প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:৪১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আল কুরআনের বাণী
আল্লাহ! যিনি ঊর্ধ্বলোকে স্থাপন করেছেন নভোমণ্ডলীকে, দৃশ্যমান কোনো কিছুর সহায়তা ব্যতীত। অতঃপর তিনি আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। চন্দ্র ও সূর্যকে নিয়মাধীন করে কর্মে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকে নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক আবর্তন করে। তিনি সব বিষয় পরিচালনা করেন। অবতীর্ণ বিষয়গুলো তিনি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন, যেন তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে নিশ্চিত হও।
আল-হাদিস থেকে
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, উটের যে হক (দেয়) রয়েছে, উটের মালিক তা প্রদান না করলে (রোজ কিয়ামতে) ওই উট পূর্বাপেক্ষা বলিষ্ঠাবস্থায় মালিকের কাছে হাজির হবে এবং তার খুর দ্বারা তাকে পিষ্ট করতে থাকবে। (এভাবে) বকরির যে হক (দেয়) রয়েছে, তার মালিক তা প্রদান না করলে (রোজ কিয়ামতে) ওই বকরি পূর্বাপেক্ষা বলিষ্ঠাবস্থায় মালিকের কাছে হাজির হবে এবং তার খুর দ্বারা তাকে দলিত করতে ও শিং দ্বারা আঘাত করতে থাকবে। তিনি (নবী করিম সা.) বললেন, তার হক সমূহের মধ্যে একটি হলো পানি পান করার স্থানে তাদেরকে দোহন করা। তিনি (নবী করিম সা.) আরও বলেছেন, রোজ কিয়ামতে তোমাদের কাউকে যেন চিৎকাররত কোনো বকরি স্কন্ধে বহন করে উপস্থিত হতে না হয় এবং বলতে না হয়, হে মুহাম্মদ (সা.)! (আমাকে রক্ষা করুন) আর আমাকে যেন বলতে না হয়, আল্লাহর শাস্তি হতে তোমাকে রক্ষা করার জন্য (আজ) আমি কিছুই করতে পারি না। আমি তো আল্লাহর নির্দেশ পূর্বেই তোমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি। আর তোমাদের কাউকে যেন চিৎকাররত কোনো উট স্কন্ধে বহন করে উপস্থিত হতে না হয় এবং বলতে না হয়, হে মুহাম্মদ (সা.)! এবং আমাকেও বলতে না হয়, তোমার ব্যাপারে কিছু করার অধিকার আমার নেই, আমি তো তা পূর্বেই জানিয়ে দিয়েছি।