প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২২ ১৫:০৯ পিএম
আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২২ ১৫:৪০ পিএম
সমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাঁচিল টপকে ভেতরে প্রবেশ ও বাইরে বের হয়ে আসতে দেখা যায়। ছবি : প্রবা
আওয়ামী যুবলীগের যুব মহাসমাবেশ শুরুর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশমুখে হুড়োহুড়ি দেখা গেছে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীর মধ্যে।
যুবলীগের সমাবেশে যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীরা হুড়োহুড়ি করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্টিলের ব্যারিকেড টপকে বাংলা একাডেমির সামনের সড়কে চলে আসতে চান জুমার নামাজের পর।
সমাবেশের ৩ নম্বর গেট রমনা কালীমন্দিরের পাশে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও সেনা সদস্যরা তাদের বেরিয়ে আসতে বাধা দেন। ব্যারিকেড টপকে যারা বাইরে চলে আসতে চান তাদের লাঠিপেটা করেন। এ সময় যুবলীগ কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।
পুলিশ সদস্যরা যুবলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে। সমাবেশে আসা নারী কর্মীদের এ সময় ছত্রভঙ্গ হয়ে দৌড়াতে দেখা যায়। পুলিশের ধাওয়ায় বেশ কজন নেতাকর্মী আহত হন।
ঢাকার উত্তরা থেকে সমাবেশে আসা ওমর ফারুক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সাধারণ কর্মীদের জন্য খাবার ও পানির বন্দোবস্ত করা হলেও তা পর্যাপ্ত ছিল না। প্রচণ্ড গরমে কাহিল হয়ে পড়েছিলাম। খিদেও লেগেছে খুব। খাওয়ার জন্য বের হয়ে আসতে গেলাম। বের হওয়ার একমাত্র উপায় ছিল ব্যারিকেড টপকানো। তখন সেনাবাহিনীর ডান্ডাবাড়ি খেলাম।’
পুলিশের পিটুনিতে কিছুটা আহত হয়ে ফারুক মিয়া বলেন, ‘শৃঙ্খলার কিছু নেই ভেতরে। খাবারের প্যাকেট নিয়ে কাড়াকাড়ি। পানি নাই। জুমার নামাজের জন্য জায়গা করে দিয়েছিল। সেখানে জায়গা পাই নাই।’
স্টিলের ব্যারিকেড বেয়ে বাইরে আসা ওসমান গনি বলেন, ‘বেশ কষ্ট হয়েছে পার্কের ভেতরে গিয়ে। তবু আক্ষেপ নাই। সমাবেশে এসে দেশের নানা প্রান্তের নেতাকর্মীর সঙ্গে দেখা হয়েছে।’
যুবলীগের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এসে উপস্থিত হন। তবে সমাবেশে ঢোকার জন্য মাত্র পাঁচটি গেট থাকায় নেতাকর্মীদের প্রবেশে হিমশিম খেতে হয়।