প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৫ ১৫:৪০ পিএম
প্রবা ফটো
১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র হিসেবে মাত্র দেড় ঘণ্টার সম্প্রচার সক্ষমতা নিয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাটি ও মানুষের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষা এবং সংস্কৃতির বিকাশে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়। সারাদেশে টেরিস্ট্রিয়াল ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা সম্প্রচারে থাকা স্টেশনটি, অনেক পরিশ্রম, আন্দোলন আর সংগ্রামের ফসল। এ কেন্দ্রে আছে অনেক সমস্যা, আছে অতৃপ্তি, আছে অনেক সীমাবদ্ধতা।
এ প্রতিবন্ধকতা থেকে বেরিয়ে এসে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে বিটিভির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এ কেন্দ্রে সারাদেশের ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের অংশগ্রহনে আয়োজন করে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা। যা চট্টগ্রাম সহ সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক হুইপ মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার মো. ঈমাম হোসাইন।
বিটিভি চট্টগ্রামের ইতিহাসে এমন আয়োজনে প্রশংসা করে আগত অতিথিরা বলেন, গতানুগতিক অনুষ্ঠান নির্মাণের গন্ডি থেকে বেরিয়ে এসে এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে কোরআন চর্চার আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি নৈতিক মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরি করতে সহায়ক হবে। প্রতিবছর এমন আয়োজন করা গেলে আরও দর্শকপ্রিয়তা পাবে।
অনুষ্ঠানটির চুড়ান্ত রাউন্ডে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক ড. বি এম মফিজুর রহমান, হাফেজ ক্বারী মাওলানা নুর মোহম্মদ আজিজি এবং হাফেজ বারী মাওলানা সাইফুল করিম। চুড়ান্ত পর্বে প্রথম স্থান লাভ করেন তানজিনাতুল হোসনা অবিয়া, দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন খন্দকার ইসরাত জাহান মুনতাহা এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন তাহফিজা ই ইলাহী। এসময় শীর্ষস্থান অর্জনকারীদের হাতে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অতিথিরা।
বিটিভি চট্টগ্রামের জেনারেল ম্যানেজার ঈমাম হোসাইন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন ইলন সফির ও উম্মে হাবিবা দীনা। চুড়ান্ত পর্ব উপস্থাপনায় ছিলেন ড. আবুল কালাম আজাদ।