মাহির ইমতিয়াজ
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৫ ১১:১৯ এএম
দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে ঢেপা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত নয়াবাদ মসজিদ। ১.১৫ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটিতে মোট চারটি গম্বুজ রয়েছে।
বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাটি ইট, টেরাকোটা, টাইল দিয়ে নির্মিত। মসজিদের প্রবেশের প্রধান দরজার ওপর স্থাপিত ফলক থেকে জানা যায় এটি সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের রাজত্বকালে ২ জ্যৈষ্ঠ, ১২০০ বঙ্গাব্দে নির্মাণ করা হয়। সেসময় জমিদার ছিলেন রাজা বৈদ্যনাথ। স্থানীয়দের মতে, ১৮ শতকের মাঝামাঝি কান্তজিউ মন্দির তৈরির কাজে আগত মুসলমান স্থপতি ও কর্মীরা মসজিদটি নির্মাণ করেন।
তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের চার কোণে চারটি অষ্টভুজ মিনার রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণের দেয়ালে একটি করে জানালা রয়েছে। পশ্চিম পাশের দেয়ালে মোট তিনটি মিম্বার রয়েছে, যেগুলো মসজিদের তিনটি প্রবেশ দরজা বরাবর তৈরি। সব দেয়ালজুড়ে রয়েছে আয়তাকার বহু পোড়ামাটির ফলক। যেগুলোতে রয়েছে লতাপাতা ও ফুলের নকশা। তবে অধিকাংশ ফলকই ধ্বংসপ্রাপ্ত। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা মসজিদটি দেখতে আসেন।