তানভীর হাসান ও নূর মোহাম্মদ মিঠু
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৩ এএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৪২ এএম
তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান। কোলাজ, প্রতিদিনের বাংলাদেশ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে প্রধান দলগুলোর মধ্যে জমে উঠেছে মাঠের লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে ৩০০ আসনের (স্থগিত একটি) এই লড়াইয়ে কোন দল কত আসন পেতে পারে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। দলগুলোর পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সার্ভেতেও (জরিপ) উঠে আসছে নানা তথ্য। উঠে আসছেÑ কোন আসনে কারা এগিয়ে, কোন আসনে লড়াই চরমে। শুধু দলীয় প্রার্থীই নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীও যে এবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবে সেটাও ধারণা করা হচ্ছে। ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা একটি গোয়েন্দা সংস্থার অভ্যন্তরীণ সার্ভে অনুযায়ী, ১০১টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব আসনই শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনে সহায়ক হয়ে উঠবে।
সংস্থাটির জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি ১৩৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে, যা মোট আসনের প্রায় ৪৫ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামী প্রভাব ধরে রেখেছে ৩৬টি আসনে, অর্থাৎ প্রায় ১২ শতাংশ। ২০টি আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, যা মোট আসনের ৬.৭ শতাংশ। এনসিপি, খেলাফত মজলিস, জাতীয় পার্টি, বিজেপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মিলিয়ে অন্যান্য দল রয়েছে ৮টি আসনে, অর্থাৎ ২.৬ শতাংশ। কিন্তু পুরো নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ১০১টি আসন, যা মোট আসনের ৩৩.৭ শতাংশ। এই ১০১টি আসনের ফলাফল যেদিকে গড়াবে, জয়ের পাল্লা সেদিকেই ভারী হবে।
সার্ভের তথ্যানুযায়ীÑ এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও স্বতন্ত্র আসনগুলোই এবারের নির্বাচনে সরাসরি ‘কিংমেকার’। ছোট দলগুলো জোট রাজনীতিতে এবার নির্ধারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও ক্লোজ ফাইট আসনের বড় অংশে বিএনপি সামান্য এগিয়ে, শেষ মুহূর্তের ভোট ট্রেন্ডে সব হিসাব উল্টে যাওয়ার ঝুঁকিও প্রবল। এই নির্বাচন শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে ভোটের শেষ কয়েক ঘণ্টার গতিপথের ওপর। দেশে মোট ভোটার ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ জন। এর মধ্যে পোস্টাল ভোটার ১৫,৩৩,৬৮২ জন। ভোটার উপস্থিতি হতে পারে ৮.২ কোটি থেকে ৮.৮ কোটি, যা শতাংশের হিসাবে ৬৪.২ থেকে ৬৮.৯; গড় উপস্থিতি ৬৬ থেকে ৬৭ শতাংশ, নির্বাচনী ইতিহাসে এটি হবে বড় ঘটনা। সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর ১৮-৩৫ বছরের তরুণ ভোটার। এই শ্রেণিতেই সবচেয়ে বড় ভোটব্যাংক, আবার সবচেয়ে কম দলীয় আনুগত্য। কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাই তাদের সিদ্ধান্তের চালিকাশক্তি। ভোট বণ্টনে বিএনপি পেতে পারে ৪ থেকে ৪.৮ কোটি ভোট (৪৫.৫-৫৮.৫ শতাংশ), গড়ে ৫০-৫৪ শতাংশ। ১১ দলীয় জোট পেতে পারে ২.৫ থেকে ৩ কোটি ভোট (২৮.৪-৩৬.৬ শতাংশ)। ছোট দল ও স্বতন্ত্রদের ভোট ১.২ থেকে ১.৮ কোটি, মোট ভোটের ১৪-২০ শতাংশ, যা হাড্ডাহাড্ডি আসনে ফল উল্টে দিতে পারে। বিএনপি যদি ৫০ শতাংশ ভোট ধরে রাখতে পারে, সরকার গঠনে তারা সুবিধায় থাকবে; না হলে ওই ১০১টি আসনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফয়সালা হবে। এ ছাড়া তরুণরা যদি পরিবর্তনের পক্ষে একত্র হয়, সে ক্ষেত্রে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনৈতিক চিত্র।
গোয়েন্দা সংস্থাটির বিভাগভিত্তিক সার্ভেতে উঠে এসেছে কোন আসন থেকে কে নির্বাচিত হতে পারেন, আর কোন কোন আসনে হতে যাচ্ছে হাড্ডাড্ডি লড়াই।
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা বিভাগে সংসদীয় আসন ৭০টি। এর মধ্যে ৩৬টি আসনেই শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিএনপি, ৭টিতে জামায়াতে ইসলামী, ৬টিতে স্বতন্ত্র ও বাকি ২১টি আসনে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল জেলার সংসদীয় আসন ৮টি। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বিএনপি প্রার্থী মাহবুব আনাম স্বপন এগিয়ে, টাঙ্গাইল-২ বিএনপির আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৩ বিএনপির এস এম ওবায়দুল হক, টাঙ্গাইল-৪ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে, টাঙ্গাইল-৫ বিএনপির সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপি এগিয়ে, টাঙ্গাইল-৭ সমান সমান ও টাঙ্গাইল-৮ বিএনপি বনাম স্বতন্ত্রের মধ্যে হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জ জেলার আসন ৬টি। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ-১ বিএনপির মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ জামায়াতের শফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৩ বিএনপির মুহাম্মদ ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ বিএনপির ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ স্বতন্ত্র শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ও কিশোরগঞ্জ-৬ বিএনপির শরীফুল আলম।
মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জ-১ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপি এগিয়ে, মানিকগঞ্জ-২ বিএনপির মইনুল ইসলাম খান ও মানিকগঞ্জ-৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও জামায়াত জোট এগিয়ে।
মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মুন্সীগঞ্জ-২ বিএনপির আব্দুস সালাম আজাদ ও মুন্সীগঞ্জ-৩ স্বতন্ত্র মহিউদ্দিন এগিয়ে রয়েছেন।
গাজীপুর : গাজীপুর-১ মজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বিএনপি প্রার্থী এগিয়ে, গাজীপুর-৪ বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান ও গাজীপুর-৫ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
নরসিংদী : নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ মঈন খান, নরসিংদী-৩ বিএনপির মঞ্জুর এলাহি; নরসিংদী-৪ ও ৫ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ-১ মোস্তাফিজুর রহমান দীপু, নারায়ণগঞ্জ-২, ৩ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও নারায়ণগঞ্জ-৫ বিএনপির আবুল কালাম।
রাজবাড়ী : রাজবাড়ী-১ বিএনপির আবু নেওয়াজ মাহমুদ ও রাজবাড়ী-২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। ফরিদপুর : ফরিদপুর-১ জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুর-২ বিএনপির শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ বিএনপির নায়াব ইউসুফ ও ফরিদপুর-৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ-১ বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্লা, গোপালগঞ্জ-২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও গোপালগঞ্জ-৩ বিএনপির এস এম জিলানী।
মাদারীপুর : মাদারীপুরে তিনটি আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে ২ ও ৩ আসনে বিএনপি এগিয়ে। শরীয়তপুর : শরীয়তপুর-১ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শরীয়তপুর-২ বিএনপির শফিকুর রহমান ও শরীয়তপুর-৩ বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন অপু।
ঢাকা মহানগর : ঢাকা মহানগরে আসন ২০টি। এর মধ্যে ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ তানভীর আহমেদ, ঢাকা-৫ হাড্ডাহাড্ডি হলেও নবীউল্লাহ নবী এগিয়ে, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ স্বতন্ত্র ইসহাক সরকার, ঢাকা-৮ মীর্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ঢাকা-১০ সমান সমান, ঢাকা-১১ এনসিপির নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১২ স্বতন্ত্র সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা-১৩ খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক, ঢাকা-১৪ হাড্ডাহাড্ডি হলেও স্বতন্ত্র এস এম সাজু এগিয়ে, ঢাকা-১৫ জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, ঢাকা-১৬ আমিনুল হক, ঢাকা-১৭ তারেক রহমান, ঢাকা-১৮ এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা-১৯ বিএনপির সালাহউদ্দিন ও ঢাকা-২০-এর ফল অনিশ্চিত।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল বিভাগে সংসদীয় আসন ২১টি। এর মধ্যে বিএনপি ৮টি, হাড্ডাহাড্ডি ৮টি, বিজেপি ১টি, জামায়াত ৩টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি আসনে প্রভাব বিস্তার করেছে।
বরগুনা : বরগুনা-১ নজরুল ইসলাম মোল্লা ও বরগুনা-২ বিএনপির নুরুল ইসলাম মনি।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালী-১ বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ জামায়াতের শফিকুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৩ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
ভোলা : ভোলা-১ বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, ভোলা-২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ভোলা-৩ হাফিজ উদ্দিন ও ভোলা-৪ বিএনপির নুরুল ইসলাম।
বরিশাল : বরিশাল-১ জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-৪ বিএনপির রাজীব আহসান ও বরিশাল-৩, ৫ ও ৬ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
ঝালকাঠি : ঝালকাঠি-১ ও ২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
পিরোজপুর : পিরোজপুর-১ মাসুদ সাঈদ ও পিরোজপুর-২ জামায়াতের শামীম সাঈদ ও পিরোজপুর-৩ ইসলামী আন্দোলনের রুস্তম আলী ফরাজী।
ময়মনসিংহ বিভাগ
ময়মনসিংহ বিভাগের আসন ২৪টি। এর মধ্যে বিএনপি ৯টি, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১১টি, স্বতন্ত্র ৩টি ও ১টি আসন স্থগিত।
জামালপুর : জামালপুর-১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু ও জামালপুর-৪ বিএনপির ফরিদুল কবীর তালুকদার; জামালপুর-৩ ও ৫ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
শেরপুর : শেরপুর-১ ও ২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও শেরপুর-৩ স্থগিত।
ময়মনসিংহ : ময়মনসিংহ-১ এমরান সালেহ, ময়মনসিংহ-২ স্বতন্ত্র শাহ শহীদ সরওয়ার, ময়মনসিংহ-৪ ওয়াহব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৬ আখতারুল আলম ও ময়মনসিংহ-৯ বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী; ময়মনসিংহ-৭ স্বতন্ত্র জয়নাল আবেদিন। এ ছাড়া ৩, ৫, ৮, ১০ ও ১১ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নেত্রকোনা : নেত্রকোনা-১ কায়সার কামাল ও নেত্রকোনা-৩ স্বতন্ত্র দেলোয়ার হোসেন, নেত্রকোনা-৪ বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর ও নেত্রকোনা-২ ও ৫ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
সিলেট বিভাগ
সিলেট বিভাগের আসন ১৯টি। এর মধ্যে বিএনপি ৮টি, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ৮টি, স্বতন্ত্র ২টি ও জামায়াত ১টি আসনে প্রভাবশালী।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল ও সুনামগঞ্জ-৫ বিএনপির কলিমউদ্দিন আহমেদ; সুনামগঞ্জ-২ ও ৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও সুনামগঞ্জ-৪ স্বতন্ত্র দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন।
সিলেট : সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও সিলেট-২ বিএনপির তাহসিনা রুশদির; সিলেট-৩ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সিলেট-৫ স্বতন্ত্র মামুনুর রশিদ ও সিলেট-৬ জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার-১ নাসিরউদ্দিন আহমেদ ও মৌলভীবাজার-৩ বিএনপির এম সাইফুর রহমান; মৌলভীবাজার-২ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জ-১ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, হবিগঞ্জ-২ আবু নাসের ও হবিগঞ্জ-৩ বিএনপির জি কে গাউস।
চট্টগ্রাম বিভাগ
চট্টগ্রাম বিভাগের আসন ৫৮টি। এর মধ্যে বিএনপি ৩০টি, স্বতন্ত্র ৪টি, এনসিপি ২টি, জামায়াত ৪টি ও ১৮টিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ মাহবুব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ বিএনপির মুসফিকুর রহমান; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ স্বতন্ত্র রুমিন ফারহানা এবং ৫ ও ৬ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। কুমিল্লা : কুমিল্লা-১ খন্দকার মোশারফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জল কাইকোবাদ, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন ও কুমিল্লা-৯ বিএনপির আবুল কালাম; কুমিল্লা-২ ও ৭ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও এগিয়ে স্বতন্ত্র, কুমিল্লা-৪ এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৫ ও ১০ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কুমিল্লা-৬ হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপি এগিয়ে ও কুমিল্লা-১১ জামায়াতের আবু তাহের। চাঁদপুর : চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর-৪ হারুনুর রশিদ ও চাঁদপুর-৫ বিএনপির মমিনুল হক; চাঁদপুর-২ ও ৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
ফেনী : ফেনী-১ মুন্সি রফিকুল আলম, ফেনী-২ জয়নাল আবেদীন ও ফেনী-৩ বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
নোয়াখালী : নোয়াখালী-১ মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকতুল্লাহ বুলু ও নোয়াখালী-৪ বিএনপির শাহজাহান; নোয়াখালী-৫ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও নোয়াখালী-৬ এনসিপির হান্নান মাসুদ।
লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুর-১ ও ২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এবং লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও লক্ষ্মীপুর-৪ বিএনপির এ বি এম আশরাফ উদ্দিন।
চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম-১, ৩, ৮, ৯, ১২ ও ১৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই; চট্টগ্রাম-২ সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৩ বিএনপির সরোয়ার আলম নিজাম; চট্টগ্রাম-১৫ শাহজাহান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-১৬ জামায়াতের জহিরুল ইসলাম।
কক্সবাজার : কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ ও কক্সবাজার-৪ বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী; কক্সবাজার-২ জামায়াতের হামিদুর রহমান আজাদ ও কক্সবাজার-৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, রাঙামাটি স্বতন্ত্র পহেল চাকমা ও বান্দরবান বিএনপির সাচিং প্রু।
খুলনা বিভাগ
খুলনা বিভাগের আসন ৩৬টি। এর মধ্যে বিএনপি ১৫টি, জামায়াত ৭টি, স্বতন্ত্র ১টি ও ১৩টি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
মেহেরপুর : মেহেরপুর-১ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বিএনপি এগিয়ে ও মেহেরপুর-২ বিএনপির আমজাদ হোসেন।
কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া-১ হাড্ডাহাড্ডি হলেও স্বতন্ত্র এগিয়ে, কুষ্টিয়া-২ বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী, কুষ্টিয়া-৩ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে ও কুষ্টিয়া-৪ জামায়াতের আফজাল হোসেন। চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গা-১ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বিএনপি এগিয়ে ও চুয়াডাঙ্গা-২ বিএনপির মাহমুদ হাসান খান।
ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহ-১ বিএনপির আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ-২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ঝিনাইদহ-৩ জামায়াতের মাতিয়ার রহমান ও ঝিনাইদহ-৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও বিএনপি এগিয়ে।
যশোর : যশোর-১ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও জামায়াত এগিয়ে, যশোর-২ জামায়াতের মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও যশোর-৪ বিএনপির মতিয়ার রহমান, যশোর-৫ জামায়াতের গাজী এনামুল হক ও যশোর-৬ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপি এগিয়ে।
মাগুরা : মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন ও মাগুরা-২ বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী।
নড়াইল : নড়াইল-১ বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও নড়াইল-২ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে। বাগেরহাট-১ স্বতন্ত্র এম এ সেলিম, বাগেরহাট-২ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে ও বাগেরহাট-৩ বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম।
খুলনা : খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম ও খুলনা-৪ বিএনপির আজিজুল হেলাল; খুলনা-৫ মিয়া গোলাম পরওয়ার ও খুলনা-৬ জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ।
সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা-১ বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ জামায়াতের আব্দুল খালেক এবং সাতক্ষীরা-৩ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি।
রাজশাহী বিভাগ
রাজশাহী বিভাগের আসন ৩৯টি। এর মধ্যে বিএনপি ১৬টি, জামায়াত ৬টি, স্বতন্ত্র ৩টি, খেলাফত মজলিস ১টি ও ১৩টি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
জয়পুরহাট : জয়পুরহাট-১ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান এগিয়ে ও জয়পুরহাট-২ বিএনপির আব্দুল বারি।
বগুড়া: বগুড়া-১ বিএনপির কাজী রফিকুল, বগুড়া-২ বিএনপির মীর শাহে আলম, বগুড়া-৫ বিএনপির মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ তারেক রহমান ও বগুড়া-৭ বিএনপির মোরশেদ মিল্টন; বগুড়া-৩ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপি এগিয়ে ও বগুড়া-৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ও ৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ বিএনপির আমিনুল ইসলাম।
নওগাঁ : নওগাঁ-১ স্বতন্ত্র ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-২ বিএনপির সামসুজোহা খান, নওগাঁ-৩ জামায়াতের মো হাবিবুর রহমান, নওগাঁ-৫ জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম ও নওগাঁ-৬ জামায়াতের খবিরুল ইসলাম ও নওগাঁ-৪ বিএনপির ইকরামুল বারি টিপু এগিয়ে রয়েছেন।
রাজশাহী : রাজশাহী-১ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপির শরিফউদ্দিন এগিয়ে, রাজশাহী-২ বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে, রাজশাহী-৫ স্বতন্ত্র ইসফা খায়রুল হক ও রাজশাহী-৬ বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ।
নাটোর : নাটোর-১ ও ২ জামায়াতের, নাটোর-৩ হাড্ডাহাড্ডি এবং নাটোর-৪ বিএনপির আব্দুল আজিজ।
সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ-১ বিএনপির সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-২ জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ও সিরাজগঞ্জ-৪ জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৩ খেলাফত মজলিসের আব্দুর রউফ, সিরাজগঞ্জ-৫ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও জামায়াত এগিয়ে ও সিরাজগঞ্জ-৬ বিএনপির এম এ মুহিত।
পাবনা : পাবনা-১ ও ৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, পাবনা-২ বিএনপির সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ স্বতন্ত্র কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ও পাবনা-৫ বিএনপির শিমুল বিশ্বাস।
রংপুর : রংপুর বিভাগের আসন ৩৩টি। এর মধ্যে বিএনপি ১৩টি, জামায়াত ৮টি, হাড্ডাহাড্ডি ৯টি, জাতীয় পার্টি ১টি, এনসিপি ১টি ও স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয় পেতে পারে।
পঞ্চগড় : পঞ্চগড়-১ বিএনপির নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ এগিয়ে।
ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ঠাকুরগাঁও-২ বিএনপির আব্দুস সালাম ও ঠাকুরগাঁও-৩ হাড্ডাহাড্ডি।
দিনাজপুর : দিনাজপুর-১ ও ৩ হাড্ডাহাড্ডি, দিনাজপুর-২ জামায়াতের এ কে এম আফজালুল আনাম ও দিনাজপুর-৪ জামায়াতের আফতাব উদ্দিন, দিনাজপুর-৫ স্বতন্ত্র এ জেড এম রেজাওয়ানুল হক ও দিনাজপুর-৬ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জামায়াত এগিয়ে।
নীলফামারী : নীলফামারী-১ জামায়াতের আব্দুস সাত্তার ও নীলফামারী-৩ জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ সালাফী, নীলফামারী-২ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপির শাহরিন ইসলাম তুহিন এগিয়ে ও নীলফামারী-৪ জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুল আলম।
লালমনিরহাট : লালমনিরহাট-১ হাড্ডাহাড্ডি হলেও বিএনপির রাজীব প্রধান এগিয়ে, লালমনিরহাট-২ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও লালমনিরহাট-৩ বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু।
রংপুর : রংপুর-১ বিএনপির মোকারম হোসেন সুজন ও রংপুর-৬ বিএনপির সাইফুল ইসলাম, রংপুর-২ জামায়াতের এটিএম আজহারুল ও রংপুর-৫ জামায়াতের গোলাম রাব্বানী; রংপুর-৩ হাড্ডাহাড্ডি হলেও জাতীয় পার্টির জিএম কাদের এগিয়ে ও রংপুর-৪ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম-১ বিএনপির সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-৩ বিএনপির তাসভিরুল ইসলাম ও কুড়িগ্রাম-৪ বিএনপির আজিজুর রহমান; কুড়িগ্রাম-২ হাড্ডাহাড্ডি হলেও এনসিপির আতীকুর রহমান মোজাহিদ এগিয়ে।
গাইবান্ধা : গাইবান্ধা-১ জামায়াতের মাজেদুর রহমান ও গাইবান্ধা-৪ জামায়াতের আব্দুর রহিম সরকার, গাইবান্ধা- বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু, গাইবান্ধা-৩ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও গাইবান্ধা-৫ বিএনপির ফারুক আলম সরকার এগিয়ে রয়েছেন।