ব-২০ নারী দল। তা ছাড়া সিনিয়র দলের সাফ জয়ের পর অনূর্ধ্ব-২০ সাফেও ট্রফি নিজেদের কাছে রাখে বাংলাদেশ। দারুণ এই সাফল্যে খুশি নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ। সেই সঙ্গে বলেছেন নারী দল সঠিক পথেই আছে।
সোমবার বাফুফে ভবনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন
কিরণ। সেখানে উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ। তবে এএফসি এশিয়ান কাপে অনূর্ধ্ব-২০ দলের সাফল্যই
ছিল বেশি। এই কৃতিত্ব মেয়েদের দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে ধারাবাহিক সাফল্যের পেয়ে দল
সঠিক পথে আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি, ‘আমরা এজ লেভেল ভালো করতে পারলে ভালো একটা সিনিয়র
টিম পাব। পরে সাফ ও এশিয়ান পর্যায়ে যেতে পারব। সেটারই ধারাবাহিকতা দেখতে পারছেন আপনারা।’
আগামী বছর মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপে অংশ নেবেন
ঋতুপর্ণা চাকমারা। পরের মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বয়স ভিত্তিক এশিয়ান কাপে খেলবে অনূর্ধ্ব-২০
দল। পরপর দুটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা নিয়ে চিন্তায় বাফুফে। বিশেষ করে আর্থিক সংকটের
কথাটিই সামনে আসছে বারবার। কিরণ এ নিয়ে বলেছেন, ‘যখন আর্থিক ব্যাপারটা আসে তখন একটু
সমস্যা তৈরি হয়। যেহেতু একই বছরে দুটো টুর্নামেন্ট। আমাদের অনেক বেশি আর্থিক সহায়তার
দরকার হবে। আমরা ১৩ তারিখে তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বসব। দুটো দলের জন্য প্র্যাকটিস ম্যাচ
ও ট্রেনিং অ্যারেঞ্জ করব। আমাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে এফোর্ট দিতে হবে।’
অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বরে ফিফা উইন্ডের জন্য থাইল্যান্ড,
ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের সঙ্গে খেলার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ, ‘আমি আশা করছি সেটাও হয়ে
যাবে। আমি কাজ করেছি সিনিয়র দলের জন্য। এখন অনূর্ধ্ব-২০ দলের জন্য প্র্যাকটিস ম্যাচ,
ট্রেনিং অ্যাকোমোডেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। অনেক কিছু প্ল্যান
করি, কিন্তু এক্সিকিউট করতে পারি না। যেহেতু আমাদের আর্থিক অবস্থা আমাদের সেভাবে নেই।’
বলেন কিরণ।
সিনিয়র দলের পর জুনিয়র দলও এশিয়ান কাপে জায়গা করে নেওয়ায়
নারী ফুটবলের কাঠামো ঠিক আছে বলে মন্তব্য করেন কিরণ। নারী উইংয়ের প্রধান বলেন, ‘এখান
থেকে একটা বিষয় প্রমাণ হয় আমাদের পাইপ লাইন অনেক শক্ত। যে কারণে যে বছর আমরা সিনিয়র
দল কোয়ালিফাই করলাম, একই বছর বয়স ভিত্তিক দলও কোয়ালিফাই করল। এতে বোঝা যায়, বাংলাদেশ
নারী ফুটবল সঠিক পথে আছে এবং ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে।’