× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আমদানির দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে খেজুর

ফারুক আহমাদ আরিফ, রেদওয়ানুল হক, ঢাকা ও হুমায়ুন মাসুদ, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ১১:৪৪ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছর রমজান মাস শুরু হতে পারে মার্চের ১ বা ২ তারিখ। রমজান সামনে নিয়ে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বড় ধরনের প্রস্তুতি হাতে নিয়েছে। বিশেষ করে ইফতারের অন্যতম উপাদান খেজুর আমদানি বৃদ্ধি ও সরবরাহ ঠিক রাখতে শুল্ককর কমানো হয়েছে। এর কিছুটা প্রভাব বাজারে দেখা যাচ্ছে। গত এক মাসের ব্যবধানে পণ্যটির আমদানি বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে বিভিন্ন দেশে খেজুরের উৎপাদন কম হওয়ায় আমদানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে আমদানি মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে খেজুর বিক্রি হচ্ছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। 

বাজার পরিস্থিতি কেমন

রাজধানীতে ২৮০-৩০০ টাকার কমে খেজুর পাওয়া যাচ্ছে না। ভালো মানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজিতে। গত ৫ জানুয়ারি ঢাকার ফলের পাইকারি বাজারখ্যাত বাদামতলীতে গিয়েও একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে। সেখানে সবচেয়ে কম দামের খেজুর ২৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারে বছরজুড়ে খেজুর বিক্রি করেন আলতাফ হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন প্রকারের খেজুরের মধ্যে দাবাস ৪৬০-৪৮০ টাকা কেজি, মরিয়াম ৫৫০-৬০০, বরই ৪৫০-৫০০ ও মেরজুন ৬০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

আলতাফ হোসেন বলেন, বাজারে গত এক মাসে সরবরাহ বেড়েছে। এতে কেজিতে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এখনও আড়তগুলোতে প্রচুর খেজুর রয়েছে। এসব খেজুরের মধ্যে অনেকগুলোর বিক্রির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। রমজান সামনে রেখে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এ বিক্রেতা বলেন, কয়েক দিন আগে এক কার্টুন খেজুর এনেছি। পরে সেখানে দেখলাম আসল সিলের ওপর নকল সিল দিয়ে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারকে এখনই উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। প্রতিটি আড়তে অভিযান চালানো দরকার।

বাজারটির বিক্রিমপুর ভ্যারাইটিজ স্টোরে প্রতি কেজি দাবাস খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৪৬০ টাকা। জাহিদি ২৮০, মাশরুক ৭০০, আলজেরিয়ান ৬৫০, মাবরুম ১ হাজার ২৫০, সৌদি মরিয়ম ১ হাজার ২০০, আজুয়া ১ হাজার ২৮০, কালমি ৯০০, মেডজুল ১ হাজার ৩০০, খুরমা ৩৮০, দাবাস ক্রাউন ৫২০, আদম খেজুর ১০০০, সুক্কারি ৯০০, মেডজুল জাম্বু খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজিতে। 

এদিকে মহাখালীর ফলের দোকানগুলোতে দেখা গেছে, মাবরুর খেজুর ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও জিহাদি খেজুর ৪০০ টাকা, কালবি মরিয়ম ১ হাজার ২০০, বরই ৫০০-৫৫০ এবং মাশরুখ ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারটিতে ফল বিক্রি করেন আওলাদ হোসেন। তিনি বলেন, গত এক মাসে কেজিতে গড়ে ২০ থেকে ১০০ টাকা কমেছে। বর্তমানে বাজারে খেজুরের সরবরাহ ভালো। এ অবস্থা থাকলে রমজানে সংকট হওয়ার কথা নয়। 

দেশে খেজুরের বার্ষিক চাহিদা কত

এ খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মতে, দেশে বছরে এক লাখ মেট্রিক টন খেজুরের প্রয়োজন হয়। তার মধ্যে শুধু রমজানেই ৫০ থেকে ৬০ হাজার টন খেজুরের চাহিদা থাকে। তবে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে, বছরে ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে রমজান মাসে চাহিদা থাকে ৫০ হাজার টনের মতো।

চাহিদার পুরো খেজুর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ইরাক, আলজেরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে আমদানি করা হয়। 

শুল্ক কমেছে ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ

গত ২২ নভেম্বর রমজানে খেজুরের দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক ও অগ্রিম আয়কর (এআইটি) কমিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ সুবিধা চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যমান কাস্টমস ডিউটি ২৫ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ১০ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়। 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রমজান মাসে খেজুরকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ, অগ্রিম আয়কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ এবং বিদ্যমান ৫ শতাংশ আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়। এতে মোট করহার ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৮ দশমিক ৭০ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ ২৪ দশমিক ৯০ শতাংশ কর কমেছে। তখন এনবিআর জানিয়েছিল, খেজুর আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ককর কমানোর কারণে মানভেদে প্রতি কেজি খেজুর আমদানি ব্যয় ৬০ থেকে ১০০ টাকা কমতে পারে। এতে করে বাজারে খেজুরের সরবরাহ বাড়বে এবং বিক্রয় মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফআই) সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, সরকার যে পরিমাণ শুল্ক কমিয়েছে সে হিসেবে ক্রেতারা ভালো সুবিধা পাবেন। কেননা আমাদের শুল্ক দিতেই বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যেত। এখন যেহেতু শুল্ক কমেছে সেই তুলনায় দাম কমবে। 

আমদানির পরিস্থিতি

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে দেখা গেছে, বিগত ২০২১ হতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে যে পরিমাণ খেজুর আমদানি হয়, সে অনুযায়ী এ বছর সবচেয়ে কম আমদানি হয়েছে। এই আমদানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় অর্ধেক কম। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এনবিআরের আমদানি ও খালাসি তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র দেখা গেছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৪ সালের ৬ মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ৪ হাজার ২৩২ দশমিক ৭৩ মেট্রিক টন। তার মধ্যে জুলাই মাসে ২০৫ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন, আগস্টে ৩২৬ দশমিক ৩২ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বরে ২১৬ মেট্রিক টন, অক্টোবরে ৬৪৪ দশমিক ৮৬ মেট্রিক টন, নভেম্বরে ৬৫৪ মেট্রিক টন এবং ডিসেম্বরে ২ হাজার ১৮৫ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন আমদানি হয়।

২০২৩ সালের ৬ মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ৮ হাজার ১৫৯ দশমিক ৬৯ টন। তার মধ্যে জুলাই মাসে আমদানি হয়েছে ১৪৪৬ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন, আগস্টে ৯৫৯ দশমিক ১৮ টন, সেপ্টেম্বরে ৫০৩ দশমিক ৭৩ মেট্রিক টন, অক্টোবরে ১৫৬০ দশমিক ৪৭ মেট্রিক টন, নভেম্বরে ১৪৫১ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন এবং ডিসেম্বরে ২২৩৮ দশমিক ১৩ মেট্রিক টন। ২০২২ সালে ৬ মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ১১ হাজার ৭৭৩ দশমিক ৯ মেট্রিক টন। তার মধ্যে জুলাই মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ৪৯৩ দশমিক ০৫ মেট্রিক টন, আগস্টে ২৩২ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ২২৭ দশমিক ৮৫ মেট্রিক টন, অক্টোবরে ৪ হাজার ২৮ দশমিক ৭০ এবং নভেম্বরে ৩ হাজার ৭৬১ দশমিক ১০ এবং ডিসেম্বরে ২০৩১ দশমিক ২০ মেট্রিক টন। ২০২১ সালের ৬ মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ১৬৩ দশমিক ২৯ মেট্রিক টন। এর মধ্যে জুলাই মাসে খেজুর আমদানি হয়েছে ১৩২ মেট্রিক টন, আগস্টে ৪৮৩ দশমিক ৫৯ মেট্রিক টন, সেপ্টেম্বরে ৬৯৯ দশমিক ৫০, অক্টোবরে ১ হাজার ৯৪৭ দশমিক ৯৬, নভেম্বরে ৩ হাজার ৩৫২ দশমিক ২৪ এবং ডিসেম্বরে ৫ হাজার ৫৪৮ মেট্রিক টন।

আমদানির চেয়ে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে খেজুর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত গত এক বছরে ১৭৫ জন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ৭৩ হাজার ৯১৭ মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করেছে। আমদানি করা খেজুরগুলোর শুল্কায়ন মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৯৬ কোটি ৪৯ লাখ ২ হাজার ২৬৩ টাকা। এসব খেজুর আমদানির বিপরীতে এনবিআর রাজস্ব আদায় করেছে ৬১৭ কোটি ৪ লাখ ৬৬ হাজার ১৩৭ টাকা। 

আমদানি করা ৭৩ হাজার ৯১৭ মেট্রিক টন খেজুরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেজুর আমদানি করেছে মেসার্স সাথী এন্টারপ্রাইজ। গত এক বছরে প্রতিষ্ঠানটি ১০ হাজার ৭৫২ মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করে। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেজুর আমদানি করেছে মদিনা ফ্রুট সেন্টার। প্রতিষ্ঠানটি আমদানি করে ৫ হাজার ১১৮ মেট্রিক টন খেজুর। এরপর আল্লাহর রহমত স্টোর আমদানি করে ৪ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন। এরপর সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে মদিনা ডেটস অ্যান্ড ফ্রুটস। প্রতিষ্ঠানটি ৩ হাজার ১৭৫ মেট্রিক টন খেজুর আমদানি করেছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব খেজুর আমদানি করেছে সেগুলোর বিল অব এন্ট্রি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি কেজি খেজুর সর্বোচ্চ ৪ ডলার এবং সর্বনিম্ন এক ডলার আমদানি মূল্য দেখিয়ে পণ্যটি খালাস করেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ খেজুর আমদানি হয়েছে তিন ডলারের নিচে। প্রতি ডলার ১২৫ টাকা হিসেবে ধরলে এই হিসাবে এক কেজি খেজুরের সর্বোচ্চ আমদানি মূল্য ছিল ৫০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন আমদানি মূল্য ছিল ১২৫ টাকা। এর সঙ্গে প্রতি ৫০ শতাংশ শুল্ককর যোগ করলে ভালো মানের প্রতি কেজি খেজুরের দাম পড়ে ৭৫০ টাকা। কম দামের প্রতি কেজি খেজুরের দাম পড়ে ১৮৭ টাকা। 

কিন্তু খেজুরের অন্যতম পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম নগরীর ফলমন্ডি এলাকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, নিম্নমানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকায়। আর আজওয়া, মরিয়ম, মাবরুমসহ ভালো মানের খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০-১৬০০ টাকায়।

উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদা না পূরণের আশঙ্কা

এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উৎপাদন কম হওয়ায় এলসি অনুযায়ী খেজুর পাওয়া যাবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ফল আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফআই) উপদেষ্টা ও রিজভী ফ্রুট লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মনির হোসেন। তিনি বলেন, আমরা পর্যাপ্ত এলসি খুলেছি। কিন্তু সেই অনুযায়ী শিপমেন্ট হবে না। কেননা ইরাক, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশে এ বছর উৎপাদন কম হয়েছে। আমরা সাধারণত দুবাই থেকে খেজুর আনি। দুবাইয়ের বাজারে তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর এসে জমা হয়।

এলসি করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তবে ডলারের দাম বেশি বলে মন্তব্য বিএফএফআইএর সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, খেজুর আমদানি মোটামুটি ভালো হচ্ছে। প্রকৃত অবস্থা বুঝতে আমাদের আরও ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে। এখন এলসি করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তবে ডলারের দাম বেশি। প্রতি ডলারে ব্যয় হচ্ছে ১৩০ টাকা।

তিনি বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি চলে ইরাকি বস্তা খেজুর বা যাকে লেটকা খেজুর বলা হয়। বর্তমানে প্রতি মেট্রিক টন এ জাতের খেজুর দাম পড়ছে ৭০০ ডলার। কার্টন খেজুরের দাম ৮৫০ ডলার। আর সবচেয়ে ভালো মানের খেজুরের দাম ৩০০০ থেকে ৬০০০ ডলার। 

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত রমজানের চাহিদা অনুযায়ী খেজুর ও ফলের প্রায় ৭৫ শতাংশের এলসি হয়ে গেছে। বাকি কিছু এলসির প্রস্তুতি চলছে। ডলারের দাম বাড়ায় যে হারে পণ্যের দাম কমার কথা ছিল, হয়তো সে হারে কমবে না।

মেয়াদ বাড়িয়ে খেজুর বিক্রি হচ্ছে বলে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমার জানামতে এ ধরনের বিষয় সামনে আসেনি। আর গত বছরের যেসব খেজুর, তা আরও ৮ মাসের মতো মেয়াদ আছে। তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে সরকারের তরফ থেকে পদক্ষেপ নিতে পারে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা