× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের কথা

আবুল কাসেম ফজলুল হক

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:২৮ এএম

আবুল কাসেম ফজলুল হক। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

আবুল কাসেম ফজলুল হক। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গ্রামে পহেলা বৈশাখের মেলা দেখেছি। কিন্তু মেলার কোনো উজ্জ্বল স্মৃতি আমার মনে নেই। এটা মনে আছে যে, আমরা ছোট ছেলেমেয়েরা মেলার তারিখ আসার আগে থেকেই মেলায় যাওয়ার জন্য উদগ্রীব থাকতাম। মেলাকে হাটের মতোই মনে হতো। তবে মেলায় খুব ভিড় হতো এবং অনেক অতিরিক্ত জিনিস বিক্রি হতো। যেমন বাচ্চাদের নানা ধরনের খেলনা যেগুলো এমনিতে বাজারে দেখা যেত না। নানা ধরনের খৈ মুড়ি বাতাসা, গুড়ের তৈরি খেলনা যেগুলো খাওয়া হতো। জিলিপি। চরকি যাতে উঠে দোলা যেত। নাগরদোলা। বাঁশের কাঠের ও পোড়ামাটির ছোট-বড় নানারকম ব্যবহার্য জিনিস।  গরিব লোকদের বিলাসসামগ্রী। কাঠের আসবাবপত্র। ইত্যাদি ইত্যাদি। মেলা নিয়ে গ্রামের ছেলেমেয়েদের এবং তরুণদের সীমাহীন আনন্দ ছিল। মেলায় জুয়াখেলা হয় এমন কথাও তখন শুনেছি। লাঠিখেলা, কাবাডি, কুস্তিখেলা, ফুটবল খেলা ইত্যাদির কথাও শুনেছি, কিন্তু আমি সেকালে যে দুতিন জায়গায় মেলা দেখেছি সেগুলোতে এসব দেখিনি।

বাংলাদেশের প্রত্যেক থানায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে যে পহেলা বৈশাখে মেলা হতো, তা নয়। পশ্চিম বাংলার কথা জানি না। বৈশাখী মেলা ছাড়াও শীতের সময়ে কোথাও কোথাও মেলা হতো। গ্রামের লোকেরা ফসল বোনার ও ফসল তোলার কাজে বাংলা তারিখ ব্যবহার করত। তবে সরকারি কাজ গ্রামে ও শহরে সর্বত্র ইংরেজি তারিখ বলে খ্রিস্টীয় তারিখই ব্যবহার করা হতো।

সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকে প্রথমে চার বছর ময়মনসিংহ শহরে কাটিয়েছি এবং পরে ঢাকা শহরে আছি। শহরে এসে তখন বৈশাখী মেলা কিংবা বাংলা নববর্ষ নিয়ে কিছু দেখেছি কিংবা শুনেছি বলে মনে পড়ে না। শহরে ইংরেজি নববর্ষের কথা শুনেছি কোথাও কোথাও ১ জানুয়ারিতে পারিবারিক অনুষ্ঠানাদিতেও যোগ দিয়েছি।

তখন ১৪ আগস্টে পাকিস্তান উৎসব হতো। ২৫ ডিসেম্বরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর জন্মোৎসব পালিত হতো। পাকিস্তান দিবসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হলঘরে আলোচনাসভা হতো, মাঠে স্পোর্টস হতো পুরস্কার বিতরণ হতো। ২৫ ডিসেম্বরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হলঘরে আলোচনাসভা হতো। পূর্ব পাকিস্তানে তিন/চার বছর যেতে না যেতেই পাকিস্তান দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানাদি নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। দুই ঈদের অনুষ্ঠান ছিল তা ছিল আত্মীয়স্বজনদের মধ্যকার আনন্দ উৎসব।

গ্রামে এবং শহরে আরও নানা ধরনের উৎসব অনুষ্ঠান ছিল যেগুলোর বিশেষ কোনো স্মৃতি এখন আমার মনে পড়ছে না। শৈশব থেকেই আমি চিন্তাপ্রিয় স্বভাবের ছিলাম, বই পড়তে পছন্দ করতাম। কোনো জ্ঞানের বিষয় নিয়ে তর্কেও আমার আনন্দ ছিল, আড্ডা দিতেও পছন্দ করতাম তবে হৈ চৈ পছন্দ হতো না।

পাকিস্তানকালে স্কুল-কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে রবীন্দ্রজয়ন্তি ও নজরুলজয়ন্তি উপলক্ষে খুব আন্তরিকতাপূর্ণ অনুষ্ঠান হতো। শহরে হতো, কোথাও কোথাও গ্রামের স্কুলেও হতো। তখন গ্রামে কলেজ ছিল না। এখনকার তুলনায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার সংখ্যা অনেক কম ছিল। আমাদের জাতীয় জীবনে রবীন্দ্রজয়ন্তি ও নজরুলজয়ন্তি অনুষ্ঠানের সৃষ্টিশীল ভূমিকা ছিল। এ উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি এবং সংগীতানুষ্ঠান হতো। তখন অনুষ্ঠানাদিতে সরলতা ছিল-ঢং ঢাং কম ছিল। এগুলো দ্বারা সংগঠন ও শ্রোতাদের চিন্তাচেতনা উন্নত হতো-জাতীয় ঐক্যের বোধ বিকশিত হতো, সমাজে জ্ঞানী-গুণী লোকদের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকত এবং বৃদ্ধি পেত।

পাকিস্তানকালে আমাদের জাতীয় জীবনে সবচেয়ে সৃষ্টিশীল অনুষ্ঠানের দিন ছিল একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ও মুসলিম লীগ পছন্দ করত না। প্রথম পর্যায়ে পুলিশি বাধা ও মুসলিম লীগের গুণ্ডাদের দিক থেকে আক্রমণ আসতো। একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপনে ছাত্র-তরুণদের অদম্য আগ্রহ এবং সকল বাধাবিপত্তি মোকাবেলা করার দুঃসাহস ছিল। প্রথমে একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপিত হয়েছে ঢাকায় এবং চট্টগ্রামে, ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে সকল জেলা-শহরে, মহকুমা-শহরে-গ্রামে কোথাও কোথাও। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চেতনা অবারিত রয়েছে। যাঁরা রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁরা বিচার-বিবেচনা ও জ্ঞান-বুদ্ধির চেয়ে আবেগকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তখন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ও মুসলিম লীগ পাকিস্তানের সংহতি ও শক্তি বৃদ্ধির অনুকূল পরিকল্পিত পাকিস্তানবাদী সংস্কৃতি সৃষ্টি করার এবং তা দ্বারা পাকিস্তানি জাতীয় ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করার চেষ্টা করতো। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ আমরা বিশেষ করে ছাত্র-তরুণেরা ঐ প্রয়াসকে আমাদের স্বতন্ত্র বাঙালি জাতীয় মস্তিষ্কের পক্ষে বিধ্বংসী মনে করেছি এবং আমরা তার মোকাবেলা করতে চেষ্টা করেছি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চেতনা, সংগঠন ও সংস্কৃতি ছিল আমাদের অবলম্বন। তখন আমাদের প্রধান অবলম্বন ছিল একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠানাদি, রবীন্দ্রজয়ন্তি ও নজরুলজয়ন্তির অনুষ্ঠানাদি। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে কায়েমি স্বার্থবাদী শক্তির পক্ষ থেকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এইসব সৃষ্টিশীল অনুষ্ঠানের ধারাকে প্রায় রাতারাতি মর্মগত দিক দিয়ে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। শহরবাসীদের উৎসব-অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের কিংবা বাংলা নববর্ষের কোনো স্থান দেখি নি।

১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ঢাকা শহরে পহেলা বৈশাখ বা বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আরম্ভ হয়। ছায়ানট এর সূচনা করে। উনিশ শতকের হিন্দুমেলার ইতিহাস তাদের মনে এই ধারণা সৃষ্টির সহায়ক হয়েছিল। উদয়ন বিদ্যালয়ের (তখন এর নাম ছিল ঢাকা ইংলিশ প্রিপারেটরি স্কুল) অভ্যন্তরে কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেয়ে পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের সঙ্গীতানুষ্ঠান করা হতো। ক্রমে তা নানা সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে বিস্তৃত হয়। গ্রামাঞ্চলেও অনেক জায়গায় নতুন করে বৈশাখী মেলা আরম্ভ হয়। তখন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস্ ফেডারেশন (এনএসএফ) নানাভাবে এতে বাধা সৃষ্টি করত-গুণ্ডামি করত। তারা মনে করত এসবের দ্বারা পাকিস্তানকে ভেঙ্গে ফেলার এবং পূর্ব পাকিস্তানকে আলাদা রাষ্ট্র করার চেতনা সৃষ্টি করা হয়। এসব অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা বিভাগও সক্রিয় ছিল, নানা রকম রিপোর্ট তৈরি করত এবং সেগুলো দ্বারা মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করা হতো।

১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের সময়েও সরকার ও মুসলিম লীগের দিক থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নানা বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। তখনকার ওইসব বাধা ছাত্র-তরুণদের এবং জনসাধারণের জীবন সংগ্রামের উত্তেজক হিসাবে কাজ করেছে এবং সকলের সংগ্রামী স্পৃহা উজ্জীবিত ও উদ্দীপিত হয়েছে।

১৯৬০-এর দশকে ঢাকাবাসীদের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মর্মে কাজ করেছে পূর্ব বাংলার বা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের নবসৃষ্ট বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানাদি ছিল সেই চেতনার প্রতীকী অভিব্যক্তি। তা সূচিত হয়েছিল ছয় দফা আন্দোলন সূচিত হওয়ারও অন্তত বছর দুই আগে। ছয় দফা আন্দোলন, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের চেতনার ঠিকানা, তৎকালীন পাকিস্তানের দুই প্রদেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক বৈষম্য সংক্রান্ত প্রচার-আন্দোলন ইত্যাদির মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উৎসাহ-উদ্দীপনা দ্রুত বেড়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানাদিও আমাদের জাতির সৃষ্টিশীল চেতনা বিকাশের অবলম্বন হয়ে ওঠে।

পহেলা বৈশাখে হয়েছে কেবল গানের অনুষ্ঠান, কোনো আলোচনা নয়। রবীন্দ্রনাথ, দ্বিজেন্দ্রনাথ, মুকুন্দ দাস, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, নজরুল প্রমুখের গান। স্বদেশী গান, দেশাত্মবোধক গান, গণসঙ্গীত, লোকগীতি, প্রকৃতি ও প্রেমের গান। এইসব গানের মাধা সবচেয়ে বেশি গাওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের গান। নজরুলের অনেক উৎকৃষ্ট গানে। ভারতীয় জাতীয়তাবাদ ও হিন্দু ঐতিহ্যের উপাদান অনেক বেশি থাকার ফলে সেগুলো গাওয়া হয় না। পাকিস্তান সরকার নজরুল ও ইকবালকে ঘোষণা করেছিলেন জাতীয় কবি বলে। বাংলাদেশ সরকারও নজরুলকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করেছেন। ষাটের দশকে ঢাকার শিল্পীদের কণ্ঠে এইসব গান নতুন প্রাণ পায়। খান আতাউর রহমান, সিকান্দার আবু জাফর এবং আরও কেউ কেউ তখন বেশ কিছু উৎকৃষ্ট নতুন গান রচনা করেন। গণসঙ্গীতের ধারায় তৎকালীন পূর্ব বাংলার এবং পশ্চিম বাংলার অনেকে উৎকৃষ্ট নতুন গান রচনা করেছেন এবং সেগুলো জনপ্রিয় হয়েছে। তা ছাড়া তখন ছিল ‘আধুনিক বাংলা গান’-যেগুলোকে এখন বলা হয় 'পুরনো দিনের গান'। বাংলা গানের অসাধারণ জীবনদায়িনী শক্তির প্রকাশ দেখা গেছে ১৯৬০-এর দশকের পূর্ব বাংলায়। আগের স্বদেশী গানে যে সৃষ্টিশক্তির পরিচয় আছে তার কোনো তুলনা হয় না। বাঙালির সৃষ্টিশক্তির শ্রেষ্ঠ পরিচয় আছে তার যে কয়টি কাজে, গান সেগুলোর মধ্যে একটি। যখনই বাংলা গান জীবনবাদী অবস্থানে থেকে বিকশিত হয়েছে তখনই তার জীবনদায়িনী শক্তির পরিচয় ফুটে উঠেছে।

ছায়ানটের অনুষ্ঠান রমনা বটমূলে কবে আরম্ভ হয়েছে, এখন তা মনে করতে পারছি না। মনে হয় এর আরম্ভ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে। একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান শহীদ মিনার থেকে বাংলা একাডেমীতে স্থানান্তরিত হওয়ার পরে, একদিনের অনুষ্ঠানকে এক মাসের অনুষ্ঠানে রূপান্তরিত করার পরে, 'শহীদ দিবসকে 'জাতীয় শোক দিবস' নাম দেয়ার পরে এর সষ্টিশীলতা যেমন শেষ হয়ে গেছে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে ছায়ানটের পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানের সৃষ্টিশীলতাও তেমনি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। এখনকার অনুষ্ঠানাদি দেখে রবীন্দ্রনাথের একটি গানের কথা আমার মনে পড়ে। এই গান আমি কখনও কারও কণ্ঠে কিংবা রেকর্ডে শুনি নি, রেডিও টেলিভিশনে কিংবা অনুষ্ঠানাদিতেও শুনি নি। আমার ইচ্ছা হয় গানটি শুনি। ইচ্ছা হয় বাংলাদেশে অনুষ্ঠানাদিতে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে গানটি গাওয়া হোক। গীতবিতানে স্বদেশ পর্বের গানটি এই:

আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না।

এ কি শুধু হাসি খেলা, প্রমোদের মেলা, শুধু মিছে কথা ছলনা?।

এ যে নয়নের জল, হতাশের শ্বাস, কলঙ্কের কথা, দরিদ্রের আশ,

এ যে বুক-ফাটা দুখে গুমরিছে বুকে গভীর মরমবেদনা।

এ কি শুধু হাসি খেলা, প্রমোদের মেলা, শুধু মিশে কথা ছলনা?।

এসেছি কি হেথা যশের কাঙালি কথা গেঁথে গেঁথে নিতে করতালি-

মিছে কথা কয়ে, মিছে যশ লয়ে, মিছে কাজে নিশিযাপনা।

কে জাগিবে আজ, কে করিবে কাজ, কে ঘুচাতে চাহে জননীর লাজ-

কাতরে কাঁদিবে মায়ের পায়ে দিবে সকল প্রাণের কামনা?

একি শুধু হাসি খেলা, প্রমোদের মেলা, শুধু মিছেকথা ছলনা?।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা