প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৪ ২১:৩০ পিএম
আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৪ ২১:৪০ পিএম
আইসিসির জুলাই মাসের সেরা পুরুষ ক্রিকেটার
নির্বাচিত হয়েছেন ইংল্যান্ডের পেসার গাস আ্যাটকিনসন ও নারী বিভাগের সেরা নির্বাচিত
হয়েছেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু। সোমবার (১২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই তথ্য
জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
ভারত অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর ও
স্কটল্যান্ড পেসার চার্লি ক্যাসেলকে টপকে সেরার স্বীকৃতি পান অ্যাটকিনসন। গত মাসে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে অভিষেক হয় ২৬ বছর বয়সি এই পেসারের। লর্ডসে ইংল্যান্ড
কিংবদন্তি জেমস অ্যান্ডারসনের শেষ টেস্টটি ছিল অ্যাটকিনসনের প্রথম। এ ম্যাচে ১২ উইকেট
নেন তিনি। সিরিজের পরের দুই টেস্টে নেন আরও ১০ উইকেট।
মাসসেরার পুরস্কার পেয়ে অ্যাটকিনসন
বলেন, ‘আইসিসির মাস সেরার পুরস্কার পাওযাটা সত্যিকারের অর্জন মনে করি। আমার টেস্ট ক্যারিয়ারের
শুরুটা অবিশ্বাস্য ছিল। ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম সিরিজে এমন সাফল্য সত্যিই আমি কখনও ভাবিনি।’
এমন সাফল্যের জন্য কোচ আর অধিনায়ককে
আলাদা করে ধন্যবাদও জানান তিনি, ‘দলের সতীর্থ এবং বাজ (ব্রেন্ডন ম্যাককালাম) ও স্টোকসির
(বেন স্টোকস) তৈরি করা দারুণ আবহের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
অ্যাটকিনসনের জন্য এ পুরস্কার নতুন
হলেও আতাপাত্তুর জন্য মোটেও তা নয়। এ নিয়ে তৃতীয়বার আইসিসির মাসসেরা হলেন শ্রীলঙ্কান
অধিনায়ক। নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনবার করে এ পুরস্কার জিতেছেন শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজের
হেইলি ম্যাথুস এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশলেই গার্ডনার। আতাপাত্তু পেছনে ফেলেছেন ভারতের
দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মাকে।
জুলাই মাসটি আতাপাত্তু ও শ্রীলঙ্কার
মেয়েদের জন্য ছিল দারুণ স্মরণীয়। ভারতকে ফাইনালে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী এশিয়া
কাপ জেতে শ্রীলঙ্কা, যাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন আতাপাত্তু। টুর্নামেন্টে ১৪৬.৮৫ স্ট্রাইক
রেটে ৩০৪ রান করার পাশাপাশি ৩টি উইকেটও নেন। যাতে অবধারিতভাবে টুর্নামেন্ট–সেরার পুরস্কারও
পান।
মাসসেরার স্বীকৃতি পেয়ে আতাপাত্তু বলেন,
‘তৃতীয়বারের মতো আইসিসির নারীদের মাস সেরা ক্রিকেটার
হিসেবে আমাকে বেছে নেওয়াতে আমি খুশি ও সম্মানিত। নিজের প্রচেষ্টার এমন স্বীকৃতি পাওয়াটা
হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। এটি অর্জিত হয়েছে আমার সতীর্থ আর কোচদের সহায়তায়।’
বাঁহাতি এই ব্যাটার আরও বলেন, ‘আমার
বিশ্বাস, আমাদের দেশে যে হাজার হাজার মেয়ে ক্রিকেট খেলছে, তাদের জন্য এ স্বীকৃতি একটা
ইতিবাচক বার্তা দেবে। অন্য যেকোনো জায়গায় যারা খেলতে চায়, তাদেরও দেবে। ক্রিকেটের প্রতি
নিবেদন ও সংকল্প থাকলে একদিন সেটি কাজে দেয়।’