× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আওয়ামী কোটায় বাটোয়ারা

রাহাত হুসাইন

প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬ ০৮:৩৪ এএম

আপডেট : ০৯ মে ২০২৬ ০৮:৩৭ এএম

মোহাম্মদপুরে আসাদ অ্যাভিনিউতে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নির্মানাধীন প্রকল্প কনকচাঁপার একাংশ। ছবি: আ. ই. আলীম/ প্রতিদিনের বাংলাদেশ

মোহাম্মদপুরে আসাদ অ্যাভিনিউতে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নির্মানাধীন প্রকল্প কনকচাঁপার একাংশ। ছবি: আ. ই. আলীম/ প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ভবন নির্মাণ শেষের আগেই ঢাকার মোহাম্মদপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (এনএইচএ) দুটি প্রকল্পের ৪৩০টি ফ্ল্যাটের মধ্যে ১৬৬টি বরাদ্দ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও বিগত আওয়ামী সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

২০২১ সালে গৃহায়নের নিজস্ব অর্থায়নে নেওয়া দোলনচাঁপা ও কনকচাঁপা নামের এই দুই প্রকল্প শেষ হয়নি; বরং বাড়ানো হয়েছে দুই দফা সময় ও এক দফা ব্যয়।

মোহাম্মদপুর হাউজিং এস্টেটের আওতায় আসাদ অ্যাভিনিউ ও সাতমসজিদ রোডে পৃথক দুটি প্লটে ছিল ৮টি জরাজীর্ণ ডি-টাইপ কলোনি ভবন। প্রতিটি ভবনে ৩৬টি করে মোট ফ্ল্যাট ছিল ২৮৮টি।

১৯৬০ সাল থেকে এসব ফ্ল্যাটে বরাদ্দপত্র; ডিমান্ড নোটিস; অফার লেটারের মাধ্যমে নিয়মিত ভাড়া নিত জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। ২০২১ সালে পুরনো ভবনগুলো ভেঙে আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এনএইচএ।

প্রকল্পটিতে দুটি প্লটে মোট ৪৩০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়, যার মধ্যে কনকচাঁপায় ২৭৭টি ও দোলনচাঁপায় ১৫৩টি ফ্ল্যাট।

শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ১৯ লাখ ১১ হাজার টাকা, যা পরে বাড়িয়ে করা হয় ৫৪১ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার টাকা। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত।

অভিযোগ উঠেছে, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের বঞ্চিত করে নানা কৌশলে এসব ফ্ল্যাটের একটি বড় অংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আমলা, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গৃহায়নে প্রেষণে আসা কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ কোটা ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে ফ্ল্যাট বরাদ্দ পেয়েছেন। একাধিক কোটায় এই প্রকল্পের ফ্ল্যাটগুলো ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে।

প্রসপেক্টাসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কোটা নির্ধারণ করা থাকলেও বাস্তবে সেই অনুপাত ও অগ্রাধিকার অনুসরণ করা হয়নি। নির্ধারিত কোটা কাঠামো থাকলেও বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় তা কার্যকরভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

সাধারণ আবেদনকারীরা লটারির অপেক্ষায় থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে সংরক্ষিত কোটার মাধ্যমে লটারি ছাড়াই ফ্ল্যাট বাগিয়ে নিয়েছেন প্রভাবশালীরা। এসব ফ্ল্যাট বরাদ্দের ক্ষেত্রে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত গ্রেডেশন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের গ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনকারীদের চাকরির মেয়াদ, বয়স ও বেতন স্কেলের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়। সেই অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত সিনিয়র ও যোগ্য আবেদনকারীদের আগে ফ্ল্যাট পাওয়ার কথা থাকলেও অনুসরণ করা হয়নি সেই নীতিমালা।

নিয়ম অনুযায়ী অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে ফ্ল্যাট বণ্টন করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংস্থাটির একজন আবেদনকারী কর্মচারী জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রভাব খাটিয়ে বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ প্রকল্পে আবেদন করে টাকা জমা দিলেও কর্মচারীদের কোনো ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অন্তত ১২ জন কর্মচারী বঞ্চিত হয়েছেন। জমা দেওয়া অর্থও এখনও তোলেননি তারা। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত সরকারের আমলে প্রভাবশালী আমলা ও রাজনৈতিক কোটার চাহিদা মেটাতে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে প্রকৃত আবেদনকারীদের সংখ্যা কার্যত কমিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি বঞ্চিত করা হয়েছে কর্মচারীদেরও।

ফলে কোটা ব্যবস্থা থাকলেও তা মূলত কাঠামোগতভাবে অক্ষুণ্ন না থেকে প্রভাবশালী মহলের সুবিধার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। 

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দোলনচাঁপা ও কনকচাঁপা ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়েছেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও দলীয় নেতারা।

তৎকালীন সংরক্ষিত প্রতিমন্ত্রীর কোটায় নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগ নেতা আলমগীর হাসান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব-১ এমএম ইমরুল কায়েস, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মিয়া মোহাম্মদ হাসান জাহিদ তুষার, সাবেক মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মাসুদ বিল্লাহ; তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতার একান্ত সচিব একেএম রহিম ভূঁঞা; পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব মাসুম বিল্লাহ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব জাহাঙ্গীর আলম; রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন; নির্বাচন কমিশনের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ; গণপূর্ত ও গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাকিলা জেরিন আহমেদ; এনএইচএর সাবেক চেয়ারম্যান একেএম শামিমুল হক ছিদ্দিকী; সাবেক অতিরিক্ত সচিব শফিকুর রেজা বিশ্বাস; গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ মিস্ত্রির স্ত্রী অর্পণ বর্মণ; ময়মনসিংহ ও রংপুরের সাবেক ডিসি মোহাম্মদ এনামুল হক ও আসিব আহসান; আইন ও বিচার বিভাগের সাবেক উপসচিব এস মোহাম্মদ আলী; সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. অলিউল্লাহ এনডিসি; ঢাকার সাবেক বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান; মোস্তাফিজার রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক সচিব মো. মাহাবুব হোসেনকে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেডেশন ও লটারি কোটায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আরও ১১২টি ফ্ল্যাট। 

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কোটায় অতিরিক্ত সচিব মো. হেমায়েত হোসেন, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, আবদুন নূর মোহাম্মদ আল ফিরোজ, আ. গাফফার খান; যুগ্ম সচিব মো. মমতাজ উদ্দিন এনডিসি, মো. শওকত আলী; উপসচিব মো. ফরিদুল ইসলাম, লুৎফুন নাহার; পরিকল্পনা শাখার সাবেক সিনিয়র সহকারী প্রধান মো. বরকাতুর রহমান; সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদের একান্ত সচিব হেমন্ত হেনরী কুবি; উপসচিব মুহাম্মদ ইকবাল হুসাইন, মো. আবুল কালাম আজাদ, অভিজিৎ রায়, শেখ নূর মোহাম্মদ, মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন ও নায়লা আহমেদকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কোটায় সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান দেলওয়ার হায়দার, সদস্য (ভূমি) ড. মো. মইনুল হক আনছারী, সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য বিজয় কুমার মণ্ডল, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক জাজরীন নাহার, পরিচালক (প্র ও অ) মোহাম্মদ শফিউর রহমান, পরিচালন (ভূসব্য) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ উল্যাহ, উপপরিচালক মুহাম্মদ মুশফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন মোল্লা, একরামুল কবীর, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান, শেখ সোহেল রানা, উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান ও জাহিদুল ইসলামও পেয়েছেন ফ্ল্যাট বরাদ্দ।

অভিযোগকারীদের একজন মোহাম্মদপুর হাউজিং এস্টেট ডি-টাইপ কলোনি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আনোয়ার কামাল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ২০২১ সালে প্রকল্প শুরু হলেও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের কোনো ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। এর পরিবর্তে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ আমলা (সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব), পুলিশ ও আইন বিভাগের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের (যুবলীগ, ছাত্রলীগ) লোকদের মধ্যে ফ্ল্যাটগুলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রসপেক্টাস ও ডিপিপিতে বাসিন্দাদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা থাকলেও নানামুখী কৌশলে আমাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

দোলনচাঁপা ও কনকচাঁপা প্রকল্পের ফ্ল্যাটে আগ্রহী নাগরিকদের আবেদনপত্র আহ্বানের জন্য ২০২০ সালের ১০ মার্চ প্রথম দফায় বিজ্ঞপ্তি দেয় সংস্থাটি। এরপর ২০২৩ সালের ১১ মার্চ দ্বিতীয় দফায়ও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় আগে বসবাসকারী ২৮৮টি পরিবারের মধ্যে ২৫৩টি আবেদন করে।

প্রসপেক্টাস অনুযায়ী ডি-টাইপ কলোনির বৈধ ভাড়াটিয়াদের জন্য ৫৮.৮৫ শতাংশ বা ২৫৩টি ফ্ল্যাট সংরক্ষিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে সেই সংখ্যা কমিয়ে ১১৮-এ নামিয়ে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ১২৭টি প্রসপেক্টাসে বর্ণিত শর্ত পূরণ করেনি বলে জানায় এনএইচএ।

এ প্রসঙ্গে ডি-টাইপ কলোনি কল্যাণ সমিতির সভাপতি মারগুব আহমেদ নাজম উদ্দীন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, প্রসপেক্টাস ও আবেদনপত্রে নানা শর্তের বেড়াজালে আমাদের বঞ্চিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। ১৯৬০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে আমরা পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছি। আমরা ফ্ল্যাটের জন্য পুরো টাকা দিতে প্রস্তুত, তবুও ফ্ল্যাট না দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে।

তিনি প্রকল্পের পরিচালন (পিডি) ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সিভিল) মো. হারিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, এখানে যত অনিয়ম হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দু হারিজুর রহমান। তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলাও রয়েছে। আমাদের বরাদ্দ পাওয়ার কথা ছিল ২৮৮ জনের। আমরা আবেদন করেছি ২৫৭ জন। প্রসপেক্টাসে বলা হয়েছে ২৫৩ জনের কথা। এখন তা কমিয়ে ১১৮-এ নামিয়ে আনা হয়েছে। হারিজুরসহ গৃহায়নের কয়েকজন কর্মকর্তা চেষ্টা করছেন যেন আমরা কোনো ফ্ল্যাট না পায়। প্রকল্প নেওয়ার সময় তিনি (হারিজুর) গৃহায়নের পরিকল্পনা ও ডিজাইন ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখন থেকেই আমাদের বঞ্চিত করার পাঁয়তারা করে আসছেন। বর্তমান সরকারের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হারিজুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত আবেদনকারীদের জন্য দুই দফা সময় বাড়ানো হয়েছে। সবাই আবেদন করতে পারেনি। অনেকে আবেদন করলেও সঠিক কাগজপত্র জমা দেননি। যাচাই-বাছাই কমিটিতে অন্য কর্মকর্তারাও ছিলেন। সরকারি কর্মকর্তাদের ফ্ল্যাট বরাদ্দের কোনো কমিটিতে আমি ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।

জানা গেছে, টানা ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত হারিজুর রহমান পরিকল্পনা ও ডিজাইন ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। 

কোটা পদ্ধতির আইনগত ভিত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (এনএইচএ) চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদনের পর ফ্ল্যাট বরাদ্দের জন্য প্রসপেক্টাস মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হয়। সেই অনুমোদিত প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী তিনটি কোটাসহ অন্য সব কোটায় ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ আমলা ও রাজনীতিবিদদের অগ্রাধিকার দিয়ে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ এবং এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবেÑ জানতে চাইলে ফেরদৌসী বেগম বলেন, অনুমোদিত প্রসপেক্টাসের শর্ত অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও ফ্ল্যাট বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ডি-টাইপ কলোনির বাসিন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদনও অনুমোদিত ডিপিপি ও প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গ্রেডেশন অনুসরণ না করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম চলছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা