প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৪ ২০:০৯ পিএম
সাকিবকে টপকে রিশাদই এখন এক বিশ্বকাপে দেশের সেরা বোলার। সংগৃহীত ছবি
ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই বসেছিলেন সাকিব আল হাসানের পাশে। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাকে ছাড়িয়ে গেলেন রিশাদ হোসেন। নিজের প্রথম বিশ্বকাপেই বাজিমাত করলেন এই লেগস্পিনার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নয়টি আসরে খেলা সাকিবকে টপকে রিশাদই এখন এক বিশ্বকাপে দেশের সেরা বোলার।
আফগানদের বিপক্ষে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে উঠার লক্ষ্যে প্রতিপক্ষকে অল্পেই আটকে রেখেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। ১১৫ রানেই থামে রশিদ খানদের ইনিংস। এরপর ১২.১ ওভারে ওই লক্ষ্য টপকাতে পারলেই সেমিফাইনালে খেলতে পারতো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। কিন্তু এই লক্ষ বাংলাদেশ পেরোতে পারেনি। সেমিফাইনালের সমীকরণ তো নয়-ই, ম্যাচটিই জিততে পারেননি সাকিব-শান্তরা। তার আগে অবশ্য আফগানদের এতো অল্প রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছেন রিশাদ। ৪ ওভার বল করে ২৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। যেখানে ছিল রাহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইবরাহীম জাদরানের উইকেটও। বল হাতে এমন পারফরম্যান্সের সুবাদে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন তরুণ এই স্পিনার। সাকিব আল হাসানকে টপকে বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক এখন তিনি। যেখানে পেছনে ফেলেছেন তানজিম সাকিবকেও।
২০২১ বিশ্বকাপে বাঁহাতি স্পিনে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। যা ছিল এক আসতে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড। তবে এবারের আসরে সমানভাবে সাকিবের রেকর্ড তাড়া করেছেন তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেন। ভারতের বিপক্ষে জোড়া উইকেট নিয়ে দু’জনেই নাম লেখান সাকিবের পাশে। দু’জনের উইকেট তখন ১১। আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে পেসার তানজিম সাকিব উইকেট না পেলেও রিশাদ ৩ উইকেট নিয়ে ছাপিয়ে যান দুই সাকিবকে। কয়েক মাস আগে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়া রিশাদের এখন বিশ্বকাপ উইকেট ১৪টি।

বিশ্বকাপের আগে ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিম আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে সব আশায় পানি ঢেলে দিয়েছেন তরুণ এই ওপেনার। একের পর এক ম্যাচে উপহার দিয়েছেন ব্যর্থতা। গড়েছেন লজ্জার রেকর্ড। মঙ্গলবার সুপার এইটের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান তানজিদ। ৩ বল মোকাবেলা করে ফজলহক ফারুকির বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। তাতেই বিশ্বকাপে এক লজ্জার রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে বাঁহাতি ওপেনার। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন তিনি। নিজের খেলা সবশেষ চার ম্যাচে এটা তার তৃতীয় ডাক।