প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ২২:১৭ পিএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২২ ২২:১৮ পিএম
এলিয়েনের একটি প্রতীকী ছবি
মহাবিশ্বের অন্য কোনো গ্রহে মানুষের মত বুদ্ধিমান প্রাণি আছে কিনা, এ বিষয়ের বির্তক বেশ পুরনো। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের একটা অংশ মনে করেন, মহাবিশ্বের অন্য কোথাও মানুষের মত বুদ্ধিমান, উন্নত ধ্যান-ধারণার অন্য প্রাণি নেই, এটার পক্ষে জোরালো কোনো যুক্তি বা প্রমাণ নেই।
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, চলচ্চিত্রে ভিন গ্রহে বুদ্ধিমান প্রাণরি অস্তিত্ব, তাদের তৎপরতা ইত্যাদি নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে। আবিষ্কারের নেশায় মহাকাশ গবেষণায় মানুষ যেভাবে মেতে উঠেছে, এতে করে ভিন গ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণিদের সঙ্গে মানুষের সহসা দেখা হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তাদের পাঠানো বার্তা আমাদের কাছে যেকোনো সময় চলে আসতে পারে। এমন ধারণা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের একটা অংশের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী।
এমনটি যদি হয়েই যায়, তাহলে সে বার্তার পাঠোদ্ধার কীভাবে হবে? এমন চিন্তা থেকে ‘এলিয়েন কন্টাক্ট প্রোটোকল’ তৈরির জন্য কাজ করছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকরা। এমন এক বিজ্ঞানী স্কটল্যান্ডের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন এলিয়ট।
ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতি এক বিবৃতিতে জন এলিয়ট বলেন, ‘ভিন গ্রহের কোনো এলিয়েন আমাদের কাছে কোনো বার্তা পাঠালে, তার পাঠোদ্ধার কীভাবে হবে, তা নিয়ে আমাদের এখনই প্রস্তুত হতে হবে। এলিয়েনদের বার্তার পাঠোদ্ধারের জন্য আমরা একটা নতুন গবেষণা (এসইটিআই) শুরু করেছি। এতে অনেক বিজ্ঞানী ও গবেষক কাজ করছেন।
এ প্রকল্পে বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি মানবিক বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞরাও কাজ করছেন। আমরা এমন একটা প্রোটোকল তৈরির জন্য কাজ করছি, যাতের এলিয়েন কোনো বার্তা পাঠালো আমরা কীভাবে সাড়া দেব, তার পাঠোদ্ধার কীভাবে হবে, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্ভাব্য চুক্তি কীভাবে হবে ইত্যাদি বিষয়কে মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি। এ জন্য আমরা জাতিসংঘ ও অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়েছি। এলিয়েনদের সঙ্গে যোগেযোগের জন্য পুরো বিশ্বের জন্য একটি সাধারণ প্রোটোকল তৈরি করাই আমাদের উদ্দেশ্যে।
জন এলিয়ট বলেন, ইতোপূর্বে মানুষ এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে নানা চিন্তাভাবানা করেছেন। এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে সার্বিক কোনো রূপরেখা নিয়ে কোনো কাজ হয়নি। ১৯৮৯ সালে এসইটিআই যে প্রোটোকলটি তৈরি করা হয়েছে, তা সর্বশেষ ২০১০ সালে একবার হালানগাত করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের একটি সর্বাঙ্গিন রূপরেখা দরকার। আমরা তা নিয়েই কাজ করতেছি।