দীপক দেব
প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ০৮:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণার আগে থেকেই নির্বাচনকেন্দ্রিক সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট গঠনের লক্ষ্যে নতুন করে মেরুকরণও ঘটছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর মূল ব্যস্ততা নির্বাচনী জোট নিয়ে। কোন দলকে জোটে পাওয়া গেলে বিজয় নিশ্চিত হবে, ছোট-বড় সব রাজনৈতিক সংগঠনই সেই অঙ্ক কষছে। কেউ কেউ নতুন জোটের আশায় ছাড়ছে পুরনো জোট।
দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি আগেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে থাকা সঙ্গীদের নিয়ে জোট গঠন করে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। এমনকি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে অন্য দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতিও দিয়ে রেখেছে দলটির শীর্ষ মহল। এজন্য ৩০০ আসনের মধ্যে ২৬৭টি আসনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে বাকিগুলো শরিকদের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। থেমে নেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে সরব জামায়াতে ইসলামীও। ইসলামী আন্দোলনসহ সমমনা সাতটি দলকে নিয়ে তারা এরই মধ্যে মাঠের আন্দোলনে সক্রিয় রয়েছে। আসন সমঝোতার ভিত্তিতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে দলটির নেতারা। এই নির্বাচনী সমঝোতায় আরও কয়েকটি দলকে পাশে পেতেও দলটি চেষ্টা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপি) তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার প্রত্যাশায় সক্রিয় রয়েছে। জোট নিয়ে বিএনপি, জামায়াত উভয় পক্ষের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি নিজস্ব শক্তি নিয়ে নতুন কিছু করার প্রস্তুতিও রাখছে দলটির নেতারা। এ ক্ষেত্রে অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তির দলগুলোকে একই মঞ্চে আনার প্রচেষ্টাও চালানো হচ্ছে। থেমে নেই বাম দলগুলোও। যুক্তফ্রন্টের আদলে তারাও একটি নতুন জোট গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। এ জোটে রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক এবং পেশিজীবী সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
বৃহৎ জোট করতে চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির সঙ্গে রাজপথে থাকা দলগুলো নিয়ে বৃহৎ জোট গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে বিএনপি ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করলেও সমমনা দলগুলোর জন্য বেশ কিছু আসন রেখে দেওয়া হয়েছে। সমমনাদের কাকে কোন আসনে প্রার্থী করা যায়, এ নিয়ে বিএনপি এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। বিএনপির সঙ্গে থাকা দলগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ ছয়টি দলের জোট গণতন্ত্র মঞ্চ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, ১২-দলীয় জোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, এলডিপি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও গণফোরাম।
উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭ আসনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিএনপি। বাকি ৬৩ আসন তখন ফাঁকা রাখা হয়। এখানে দলীয় প্রার্থিতার পাশাপাশি জোটের প্রার্থীদের জন্যও আসন রেখেছে বিএনপি। তবে প্রায় এক মাস হতে চললেও আসনগুলো নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করা হয়নি। এ শরিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রত্যাশিত আসনে গণসংযোগ চালিয়ে গেলেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিত না করায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে আসন বণ্টন বা আসন সমঝোতা প্রশ্নে বিএনপির প্রত্যাশা অনুযায়ী যুগপৎ আন্দোলনের প্রায় সব মিত্র দলই তাদের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বিএনপির কাছে ১৬৮ জনের প্রার্থী তালিকা জমা দিয়েছে শরিক দলগুলো। এর মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ব্যতীত ছয় দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চের বাকি পাঁচ দল ৪০ জন, ১২ দলীয় জোট ২১ জন, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ৯ জন, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ১৯ জন, এলডিপি ১৩ জন, গণঅধিকার পরিষদের ২৫ জন, গণফোরাম ১৬ জন, এনডিএম ১০ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) পাঁচজন, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ছয়জন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টি (বিপিপি)) চারজনের প্রার্থী তালিকা দিয়েছে। তবে তালিকা জমা নেওয়ার পর শরিকদের কারও সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেনি বিএনপি।
এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, এসব দল ছাড়াও এনসিপির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে বিএনপির। ঢাকা-৯, ঢাকা-১০ ও ঢাকা-১১সহ ঢাকার কয়েকটি আসন ফাঁকা রেখেছে বিএনপি। এর মধ্যে ঢাকা-১১ থেকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১০ থেকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও ঢাকা-৯ থেকে এনসিপির শীর্ষ নেত্রী তাসনিম জারার নির্বাচন করার কথা রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি এই আসনগুলো ফাঁকা রেখেছে।
জোট গঠন প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি বৃহৎ জোট গঠনের চিন্তা করছে। যাদের সঙ্গে আমরা যুগপৎ আন্দোলন করেছি, তাদের নিয়ে আমরা একটি বৃহৎ জোট গঠনের চিন্তা করছি। যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা এই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে পারি।’
বিভিন্ন সূত্রমতে, আসন বণ্টন করতে শরিক দলগুলোর সঙ্গে দুয়েক দিনের মধ্যে বিএনপি বৈঠক করতে পারে। সেখানে ধারণা দেওয়া হবে, কাকে কয়টা আসন ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা বা বাস্তবতা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরিক দল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘এখনও পরিষ্কার করে কিছু বলার সময় আসেনি। দুয়েক দিনের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে বসা হবে। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।’
আসন সমঝোতায় জোট গড়ছে জামায়াত
আসন সমঝোতার ভিত্তিতে জোট গঠনের ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছে সমমনা সাতটি দলকে নিয়ে আন্দোলনের মাঠে থাকা জামায়াতে ইসলামী। আপাতত জোট না করে ‘নির্বাচনী সমঝোতার’ কথা বলে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে জামায়াতসহ আট দল। এটা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ চূড়ান্ত হতে পারে বলে মনে করছেন দলগুলোর নেতারা। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও এই সমঝোতা কৌশলের কাজ চলবে। কোথাও কোথাও অন্য কোনো দলের প্রভাবশালী বা মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীর সঙ্গেও ঘোষিত বা অঘোষিত সমঝোতা হতে পারে তাদের।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আসন সমঝোতা নিয়ে এখনও অবস্থান স্পষ্ট না করলেও এক আসনে এক প্রার্থীÑ এই নীতিকে ভিত্তি করে দলগুলো আসনভিত্তিক জরিপ চালাচ্ছে। জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। সম্ভাব্য এই নির্বাচনী সমঝোতায় আরও কয়েকটি দলকে পাশে পাওয়ার চেষ্টা করছে জামায়াত। তবে কোন কোন দলের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা বা আলাপ চলছে, সেটা এখনও জানাতে অনাগ্রহী জামায়াতে ইসলামী। আলোচনা চলছে এমন কয়েকটি দলের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনী আসন সমঝোতায় জামায়াতসহ আট দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও গণঅধিকার পরিষদকেও পাশে পেতে চায়। তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা বা যোগাযোগ হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা কনভেনশনাল (প্রচলিত) কোনো জোট করব না। কিন্তু অনেকগুলো দল ও শক্তির সঙ্গে আমাদের নির্বাচনী সমঝোতা হবে।’
তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটাতে চায় এনসিপি
এদিকে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়া না-হওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ঘরানার দলগুলোর বাইরে আরেকটি নতুন নির্বাচনী জোট গঠনের উদ্দেশ্যে দলটি কাজ করছে বলে জানা গেছে। এ ক্ষেত্রে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশকে (আপ বাংলাদেশ) নিয়ে এনসিপি নতুন জোট গঠন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্যে গতকাল সোমবার বৈঠক করে গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে বেরিয়ে এসেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
সূত্র জানায়, গত এক মাসে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলের সঙ্গে এই দলগুলোর একাধিক বৈঠক এবং আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কিন্তু রাজনীতির সমীকরণ না মেলায় দলগুলো কোনো জোটে যোগদান করেনি। এ ছাড়া এনসিপি মনে করছে, নতুন রাজনীতি করে তাদের শক্তিশালী স্থান করে নিতে হবে। এমন অভিপ্রায় থেকে তারা এবি পার্টিসহ তিন দলের সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জোট গঠনের পর দল চারটি নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারে। শিগগিরই এ জোট আত্মপ্রকাশ করতে পারে।
আগামী নির্বাচনে কাদের সঙ্গে জোট হচ্ছে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব গতকাল সোমবার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমরা মূলত এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদসহ আমাদের সমমনা দলগুলোর সঙ্গে জোট করার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’
এর আগে গত রবিবার এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন জোট গঠন করা হবে। জোটে এবি পার্টির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি দল থাকবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দল হিসেবে যারা সামনে থেকে ভূমিকা রেখেছে, তাদের নিয়ে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে আমাদের।’
নতুন জোটে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন
এদিকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাঠে সরব গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে বের হয়ে এসেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। পুরনো শরিকদের ছেড়ে নতুন কয়েকটি দলের সঙ্গে এ সংগঠন জোটবন্ধ হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এই লক্ষ্যে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মঞ্চের বৈঠক থেকে অনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে এসেছে সংগঠনটি।
জানতে চাইলে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম গণতন্ত্র মঞ্চ থেকে বেরিয়ে নতুন জোটে যুক্ত হওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘চারটি দল নিয়ে নতুন এ জোট হতে যাচ্ছে। তবে দলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’
থেমে নেই বামদল
এদিকে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে নামতে বামদলগুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা যুক্তফ্রন্টের আদলে বামপন্থীদের নতুন একটি জোট গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রধান প্রধান বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক জোট ও দলের সমন্বয়ে ‘কনভেনশনে’র মাধ্যমে চলতি নভেম্বরেই নতুন জোটের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটতে পারে। একাধিক বামদলের নেতারা জানাচ্ছেন, আন্দোলন ও নির্বাচন’ এ লক্ষ্য নিয়ে গণতন্ত্র ও জনজীবনের সংকট মোকাবিলার নানামুখী কর্মসূচি ঘোষণার কথাও রয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে ৩০০ আসনে ভোটের লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতিও চলছে। জোটের সম্ভাব্য শরিক দলগুলো এরই মধ্যে নিজ নিজ দলের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
আগামী ২৯ নভেম্বর কনভেনশন থেকে জোটের ঘোষণা আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জোটের নাম হিসেবে নয়া যুক্তফ্রন্ট, গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট এরকম প্রস্তাব এসেছে। ২৯ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন থেকে এ জোটের ঘোষণা আসবে।’