প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬ ২০:২৯ পিএম
নিউ জার্সির আইনপ্রণেতা শ্যামা হায়দার এএপিআই নেতৃবৃন্দ ও পেশাজীবীদের অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রফেসর শোয়াইবের হাতে লেজিসলেটিভ রেজ্যুলেশন সম্মাননা তুলে দেন। ছবি: এএপিআই নিউজ
মিডিয়া ও কমিউনিটি লিডারশিপে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিউ জার্সি স্টেট সিনেট ও জেনারেল অ্যাসেম্বলির যৌথ লেজিসলেটিভ রেজ্যুলেশন সম্মাননা পেয়েছেন প্রফেসর শোয়াইব আহমেদ ভূঁইয়া।
এশিয়ান আমেরিকান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার হেরিটেজ মাস উপলক্ষে তাকে এই বিরল সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে এই গৌরব অর্জন করে তিনি নতুন এক ইতিহাস গড়লেন।
নিউ জার্সির আইনপ্রণেতা শ্যামা হায়দার এএপিআই নেতৃবৃন্দ ও পেশাজীবীদের অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রফেসর শোয়াইবের হাতে এই রেজ্যুলেশন তুলে দেন। মূলত মিডিয়া, উচ্চশিক্ষা এবং জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে তার দীর্ঘদিনের অনবদ্য ভূমিকার জন্য স্টেট লেজিসলেচার এই সম্মাননা প্রদান করেছে।
প্রফেসর শোয়াইব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেয়ারলি ডিকিনসন ইউনিভার্সিটিতে সাইবার সিকিউরিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে অধ্যাপনা করছেন।
এর আগে তিনি কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি, পেস ইউনিভার্সিটি এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি তিনি সিউনির লাগোয়ার্ডিয়া কমিউনিটি কলেজ সিনেটে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান ফ্যাকাল্টি সিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষকতার বাইরেও প্রফেসর শোয়াইব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক পরিচিত নাম। সামাজিক ন্যায়বিচার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, যুদ্ধবিরোধী উদ্যোগ এবং বর্ণবাদবিরোধী অবস্থানে তিনি সবসময়ই সোচ্চার। তিনি এবিসি, এনবিসি, আল জাজিরা, টিআরটি ওয়ার্ল্ড এবং স্টার নিউজের মতো বিশ্বখ্যাত গণমাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন।
তিনি দ্বিভাষিক বিকল্প গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম রিপাবলিক টিভি ইউএসএ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং দর্শকপ্রিয় অনুষ্ঠান দ্য ডেমোক্রেসি অ্যান্ড জাস্টিস শোয়ের উপস্থাপক। তার উপস্থাপিত অনুষ্ঠানগুলো এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা জুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
সম্মাননা পাওয়ার পর প্রফেসর শোয়াইব এই অর্জন বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি এবং মিডিয়া, শিক্ষা ও জনসেবায় নিয়োজিত নতুন প্রজন্মের তরুণদের প্রতি উৎসর্গ করেন।
এই স্বীকৃতিকে নিউ জার্সিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান অবদান ও সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।