× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

হাতপাখার এত ভোট আসলে কার

দীপক দেব

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৩ ১০:০৪ এএম

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩ ১০:০৫ এএম

হাতপাখার এত ভোট আসলে কার

ভোটের রাজনীতিতে ‘নতুন খেলোয়াড়’ হয়ে ওঠার আভাস দিচ্ছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সদ্যসমাপ্ত খুলনা ও বরিশাল সিটি নির্বাচনে এবং এর আগে গাজীপুর ও রংপুর সিটিতে দলটির প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেয়ে চমক দেখিয়েছেন। অবশ্য ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বেশ কয়েক বছর ধরেই ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে ধর্মভিত্তিক দলটি।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক দল হিসেবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন। তখন এ নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। তবে ‘বিএনপিবিহীন’ সাম্প্রতিক সিটি নির্বাচনে ভোটের বিচারে হাতপাখার প্রার্থীরা দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসায় নড়েচড়ে বসেছেন সবাই। কীভাবে এত ভোট পাচ্ছে হাতপাখা- এ নিয়ে চলছে নানামুখী বিশ্লেষণ। 

জাতীয় পার্টির (জাপা) ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রংপুর সিটি করপোরেশনে গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীও পাত্তা পাননি হাতপাখার সামনে। ওই নির্বাচনে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন জাপার মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। ওই নির্বাচনে ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসেন ইসলামী আন্দোলনের আমিরুজ্জামান।

গত মে মাসে অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ৪৫ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন হাতপাখার গাজী আতাউর রহমান। আর গত সোমবার অনুষ্ঠিত বরিশাল ও খুলনা সিটি নির্বাচনের শুরু থেকেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা। ভোটের হিসাবে দুই সিটিতেই দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করেছেন তারা। দলটির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা সৈয়দ ফয়জুল করীম নিজেই মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বরিশালে। তিনি পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট। আর খুলনায় হাতপাখার প্রার্থী আব্দুল আউয়াল ৬০ হাজার ৬৪ ভোট পেয়েছেন। 

ভোটের মাঠে ইসলামী আন্দোলনের এমন অপ্রত্যাশিত উত্থান নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ অন্য দলগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে ধর্মভিত্তিক অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে এখন আরও গভীরভাবে মাথা ঘামাতে হচ্ছে চরমোনাই পীরের দলকে নিয়ে। প্রশ্ন উঠেছে, জামায়াতে ইসলামীর মতো দলের অনুপস্থিতিতেই কি শক্তিশালী হয়ে উঠছে ইসলামী আন্দোলন? যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি-জামায়াত ভোটের মাঠে না থাকায় আওয়ামী লীগবিরোধী অনেক ভোটও হয়তো হাতপাখার প্রার্থীরা পাচ্ছেন।

তবে এই পরিসংখ্যান দেখে এমন সিদ্ধান্তে আসা যাবে না যে, হঠাৎই ভোটারদের কাছে দলটির সক্ষমতা এবং গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের বিপরীতে বিকল্প কোনো প্রার্থী না থাকায় বিএনপি-জামায়াত এবং অন্যান্য ইসলামী দলের কিছু ভোটও হয়তো হাতপাখায় যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত নিজেদের প্রার্থী দিলে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের ভোট হয়তো কমে যাবে। 

তবে এমন পর্যবেক্ষণ মানতে নারাজ ইসলামী আন্দোলন। গতকাল মঙ্গলবার প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপকালে দলটির মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, গত ৫২ বছরের রাজনীতি দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বিকল্প হিসেবে মানুষ আমাদের মনে করছে। এজন্য হাতপাখার প্রতি মানুষের ভালোবাসা দিন দিন বাড়ছে। মানুষ প্রতিহিংসার রাজনীতি আর দেখতে চায় না। জনগণ এখন কল্যাণমুখী রাজনীতির পক্ষে। ভোটারদের এমন মনোভাবের কারণে ইসলামী আন্দোলন তাদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। 

বিএনপি না থাকায় ভোট বেড়েছে হাতপাখার 

২০১৮ সালেও বরিশাল, খুলনা ও গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন। সেবার ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মাঠে ছিলেন বিএনপি-জামায়াতের প্রার্থীরাও। ওই নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের হিসাবে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি নির্বাচনের চিত্রও ছিল অভিন্ন। 

পাঁচ বছর আগের সেই পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৮ সালের তুলনায় এবার গাজীপুরে হাতপাখার প্রার্থী ১৮ হাজার ৯৭১ ভোট বেশি পেয়েছেন। একইভাবে বরিশাল, খুলনা ও রংপুরে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা গতবারের তুলনায় যথাক্রমে ২৭ হাজার ৮২৮, ৪৫ হাজার ৭০১ এবং ২৬ হাজার ১৭৪ ভোট বেশি পেয়েছেন। অর্থাৎ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে বিএনপির প্রার্থী না থাকায় ভোট বেড়েছে হাতপাখার। 

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক হারুন অর রশীদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, বিএনপিসহ অন্যান্য অনেক দল যেহেতু এসব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি, তাই বিএনপির একটি অংশের ভোট, বিশেষ করে আওয়ামী লীগবিরোধী ভোট পেয়েছে ইসলামী আন্দোলন। 

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পর্যবেক্ষণও প্রায় অভিন্ন। প্রতিদিনের বাংলাদেশকে তিনি বলেছেন, যেহেতু বিএনপি এই নির্বাচনে নেই, তবে তাদের অনেকেই ভোট দিতে গেছেন আর এই ভোটাররা নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন বলেই ধারণা। বিএনপির অনুপস্থিতিই হাতপাখার ভোট বাড়ার সম্ভাব্য বড় কারণ। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশে ধর্মাশ্রয়ী ভোটারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বিএনপির যারা ভোট দিতে গেছেন, তারা ধর্মাশ্রয়ী হয়ে গেছেন বিষয়টি এমন নয়।

এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিএনপি না থাকায় হাতপাখার ভোট বেড়েছে এ কথা ঠিক নয়। ২০০৮ সালের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিভিন্ন ভোটের ফলাফল দেখলে বুঝতে পারবেন প্রতিনিয়ত আমাদের ভোট বেড়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি নির্বাচনে বিএনপিসহ অন্যান্য দলও অংশ নিয়েছে। সেহেতু অন্যরা না থাকায় হাতপাখার ভোট বেড়েছেÑ এ দাবি সঠিক নয়। 

নেপথ্যে অন্য খেলা?

বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে বিএনপি। সাম্প্রতিক কোনো নির্বাচনে তারা দলীয়ভাবে প্রার্থী দেয়নি। নির্দলীয় সরকার ছাড়া দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে তারা। এদিকে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নাছোড় মনোভাব দেখাচ্ছে আওয়ামী লীগও। বিএনপি না এলে অন্যান্য দলগুলোকে মাঠে এনে ক্ষমতাসীনরা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের বার্তা দিতে চায় বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলনের তৎপরতাকে সন্দেহের চোখেও দেখছেন অনেকে। 

অবশ্য ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলছেন, ভোটের রাজনীতিতে তাদের সম্পৃক্ততা সাম্প্রতিক নয়। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সাত দল নিয়ে গঠিত ইসলামী ঐক্যজোটের শরিক হিসেবে নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন। ওই নির্বাচনে তাদের দুজন প্রার্থী বিজয়ীও হয়েছেন। ২০০১ সালে ইসলামী ঐক্যজোট ছেড়ে এরশাদের জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধেছিল ইসলামী আন্দোলন। নির্বাচনের পর সেই জোট ভেঙে যায়। ২০০৮ সাল থেকে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে চরমোনাই পীরের দল। ওই নির্বাচনে ১৬০ আসনে প্রার্থী দিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের বাইরে একমাত্র দল হিসেবে মোট ভোটের ১ শতাংশের বেশি পেয়েছে হাতপাখা। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলটি অংশ না নিলেও পরবর্তী সকল স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে তারা। 

দেশের রাজনীতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, এমন একাধিক বিশ্লেষকের সঙ্গে হাতপাখার ভোট বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলেছে প্রতিদিনের বাংলাদেশ। তাদের মতে, ধর্মভিত্তিক দলের ভোটে অংশীদার বাড়াতে এবং ধর্মীয় ভোটে বিএনপি-জামায়াতের আধিপত্য কমাতে নানাভাবে আনুকূল্য দিয়ে সরকারি দলই ইসলামী আন্দোলনকে বর্তমানের অবস্থানে তুলে এনেছে। এর আগে হেফাজতে ইসলামের ওপর বিএনপি-জামায়াতের প্রভাব খর্ব করতে অরাজনৈতিক সংগঠনটির প্রতিও নমনীয় মনোভাব দেখিয়েছে সরকার। মূলত জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প হিসেবে একটি দলকে মাঠে নামানোর যে প্রয়াস সরকারি দলের, তার ভিত্তিতেই চরমোনাই পীরের দলকে সামনে আনা হচ্ছে। 

ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সরকারের নমনীয়তার দৃষ্টান্তও দেখা গেছে বিভিন্ন সময়। গত জানুয়ারিতে ইসলামী আন্দোলনের জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। এ ছাড়া মাঠের কর্মসূচিতেও কখনও খুব একটা বাধার মুখে পড়তে হয়নি ইসলামী আন্দোলনকে। মোটামুটি নির্বিঘ্নেই নিজেদের রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাচ্ছে তারা। দলটির প্রতি সরকারের এই কৌশলগত অবস্থানের কারণে হাতপাখার সাংগঠনিক শক্তি ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে বলেও মনে করেন অনেকে। 

এ ছাড়া সরকারি দলের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের হৃদ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট হয় আরও নানাভাবে। যেমন রাজপথের কর্মসূচিতে সরকারের কট্টর সমালোচকের ভূমিকায় দেখা যায় ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের। কিন্তু বর্তমান সরকারের অধীনে বিএনপিসহ বেশিরভাগ দল অংশ না নিলেও প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে চরমোনাই পীরের দল। 

এ ব্যাপারে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নীতি-আদর্শের চেয়ে ভোটের রাজনীতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভোটে জেতার জন্য তারা শত্রুর সঙ্গেও হাত মেলাতেও কার্পণ্য করবে না। ইসলামী আন্দোলনের প্রতি সরকার নমনীয়- এমনটা অনেকেই ধারণা করেন। 

অধ্যাপক হারুন অর রশীদের অবশ্য এ বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলে বরিশাল ও খুলনার ফল প্রত্যাখ্যান করে ইসলামী আন্দোলন রাজশাহী ও সিলেটের ভোট বর্জনের ঘোষণা কেন দিয়েছে? সরকারের পদত্যাগের দাবিইবা তুলেছে কেন? সরকারের সঙ্গে হাতপাখার বোঝাপড়া রয়েছে বলে মনে করেন না অধ্যাপক হারুন। তিনি বলেন, এগুলো সরকারবিরোধীদের সস্তা অভিযোগ। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। এর একটি অংশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের এবং অন্যটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। 

তবে সরকারি দলের প্রশ্রয়ে এগোচ্ছে ইসলামী আন্দোলন- এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত না হলেও জোরালোভাবে দ্বিমত জানাননি দলটির মুখপাত্র আতাউর রহমান। তিনি বলেন, দেশের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের বৈরী সম্পর্ক নেই। আমরা কাউকে শত্রু মনে করি না। সকলের কল্যাণ চাই। আমাদের রাজনৈতিক দর্শন অনুযায়ী শুধু সরকারি দল নয়, বিরোধী দলের সঙ্গেও আমার সম্পর্ক বৈরিতাপূর্ণ নয়। আমরা চাই প্রতিহিংসার রাজনীতি শেষ হয়ে যাক। সবাই মিলে দেশটাকে এগিয়ে নিতে চাই। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা