প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৩ ১২:১০ পিএম
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে একাত্তরে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণার একমাত্র বৈধ অধিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরই ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা শেষে মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসের বাঁক পরিবর্তনের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ স্বাধীনতার ডাক।’
কাদের বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণার এক মাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধুর। কারণ, তিনি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। তৎকালীন পূর্ববাংলায় ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ পেয়েছিল। কাজে, স্বাধীনতা ঘোষণার বৈধ অধিকার ছিল একমাত্র বঙ্গবন্ধুর। অন্য কারও স্বাধীনতার ঘোষণার বৈধ অধিকার ছিল না। ঘোষক বলে যারা স্বঘোষিত ঘোষক, অনেকেই ছিলে ঘোষণার পাঠক। পাঠক আর ঘোষক এক কথা না।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ন্যূনতম চেতনা নেই। বিএনপি ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিল। যে ভাষণ ইউনেস্কো পৃথিবীর অন্যতম সেরা ভাষণের স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেই ভাষণ তারা এই বাংলাদেশে ক্ষমতা থাকাকালে নিষিদ্ধ করেছিল। কাজেই এই দিবসের প্রতি, তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তাদের নূন্যতম বিশ্বাস আছে, চেতনা ধারণ করে সেটা আমরা বিশ্বাস করি না।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে বিএনপি। গণতন্ত্র একটা দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়া। রাতারাতি গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে না। আমাদের চেষ্টা আছে। গণতন্ত্র ক্রমে ক্রমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাচ্ছে। যেটুকুই আছে সেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। তারা গণতন্ত্রকে একটা চোখা শব্দ বলতে হবে, এই জন্য বলে। তাদের ক্ষমতার আমলটা তারা কীভাবে চর্চা করেছে সেটা দেখতে হবে। এটা এমন একটা দল, তাদের নিজেদের ঘরেই গণতন্ত্র নাই। তারা দেশে গণতন্ত্র কীভাবে প্রতিষ্ঠিত করবে?’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেছিলেন- এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। সেদিনেই ছিল আসলে স্বাধীনতার মূল ঘোষণা। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তারের পর রাত সাড়ে ১২টা যে আনুষ্ঠানিকতা স্বাধীনতার ঘোষণা সেটা আনুষ্ঠানিকতা। কিন্তু স্বাধীনতা মূল ঘোষণা সেটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে। এই ভাষণের মধ্যদিয়ে আমাদের ২৩ বছরে স্বাধিকার সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামে পরিণত হয়। স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা এটা হলো পরিবর্তন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণার এক মাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধুর। কারণ, তিনি জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। তৎকালীন পূর্ববাংলায় ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭ আসন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ পেয়েছিল। কাজে, স্বাধীনতা ঘোষণার বৈধ অধিকার ছিল একমাত্র বঙ্গবন্ধুর। অন্য কারও স্বাধীনতার ঘোষণার বৈধ অধিকার ছিল না। ঘোষক বলে যারা স্বঘোষিত ঘোষক, অনেকেই ছিলে ঘোষণার পাঠক। পাঠক আর ঘোষক এক কথা না।’