বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২৯ পিএম
ফাইল ফটো
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
উপঝেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজার এলাকায় রবিবার দুপুর ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছেন বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজীসহ (৫৮) অন্তত ৩০ জন।
গুরুতর আহত জামাল মৃধাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ঘটনাস্থলে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা ভোটারদের টাকা দিচ্ছেন—এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপিকর্মী-সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে জামায়াতকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতান্ডা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ খবরে উপজেলা শহরে পৌঁছানোর পর দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সকালে নারী কর্মীদের প্রচারণায় বাধা ও হেনস্তার ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে মিছিল বের করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।
সংঘর্ষের পর বিকেলে পৌর সদরে জামায়াতের একটি প্রতিবাদ মিছিল থেকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল আলমের গাড়ি থানার সামনে অবরুদ্ধ করা হয়।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।