তারিকুল ইসলাম
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৪ ১৮:১৩ পিএম
ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ। প্রবা ফটো
প্রাচীন ঐতিহ্য হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ। স্থানীয়দের কাছে এটি ‘তিন গম্বুজ মসজিদ’ বা মিয়া বাড়ির মসজিদ নামেও পরিচিত। লোকমুখে প্রচলিত রয়েছেÑ বাংলার সুবাদার মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে শাহ সুজার সঙ্গী শেখ আবদুল মজিদ এ মসজিদের নির্মাতা। তিনি ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ভারুকাঠি গ্রামে আস্তানা গেড়েছিলেন। অনিন্দ্যসুন্দর তিন গম্বুজ মসজিদ ভারুকাঠি গ্রামের প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম আকর্ষণ। তিন গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদের দেয়াল ৪২ ইঞ্চি পুরু। মসজিদের সামনে রয়েছে ঘাট বাঁধানো সুবিশাল দিঘি। দ্বিতল মুঘল আমলের কারুকার্যমণ্ডিত। তিনটি দরজা রয়েছে মূল মসজিদে। চারপাশে পিলারের ওপর নির্মিত হয়েছে ছোটবড় পাঁচটি মিনার। মিনারগুলোও নান্দনিক নকশায় অলংকৃত। তিনটি গম্বুজের মাঝেরটি সবচেয়ে বড়। যার ভেতরের অংশেও রয়েছে কারুকার্যময় সুন্দর নকশার সমাহার।
ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হকেরও স্মৃতি। আত্মীয়তার সূত্রে এ মিয়াবাড়িতে এলে তিনি মসজিদের দিঘিতে গোসল করেছেন, মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। মসজিদ ও দিঘি একই সময়ে নির্মিত। মসজিদসংলগ্ন কাঁঠাল গাছের গোড়া থেকে সব কবরই বাঁধাই করা।