× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

চন্দ্রায় ঈদযাত্রায় ভোগান্তির মূলে অব্যবস্থাপনায় ভরা তিনমাথা

রেজাউল করিম, গাজীপুর

প্রকাশ : ০১ জুন ২০২৬ ০৯:০৯ এএম

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যানজটে স্থবিরতা ছিল ঈদের আগের তিন দিনের সার্বক্ষণিক চিত্র। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় ঘরমুখো যাত্রীদের। মঙ্গলবার তোলা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় যানজটে স্থবিরতা ছিল ঈদের আগের তিন দিনের সার্বক্ষণিক চিত্র। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় ঘরমুখো যাত্রীদের। মঙ্গলবার তোলা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

যানজট, বাড়তি ভাড়া, বৃষ্টি, পরিবহন সংকট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে শেষ হয়েছিল এবারের দুর্ভোগের ঈদযাত্রা। ঈদ শেষে আবারও কর্মের শহরে ফিরছেন শ্রমজীবী মানুষ। তবে কেন এত ভোগান্তি? মূলত চন্দ্রা তিনমাথা এলাকার অব্যবস্থাপনাই এই যানজটের অন্যতম কারণ। 

চন্দ্রা দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষ চলাচল করে। প্রতি ঈদেই এখানে চরম ভোগান্তিতে পড়ে ঘরমুখো মানুষ। তবে এবার ঈদুল আজহায় যাত্রী ভোগান্তি ছিল অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি। প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথে ছিল যানজট। 

যাত্রীদের অভিযোগ, কয়েক কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লেগেছে। যাদের নির্দিষ্ট বাস ছিল না, এমন অনেক যাত্রী ট্রাক বা পিকআপ থেকে নেমে কিছু দূর হেঁটে, কিছু দূর গাড়িতে গন্তব্যের দিকে রওনা হয়েছেন। 

চন্দ্রার জট নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একসঙ্গে হাজারের বেশি কারখানা ছুটি হয়। লাখো শ্রমিক বাড়ি ফিরতে বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ভিড় জমায়। অতিরিক্ত যাত্রীর সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপও বাড়ে। অনেকেই এ সময় অতিরিক্ত ভাড়াও দাবি করে। যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের দরকষাকষিতেও এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়। সেই স্থবিরতা ভোগান্তিতে রূপ নেয়। বৃষ্টিতে এই ভোগান্তি আরও বাড়ে।

সংকুচিত লেন

চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের ৪ লেন ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ৪ লেন এবং কালিয়াকৈর বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কের যাত্রী ও পরিবহন আসে চন্দ্রা এলাকায়। তবে এই বিপুল সংখ্যক যাত্রী ও যানবাহনকে চন্দ্রায় ২ লেনের রাস্তা হয়ে চন্দ্রা অতিক্রম করতে হয়। খাড়াজোড়া এলাকায় বেশ কয়েকটি ডিভাইডার থাকায় পরিবহনগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে না। 

৯৫ শতাংশ যাত্রী টিকিটবিহীন

ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো ৯৫ শতাংশ মানুষের অগ্রিম কোনো টিকিট কাটা থাকে না। তারা সবাই চন্দ্রা এলাকায় এসে টিকিট কাটে অথবা দরদাম করে গাড়িতে ওঠে। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ যাত্রী খোলা ট্রাক, পিক-আপে রওনা দেয়। যাত্রী ও পরিবহন হেলপার এবং দালালদের মধ্যে সড়কের মধ্যে দরদাম চলার কারণে যানজট লেগে যায়। 

একসঙ্গে কারখানা ছুটি

গাজীপুর জেলায় ছোটবড় ৫ হাজারের বেশি কারখানা। এসব কারখানায় কাজ করে প্রায় অর্ধকোটি শ্রমজীবী মানুষ। এ ছাড়াও ঢাকা, নবীনগর, সাভার, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জের সকল শিল্পকারখানা একযোগে ছুটি হয়। ২ দিনের মধ্যে সব কারখানা একযোগে ছুটি হওয়াতে বিপুল পরিমাণ যাত্রীর চাপ তৈরি হয়। 

নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, পুলিশ তার সর্বোচ্চ দিয়ে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে কাজ করে। 

চন্দ্রায় বাসস্ট্যান্ড না থাকা

দেশের যাত্রীপ্রবণ প্রতিটি এলাকায় রয়েছে বাসস্ট্যান্ড। মহাখালী, গাবতলী, সায়েদাবাদ, আব্দুল্লাহপুর, গাজীপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে বাসস্ট্যান্ড রয়েছে। তবে প্রতি ঈদে ৪০ লাখ মানুষ চন্দ্রা দিয়ে উত্তরবঙ্গের পথে চলাচল করলেও এখানে নেই কোনো বাসস্ট্যান্ড। 

এবারের ঈদে চন্দ্রা এলাকায় আসেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা চন্দ্রায় বাসস্ট্যান্ডের দাবি করেন। সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর খান বলেন, চন্দ্রাতে একটি টার্মিনাল খুবই জরুরি। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা