× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে এসি-ফ্রিজের বাজার

গোলাম কিবরিয়া

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৬ পিএম

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৭ পিএম

প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে এসি-ফ্রিজের বাজার

বাংলাদেশে এসি, রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ এখন আর কেবল বিলাসপণ্য নয়; এটি ধীরে ধীরে দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। একসময় ফ্রিজ বা এসি শুধু উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে দেখা যেত। কিন্তু দেশীয় উৎপাদন, সহজ কিস্তি সুবিধা, বিদ্যুৎ সংযোগের বিস্তার এবং মানুষের আয় বৃদ্ধির ফলে এখন শহর থেকে গ্রাম সবখানেই এই পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল ও ঈদুল আজহা ঘিরে এর বাজার সবচেয়ে বেশি সরব হয়ে ওঠে।

ফ্রিজের চাহিদা কখন, কেমন

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বছরের অন্যান্য সময়ও ফ্রিজ বিক্রি হয়, তবে সবচেয়ে বেশি হয় গরম মৌসুমে এবং কোরবানির ঈদ সামনে রেখে। ঈদুল আজহার সময় অনেক পরিবার কোরবানির মাংস সংরক্ষণের জন্য নতুন ফ্রিজ কেনে অথবা পুরনো ফ্রিজ বদলে বড় আকারের নেন। বর্তমানে বাজারে সর্বনিম্ন প্রায় ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে দুই লাখ বা তার বেশি মূল্যের ফ্রিজ পাওয়া যায়। তবে গ্রামীণ বাজারে ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার ফ্রিজের চাহিদা বেশি। কারণ এই মূল্যসীমার পণ্যগুলো সাধারণ পরিবারের বাজেটের মধ্যে পড়ে এবং প্রয়োজনও মেটায়।

গ্রামে বাড়ছে বাজারের বড় অংশ

একসময় ফ্রিজের ব্যবহার মূলত শহরকেন্দ্রিক ছিল। কিন্তু এখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায় চিত্র বদলে গেছে। উদ্যোক্তাদের মতে, বছরে মোট ফ্রিজ বিক্রির প্রায় ৭০ শতাংশ এখন গ্রামীণ বাজারে যাচ্ছে। গ্রামের মানুষ কৃষি, প্রবাস আয়, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নের কারণে এখন আগের তুলনায় বেশি ক্রয়ক্ষম। ফলে তারা প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্য কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন।

সহজ কিস্তিতে বদলে গেছে বাজার

এসি ও ফ্রিজ বিক্রিতে কিস্তি সুবিধা এখন বড় ভূমিকা রাখছে। এককালীন বড় অঙ্কের টাকা খরচ না করে অনেক গ্রাহক মাসিক কিস্তিতে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিশেষ করে ০% EMI বা সুদমুক্ত কিস্তি অফার মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে। এতে গ্রাহকরা বাজেটের মধ্যে থেকেও উন্নত প্রযুক্তির মডেল কিনতে পারছেন। উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ সংযোগ। মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। দেশীয় কোম্পানি ফ্রিজ উৎপাদন শুরু করায় দামও অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে নেমেছে। তা ছাড়া কিস্তিতে কেনার সুযোগ রয়েছে। ফলে শখের পরিবর্তে ফ্রিজ এখন পরিণত হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে। দিন দিন চাহিদা বাড়তে থাকায় বড় হচ্ছে ফ্রিজের বাজার, বিশেষ করে কোরবানির সময় এর চাহিদা বেড়ে যায়।

ঈদ উপলক্ষে বিক্রেতারা নানা ছাড় ও উপহার ঘোষণা করেন, যা বিক্রিকে আরও চাঙ্গা করে তোলে। তবে তারা বলছেন, দেশি উৎপাদনকারীদের বছরভিত্তিক কর অব্যাহতি দেওয়া হয়। নানা সংযোজন-বিয়োজন করে প্রতি বছরই নতুন শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। এ কারণে বাড়তি সময় ও নতুন অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়, যা ব্যবসার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই প্রতি বছর নীতি পরিবর্তন না করে দীর্ঘ সময়ের জন্য বহাল রাখা উচিত। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য ১০ বছরের করহার নির্ধারণ, কাস্টমস নীতি এবং নীতিতে কতটুকু ছাড় দেওয়া হবে, তা স্পষ্ট করা দরকার। এতে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ এবং ব্যবসার পরিকল্পনা করা সহজ হবে। হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড অব প্রডাক্ট (এয়ার কন্ডিশনিং) মুহাম্মাদ মুনীম বলেন, হায়ার সব সময় গ্রাহকদের আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন ও অফার দিয়ে থাকে।

বর্তমানে ডিলার চ্যানেলে চলছে ‘প্লে উইথ দ্য নাম্বার ওয়ান’ ক্যাম্পেইন, যেখানে গ্রাহকরা এসি কিনে ক্যাশ ডিসকাউন্টের পাশাপাশি স্ক্র্যাচ কার্ডের মাধ্যমে থাইল্যান্ড ভ্রমণ, ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভিসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার জিততে পারেন। রিটেইল চেইনে রয়েছে বিভিন্ন কম্বো অফার, যেখানে বড় ডিসকাউন্টে হায়ার এসির সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে টপ লোড বা ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন, ড্রায়ার ইত্যাদি। এ ছাড়া অনলাইন ই-কমার্স প্লাটফর্মে হায়ারের জেনগ্লো মডেল কিনলে গ্রাহকরা পাচ্ছেন স্পেশাল ডিসকাউন্ট এবং ৪ হাজার টাকার আড়ং গিফট কার্ড। হায়ার সব সময় গ্রাহকদের জন্য ভ্যালু অ্যাডেড অফার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

এসি এখন বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন

বাংলাদেশে কয়েক বছর আগেও এসি অনেকের কাছে বিলাসী পণ্য হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু তীব্র গরম, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, নগরায়ণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে এসির ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। বর্তমানে শুধু শহর নয়, জেলা শহর, বন্দরনগরী এমনকি গ্রামীণ আবাসিক এলাকায়ও এসির চাহিদা বাড়ছে। গরমের প্রস্তুতি নিতে বাজারে এসির খোঁজ করছেন অনেকে। কোন ব্র্যান্ডের এসি ভালো, শরীরের পাশাপাশি পকেটে স্বস্তি দেবে কোন ব্র্যান্ডÑ কেনার আগে বিভিন্ন প্রশ্নের জট বাঁধছে ক্রেতাদের মাথায়। সব প্রশ্নের যথাযথ উত্তর মিললেই ঘরে ঠাঁই পাচ্ছে নতুন এসি। একসময় বিলাসপণ্য হিসেবে বিবেচিত এসি এখন শহর থেকে বন্দরে, ছড়িয়ে গেছে সবখানে। মানুষের ঘরে ঘরে এসি যত সহজলভ্য হয়েছে, তত বেড়ে উঠেছে দেশি কোম্পানিগুলো।

মিনিস্টার মাইওয়ান গ্রুপের ব্র্যান্ড মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার মো. জুয়েল রানা বলেন, গ্রামীণ ও শহুরে বাজারে এসির চাহিদার মধ্যে এখনও কিছু স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ করা যায়, তবে সেই ব্যবধান ধীরে ধীরে কমে আসছে। শহুরে বাজারে বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলোয় এসির চাহিদা মূলত লাইফস্টাইল, ঘনবসতিপূর্ণ আবাসন, অফিস ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের কারণে তুলনামূলকভাবে বেশি এবং নিয়মিত। এখানে গ্রাহকরা সাধারণত ইনভার্টার, এনার্জি-এফিশিয়েন্ট এবং স্মার্ট ফিচার-সমৃদ্ধ মডেল বেশি পছন্দ করেন। অন্যদিকে গ্রামীণ বাজারে চাহিদা এখন দ্রুত বাড়ছে, তবে তা মূলত আবহাওয়াজনিত তীব্র গরম, আয় বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সুবিধার সম্প্রসারণের কারণে নতুনভাবে তৈরি হওয়া চাহিদা। এখানে এখনও দামের সংবেদনশীলতা বেশি, ফলে গ্রাহকরা তুলনামূলকভাবে বাজেট ও মিড-রেঞ্জ মডেলের দিকে বেশি ঝোঁকেন। আমরা লক্ষ করছি, গ্রামীণ বাজারে এসি এখন ধীরে ধীরে ‘লাক্সারি’ থেকে ‘কমফোর্ট প্রডাক্ট’-এ রূপ নিচ্ছে, বিশেষ করে নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণির সম্প্রসারণের কারণে।

কিস্তি সুবিধা বা সহজ ফাইন্যান্সিং কি এসি বিক্রিতে বড় ভূমিকা রাখছেÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কিস্তি সুবিধা বা সহজ ফাইন্যান্সিং বর্তমানে এসি বিক্রিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারক ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে এসি এখন আর শুধু উচ্চমূল্যের পণ্য হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই, বরং সহজ কিস্তি ব্যবস্থার কারণে এটি মধ্যবিত্ত এবং নতুন ক্রেতা শ্রেণির জন্য অনেক বেশি সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ০% EMI সুবিধা গ্রাহকের ক্রয় সিদ্ধান্তকে দ্রুত প্রভাবিত করছে। আমরা দেখছি, অনেক গ্রাহক এককালীন অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে মাসিক কিস্তিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, কারণ এতে বাজেট ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং একই সঙ্গে উন্নত মডেল কেনার সুযোগও তৈরি হয়।

এসি-ফ্রিজের রপ্তানি বাজার বাড়ছে

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে দেশীয় ফ্রিজ। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে প্রায় দুই লাখ ইউনিট ফ্রিজ রপ্তানি হয়েছে। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, ইরাক, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, অস্ট্রিয়াসহ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ ৪০টির বেশি দেশে ফ্রিজ ও এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ রপ্তানি হচ্ছে। মিনিস্টার মাইওয়ান গ্রুপের ব্র্যান্ড মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার মো. জুয়েল রানা বলেন, বাংলাদেশের এসি শিল্পের রপ্তানি সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত উজ্জ্বল।

গত কয়েক বছরে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা, কম্পোনেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশীয় শিল্প এখন বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে কয়েকটি কৌশলগত পদক্ষেপ জরুরি। প্রথমত, উৎপাদন ব্যয় আরও প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে আনতে কাঁচামাল ও গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্টের স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন, গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) এবং ইনোভেশন-ভিত্তিক পণ্য উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামো উন্নয়ন, দ্রুত কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স, রপ্তানি প্রণোদনা এবং নতুন বাজারে বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রযুক্তির ব্যবহার 

বর্তমানে একজন গ্রাহক যখন এসি বা ফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তার প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে পণ্যটি কতটুকু বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের উচ্চমূল্য এবং গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বা এনার্জি এফিশিয়েন্ট এসির চাহিদা এখন তুঙ্গে। গ্রাহকরা এখন এসির ক্রয়মূল্যের চেয়েও এর দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়কে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের রেফ্রিজারেটর অ্যান্ড ফ্রিজারের হেড অব প্রডাক্ট মেসবাহ উদ্দিন সরকার বলেন, গ্লোবাল ব্র্যান্ডের মধ্যে হায়ার রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার ক্রেতার পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে রয়েছে। ইনোভেটিভ ডিজাইন, অত্যাধুনিক এআই ফিচারের পাশাপাশি পণ্যের মূল্য সাধ্যের মধ্যে থাকায় বাজারে ভালো অবস্থান অর্জন করেছে। হায়ার রেফ্রিজারেটরে রয়েছে H-Deo Fresh, যা ভেতরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করে ব্যাকটেরিয়া দূর করে সতেজ খাবার নিশ্চিত করে। HCS টেকনোলজির মাধ্যমে খাবারের আর্দ্রতা ধরে রাখে, ফলে খাবার থাকে টাটকা। পাশাপাশি ওয়াইফাই টেকনোলজি, ডিজিটাল ডিসপ্লে হায়ারের রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজারকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। 

বিশ্বে প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি ঘটছে। উৎপাদনকারীদেরও সেদিকে মনোনিবেশ হতে হবে বলে মনে করেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তি ও ফিচারের পণ্য উদ্ভাবনে গবেষণা, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণে জোর দেওয়া দরকার।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা