প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২৪ ১১:৪৬ এএম
আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৪ ১১:৪৬ এএম
২০২২ সালে প্রথমবারের মতো নারীদের সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক অর্জনকে আরও স্মরণীয় করে রাখতে বীরকন্যাদের জন্য ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনার আয়োজন করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আরও একবার সাফের ফাইনালে লাল-সবুজের মেয়েরা। দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে আজ শিরোপা জয়ের মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক নেপাল।
শিরোপা জিতলে এবারও ছাদখোলা বাসে মেয়েদের সংবর্ধনা দেওয়া হোক- দেশের ফুটবল সমর্থকদের চাওয়া এমনটাই। ইচ্ছাটা যে কেবল সমর্থকদের তাও নয়। শিরোপা জিতলে এমন কিছু চাওয়া ফুটবলারদেরও, সেটিরই ইঙ্গিত দিয়েছেন নারী দলের উইংগার সানজিদা আক্তার। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুকে বড়সড় এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। যেখানে সানজিদা মনে করিয়ে দিয়েছেন আগের সাফের পর ছাদখোলা বাসের সেই উদযাপনকে। পাশাপাশি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে আগের আসরের পুনরাবৃত্তি করার প্রত্যয়ও জানিয়েছেন তিনি। শিরোপা জিতলে বাফুফে কী আয়োজন করবে বা করতে যাচ্ছে সেটি নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। তবে সূত্র জানিয়েছে, শিরোপা জিতলে আগেরবারের মতো এবারও হবে ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা।
এদিকে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার ফাইনাল দেখতে দেশটিতে পৌঁছেছেন সদ্য বাফুফে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া ইকবাল হোসেন, কামরুল হাসান হিল্টন, মো. গোলাম গাউছ। মেয়েদের সমর্থন দিতে তিনজনই নেপালে গেছেন নিজেদের খরচে। বাফুফে নির্বাচনের আগে অনেকেই বলেছিলেন যে, ‘ফেডারেশন থেকে নেওয়ার কিছু নেই, দেওয়ার আছে।’ জয়ী হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরেই তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইকবাল, হিল্টন ও গোলাম গাউছরা।
মঙ্গলবার দলের অনুশীলনও স্টেডিয়ামে বসে দেখেছেন তারা। এরপর সাংবাদিকদের ইকবাল হোসেন বলেছেন, ‘আসলে আমরা নিজ উদ্যোগেই এখানে এসেছি। আগামীকালকে (আজ) যে ফাইনাল ম্যাচটা… আসলে মেয়েদের সাহস দিতেই আমরা মূলত এখানে এসেছি। প্রেসিডেন্ট (বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল) আমাদের বলেছেন যে, ফেডারেশন থেকে কারও যাওয়া উচিত। সে কারণেই আমরা এসেছি।’