× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাংলা নববর্ষ আজ

হাসনাত শাহীন

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৩১ এএম

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৭ এএম

বাংলা নববর্ষ বরণের প্রাক্কালে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত চারুশিল্পীরা। ছবি: আলী হোসেন মিন্টু

বাংলা নববর্ষ বরণের প্রাক্কালে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত চারুশিল্পীরা। ছবি: আলী হোসেন মিন্টু

বাঙালি; কয়েক হাজার বছরের নিজস্ব সংস্কৃতি ও গর্বিত ঐতিহ্যের ধারায় আলোকিত এক নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী। তাদেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এখন স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র বাংলাদেশের নাগরিক। ‘বারো মাসে তেরো পার্বণে’ অভ্যস্ত এই জাতির সামনে বছর ঘুরে আজ আবারও হাজির সর্বজনীন উৎসবের দিন পহেলা বৈশাখ। এটি শুধু একটি দিন নয়; নতুন মাস, নতুন বছরের শুভসূচনাও। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম এই দিনকে সাড়ম্বরে বরণ করে নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ। প্রায় দেড় যুগের ‘গুমোট’ অবস্থা পেরিয়ে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের মুক্ত পরিবেশে আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতি মেতে উঠবে বাংলা বর্ষবরণের সীমাহীন আনন্দে। বর্ণে-বিভায়-সুরে-ছন্দে মাতবে দেশ। আবহমান বাংলার নানা প্রান্তে বসবে বৈশাখী মেলা, থাকবে যাত্রাপালা-নাটক, গান-নাচসহ ঐতিহ্যবাহী নানা আয়োজন। 

রাজধানীর সব বয়সী মানুষ নতুন পোশাক পরে বিপুল উৎসাহে বের হয়ে আসবে রাজপথে। সবার ঠিকানা হয়ে উঠবে রমনা বটমূলসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। আর সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ ও রমনা বটমূলে ছায়ানটের প্রভাতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উচ্চারিত হবে বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ এবং চির অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দৃপ্ত শপথ। সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে উৎসবপ্রিয় বাঙালি আজ মহানন্দে মুখে তুলে নেবে গ্রামবাংলার নিত্যদিনের খাবার ‘পান্তাভাত’।

নতুনের আবাহনে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে জেগে উঠবে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই চিরায়ত সুর ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো/তাপস নিঃশ্বাস বায়ে, মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক...।’ 

নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি আমাদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ অতিক্রম করে পহেলা বৈশাখ আমাদের সবার জন্য হয়ে ওঠে এক আনন্দ ও মিলনের দিন। আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের ধারক ও বাহক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে আমাদের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, নব প্রতিশ্রুতি ও অসীম সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি, বেদনা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে চলি নব উদ্যমে ও নব প্রত্যয়ে”।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “নববর্ষের এই উৎসব ও আনন্দমুখর মুহূর্তে আন্তরিক প্রত্যাশা সকল অশুভ ও অসুন্দর দূরীভূত হোক; সত্য ও সুন্দরের গৌরবগাথা প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র। বিদায়ী বছরের সকল দুঃখ-বেদনা মুছে যাক; নতুন বছর ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি”।

নববর্ষে সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, “পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি আমাদের জীবনে প্রতি বছর ফিরে আসে নতুনের আহ্বান নিয়ে। নতুন বছরের আগমনে পুরনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়”।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের যার যার ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বহুমতের সহাবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই প্রেক্ষাপটে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। নববর্ষের এই শুভক্ষণে আমরা যেন সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণের পথ অনুসরণ করি এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে আমরা অতীতের সব হতাশা ও সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করি”।

ভয়শূন্য চেতনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ আয়োজন

সব ধরনের সংস্কৃতিবিরোধী অপশক্তিকে উপেক্ষা করে নতুন বছরের প্রভাতে মানবতা, সাহস ও সাম্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে আজ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের প্রথম প্রভাতে রমনার বটমূল আবারও জেগে উঠবে সুরের নবজাগরণে। ভোরের আলো ফোটার আগে শিশিরভেজা বাতাসে সুর, বাণী, ছন্দে শুরু হবে ছায়ানটের এবারের প্রভাতি আয়োজন। ৮টি সম্মেলক গান, ১৪টি একক গান এবং দুটি আবৃত্তি দিয়ে সাজানো থাকবে এবারের বর্ষবরণের আয়োজন। প্রায় দুইশ শিল্পীর অংশগ্রহণে এই আয়োজন রূপ নেবে সংস্কৃতির মহাসমুদ্রে। রমনা বটমূলের দুই ঘণ্টার এই আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। আয়োজকদের ভাষায়, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’ এই চেতনার মধ্যেই নিহিত বাঙালির অগ্রযাত্রার শক্তি। তাই এবারের আয়োজনেও মুক্তচিন্তা, মানবিকতা ও নির্ভীক মানস গঠনের বার্তাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। 

ঢাবি চারুকলা অনুষদের বৈশাখী শোভাযাত্রা

বরাবরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বৈশাখ উদযাপন করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এবারের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’। সকাল ৯টায় ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর গেট (উত্তর গেট) দিয়ে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য পার হয়ে টিএসসিকে পাশে রেখে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে বাংলা একাডেমি হয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে এই শোভাযাত্রাটি। লোকজ বিভিন্ন মোটিফ নিয়ে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি শোভাযাত্রায় থাকবে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার। এর আগে গতকাল বেলা ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নাচ-গানসহ নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন করে পুরনো বছরকে বিদায় জানায় চারুকলা অনুষদ।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি

পাঁচ দিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ঢাকঢোল, লাঠিখেলা, ঘুড়ি উড়ানো, লাটিম খেলা, জারিগান, সারিগান, পটগান, পুঁথিপাঠ, যাত্রাপালা, কবিগান, গাজির গান, গম্ভীরা, ভাওয়াইয়া গান, পুতুলনাট্য পরিবেশনা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বৈশাখী মেলা দিয়ে সাজানো থাকবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির এই আয়োজন। চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপনের মধ্য দিয়ে গতকাল শুরু হয় পাঁচ দিনের এই অনুষ্ঠানমালা। আয়োজনের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। ১৭ এপ্রিল শেষ হবে শিল্পকলা একাডেমির পাঁচ দিনের এই বৈশাখী আয়োজন।

বাংলা একাডেমি

আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বইয়ের আড়ংয়ের মধ্য দিয়ে হবে নববর্ষ উদযাপন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাচ ও গান পরিবেশন করবে দেশবরেণ্য শিল্পীরা। বিসিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে একাডেমি প্রাঙ্গণে বসেছে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা। এ ছাড়াও রয়েছে ‘বইয়ের আড়ং’ নামে সাত দিনের বইমেলার আয়োজন।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হবে। সকাল ৯টায় জাদুঘর মিলনায়তনের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে নৃত্যরাগ একাডেমি, এসওএস শিশুপল্লী, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বধ্যভূমির সন্তানদল এবং দেলওয়ার বাউল ও তার দল।

বর্ষবরণ পর্ষদের ‘মঙ্গল শোভযাত্রা’

‘জাগাও পথিকে, ও সে ঘুমে অচেতন’ প্রতিপাদ্যে এবার পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন করবে বর্ষবরণ পর্ষদ। এর পাশাপাশি সকাল ৯টায় রাজধানীর ধানমন্ডি-২৭ নম্বর সড়কে দিনব্যাপী উন্মুক্ত আয়োজন শুরু হবে। সেখানে শোভাযাত্রা ছাড়াও থাকবে গান, আবৃত্তি, নৃত্য, মূকাভিনয়সহ নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন।

চ্যানেল আই

এবারও হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণ করবে চ্যানেল আই। এবারের আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে। এতে সংগীত পরিবেশন করবেন বুলবুল ইসলাম, চন্দনা মজুমদার, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, প্রিয়াঙ্কা গোপ, স্বাতী সরকার। আবৃত্তি করবেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডালিয়া। নৃত্য পরিবেশন করবেন ওয়ার্দা রিহাব।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি

সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দিনব্যাপী চলবে ‘ছন্দে আনন্দে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’। এর মধ্যে বেলা ১১টায় ডিআরইউ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া বৈশাখী শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিশেষ অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান। এরপর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে বাউলসংগীত, পুতুলনাচ, গাজীর পটগানসহ বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এনসিপির বৈশাখী শোভাযাত্রা ও মেলা

দলের সংস্কৃতি সেলের উদ্যোগে দুপুরের পর শুরু হবে ‘নাগরিক বর্ষবরণ ১৪৩৩’। শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়। বেলা ৩টায় বাংলামোটর থেকে শুরু করে শাহবাগ হয়ে বাংলামোটরে ফিরে শেষ হবে বর্ণিল শোভাযাত্রা। একই সময়ে বাংলামোটরের নেভি গলিতে বসবে বৈশাখী মেলা। এ আয়োজনে থাকবে গান, নৃত্য ও বায়োস্কোপসহ বাঙালিয়ানার নানা অনুষঙ্গ। 

এ ছাড়াও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি), শিল্পী সমিতি, পরিচালক সমিতি, জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস), নাট্যসংগঠন ‘স্বপ্নদল’সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করবে। 

বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুই স্টেশন

পহেলা বৈশাখের দিন মেট্রোরেলের একটি স্টেশন দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং অপর একটি স্টেশন সারা দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। গতকাল সোমবার মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। উপ-প্রকল্প পরিচালক (গণসংযোগ) মো. আহসান উল্লাহ শরিফী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রোরেলের যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত শাহবাগ মেট্রো স্টেশন এবং সারা দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য যাত্রীসাধারণের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা