প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
আল কুরআনের বাণী
তাদের সঙ্গ পরিত্যাগ, যারা নিজেদের ধর্মকে ক্রীড়া ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। মানুষকে স্মরণ করিয়ে দাও যেন সে যা অর্জন করেছে তাতে না সে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলে। আল্লাহ ব্যতীত তার কোনো সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী নেই এবং তাদের কাছ থেকে বিনিময় হিসেবে কোনো কিছুই গ্রহণ করা হবে না। এরা নিজেদের নিষ্ফল কাজ দ্বারা নিজেদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলছে। তাদের জন্য রয়েছে উত্তপ্ত পানি এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি কেননা তারা অবিশ্বাস করে।
আল-হাদিস থেকে
হজরত মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা (একদা) নবী করিম (সা.)-এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমরা সবাই প্রায় সমবয়সি যুবক ছিলাম। তার (রাসুলুল্লাহ সা.-এর) খেদমতে আমরা ২০ দিন অবস্থান করেছিলাম। রাসুলুল্লাহ (সা.) দয়ালু ও কোমলপ্রাণ ছিলেন। তিনি যখন অনুভব করলেন, আমরা পরিবার-পরিজনদের জন্য উৎসুক হয়ে পড়েছি, তখন তিনি আমাদের পরিবারের কথা জিজ্ঞেস করলেন। আমরা তাঁকে সব কথা বললাম। তিনি বললেন, পরিবার-পরিজনদের কাছে ফিরে যাও, তাদের সঙ্গে অবস্থান করে তাদেরকে দ্বীনি শিক্ষা দেবে এবং ভালো কাজ ও ভালো কথার নির্দেশ দেবে। তিনি আরও কিছু বিষয়ের উল্লেখ করলেন। মালেক বলেন, বিষয়গুলো হয়তো আমার স্মরণ আছে বা সবগুলো মনে নাও থাকতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) এরপর বললেন, যেভাবে আমাকে নামাজ পড়তে দেখেছ সেভাবে নামাজ পড়বে। নামাজের সময় হলে এক ব্যক্তি আজান দেবে। আর যে ব্যক্তি (দ্বীনের ও বয়সে) বড় সে ইমামতি করবে।