বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬ ১৩:০৯ পিএম
আপডেট : ২২ মে ২০২৬ ১৫:৪৬ পিএম
বগুড়া পুলিশ লাইন্সের একটি কক্ষ থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতীকী ছবি
বগুড়া পুলিশ লাইন্সের একটি কক্ষ থেকে আরিফুল ইসলাম (৪০) নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতের মরদেহ শুক্রবার সকালে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তিনি বেতার শাখায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশের ধারণা তিনি বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে থাকতে পারেন।
নিহত আরিফুল ইসলাম নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে।
এ সব বিষয় নিশ্চিত করেন বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেতার শাখার দোতলার একটি কক্ষে সহকর্মীদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল ইসলাম।ওই কক্ষে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকেও তাকে দেখা যায়। এরপর শুক্রবার সকালে তাকে কক্ষে না পেয়ে সহকর্মীরা প্রথমে ধারণা করেন তিনি নিচতলায় দায়িত্বে আছেন।
পুলিশ জানায়, পরে সকাল ১০টার পরও তার খোঁজ না মেলায় পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান সহকর্মীরা। সন্দেহ হলে জানালা দিয়ে উঁকি দিলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয় এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ জানান, নিহতের স্ত্রী ও সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঋণসংক্রান্ত চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।