প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৮:৪৫ পিএম
প্রায় দেড় বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই পাদপ্রদীপের আলোয় চলে এসেছেন বাংলাদেশের নারী দলের ক্রিকেটার শারমিন আক্তার সুপ্তা। ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের মেয়েদের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার পথে রাখেন বড় অবদান। যার স্বীকৃতি হিসেবে নভেম্বরে আইসিসির মাসসেরার সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ২৮ বছর বয়সি এই টাইগ্রেস ব্যাটার।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) আইসিসি প্রকাশিত তিন জনের সংক্ষিপ্ত মনোনয়নে সুপ্তার সঙ্গে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাডাইন ডি ক্লার্ক ও ইংল্যান্ডের ড্যানি ওয়াট হজ। ছেলেদের তালিকায় রয়েছেন ভারতের জসপ্রীত বুমরাহ, দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন ও পাকিস্তানের হারিস রউফ।
২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর দলে ফেরা শারমিন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ওয়ানডেতেই খেলেছেন বড় ইনিংস। এর মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচ ছিল নভেম্বরে, একটিতে করেছেন ৮৯ বলে ৯৬, আরেকটিতে ৬৩ বলে ৪৩ রান। ২ ডিসেম্বর হওয়া তৃতীয় ওয়ানডেতে করেন ৮৮ বলে ৭২ রান। নভেম্বরের ২ ওয়ানডেতে শারমিনের ৬৯.৫০ গড় ও ৯১.৪৪ স্ট্রাইক রেটে ১৩৯ রানকে মাসের অন্যতম সেরা বিবেচনা করেছে আইসিসি।
বাকি দুই
জনের মধ্যে ইংল্যান্ডের ড্যানি ওয়াট-হজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টিতে ৭১ গড়ে করেছেন ১৪২ রান। একই সিরিজে
প্রোটিয়া অলরাউন্ডার ন্যাডাইন ডি ক্লার্ক ব্যাট হাতে ৮০ রানের পাশাপাশি বল হাতে ৪ উইকেট নেন।
আইসিসির ভোটিং একাডেমি ও ক্রিকেট সমর্থকদের যৌথ ভোটে নির্বাচন করা হয় মাসের সেরা দুই ক্রিকেটার। ভোটিং একাডেমিতে আছেন জ্যেষ্ঠ ক্রীড়া সাংবাদিক, সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকাররা। তারা ভোট দেন ই-মেইলে, আইসিসির নিবন্ধিত সমর্থকদের ভোট দিতে হয় আইসিসির ওয়েবসাইটে।
সেরার রায়ে ভোটিং একাডেমির ভোট বিবেচনায় নেওয়া হয় শতকরা ৯০ ভাগ, সমর্থকদের ভোট বাকি ১০ ভাগ। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজনই আইসিসি মাসসেরা পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বরে পুরস্কারটি জিতেছিলেন টাইগ্রেস সহ-অধিনায়ক ও বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার।