প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৬ পিএম
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৮ পিএম
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। ছবি: বিএনপির মিডিয়া সেল
জামায়াত আমিরের এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে নারীবিদ্বেষী পোস্টের প্রায় ৯ ঘণ্টা পর আইডি হ্যাকের দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
ঢাকার গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রবিবার দুপুরে মাহদী আমিন এ প্রশ্ন তোলেন।
তিনি বলেন, “ নারী বিদ্বেষী একটি পোস্টের প্রায় ৯ ঘন্টা পর দেশব্যাপী তুমূল সমালোচনার মুখে রাত একটার দিকে আইডি হ্যাকের দাবি কতটা যৌক্তিক”।
জিডি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে কেন জিডি করতে হলো যখন সারাদেশে মানুষ সংক্ষুব্ধ হয়েছে। সেখানে (জিডি) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারা বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছেন। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে প্রায় ১২ ঘণ্টা পরে কেন জিডি করা হলো? এই বিলম্বের আদৌ কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে কী? তাছাড়া হ্যাক হওয়া ঘোষণা দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার দাবিটিই বা কতটা বিশ্বাসযোগ্য “।
তিনি আরও বলেন, “এমনকি উক্ত সময়ের মধ্যে জামায়াত আমিরের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অনেক পোস্ট হয়েছে, যার মধ্যে আমরা তার এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার কোনো পোস্ট দেখতে পাইনি। পরে তারা রাত ৩টা ৩০ মিনিটে হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়েছেন”।
মাহদী আমিন মন্তব্য করেন, “দলটি মুখে মুখে ইনসাফ কায়েমের কথা বলে বেড়ায় কিন্তু একটি আসনেও তারা সংসদ সদস্য হিসেবে কোন নারী প্রার্থীকে মনোয়ন দেয়নি। এক্স হ্যান্ডেল থেকে নারীদের উদ্দেশ্যে যে নোংরা জঘন্য ও অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছেন বলে দেশব্যাপী আলোচনা চলছে সেটি সঠিক হলে এর মাধ্যমে পুরো সমাজব্যবস্থাকে মধ্যযুগীয় অন্ধকারে ঠেলে দেয়ার প্রচেষ্টা বলে প্রতিয়মান”।
নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।