× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

কিশোরগঞ্জ-২

বিএনপির বিতর্কিত নেতাকে মনোনয়ন, তৃণমূলে হতাশা আর ক্ষোভ

মোহাম্মদ আলম, ঢাকা ও সাইফুল হক মোল্লা দুলু, মধ্যাঞ্চল

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:২৩ পিএম

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:২৫ পিএম

বিএনপির বিতর্কিত নেতাকে মনোনয়ন, তৃণমূলে হতাশা আর ক্ষোভ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের ঝড়। দল থেকে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনকে প্রাথমিক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর পর থেকে বিএনপির নেতা কর্মীসহ  তৃণমূল পর্যায়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। দিনদিন এই ক্ষোভ-দুঃখ ফুঁসে উঠছে। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ আসনে বিএনপির অন্তত নয়জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে সক্রিয়। আসনটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীও। তবে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে নয়, ত্যাগী ও দুর্দিনে পাশে থাকা নেতাকে প্রার্থী হিসাবে দেখতে চান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। 

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৮০৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৪, নারী ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৫ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫ জন। পাকুন্দিয়ার তুলনায় কটিয়াদী উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ভোটার বেশি। এ আসনে বিএনপির অন্তত নয়জন মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে সক্রিয়। তাদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন প্রাথমিকভাবে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। এছাড়া জেলা সহ-সভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, সহ-সভাপতি রুহুল আমিন আখিল, সুইডেন প্রবাসী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহীদুজ্জামান কাকন, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি কামাল উদ্দিন, সাবেক উপজেলা যুবদল সভাপতি আহমদ ফারুক খোকন, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার আল আশরাফ মামুন, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ এবং বিএনপি নেতা রেজাউল করিম। 

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকের মতে, এ অবস্থা বিরাজমান থাকলে বিএনপি নিশ্চিত আসনটি হারাবে। কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন আধিপত্য ধরে রাখতে গিয়ে বিএনপির যে বদনাম করেছেন, তাতে সাধারণ ভোটারদের আস্থা ফেরানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই শিগগিরই আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। এই ঘরোয়া দ্বন্দ্বের রাশ টানতে না পারলে অনেক আসন হাতছাড়া হতে পারে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী- পাকুন্দিয়া) আসনটি, এমনটিই বলছেন  বিএনপির নেতাকর্মীরা। 

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে গত ১১ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সরেজমিন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ক্ষোভের বিষয়টি। 

কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মনোনয়ন প্রত্যাশী তোফাজ্জল হোসেন খাঁন দিলিপ জানান, ‘কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া বরাবরই বিএনপির ঘাঁটি। এর মধ্যে কটিয়াদিতে পাকুন্দিয়ার তুলনায় ভোটার সংখ্যা অনেক বেশি। নেতাকর্মীদের মধ্যে সবারই প্রত্যাশা ছিলো কটিয়াদী থেকেই একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশিত মনোনয়ন না আসার প্রতিফলন মাঠে দেখা যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির  প্রার্থী মনোনয়ন চুড়ান্ত করার ক্ষেত্রে আগে যেমন মাঠ পর্যায়ে যাচাই বাছাই করেছে, এখনো সকল প্রার্থীর সার্বিক বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে দলের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। তার ভাষ্য, প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কথা বলে যেসব প্রার্থী রয়েছে সকলের মতামত ও জনগণের চাওয়া পাওয়ার বিষয়টি সুবিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে তা দলের জন্য মঙ্গল হবে। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’ 

অপরদিকে মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টি স্বীকার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুস সাত্তার জানান, যোগ্য প্রার্থী হিসাবেই অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। এলাকার সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরাও আনন্দিত। তিনি দাবি করেন, দলের নেতাদের মধ্যে বিভেদ ছিলো, তা এখন নিরসন হয়ে গেছে। পাকুন্দিয়া বিএনপির সব নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছে। একই কথা বলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জল ও  পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। 

বিএনপির প্রার্থী নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুর কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের ভাষ্যে। ‘কটিয়াদীর সাধারণ মানুষের কাছে জালাল উদ্দিন অপরিচিত একটা মুখ। নেতাকর্মীদের সাথেও তার কোন যোগাযোগ নাই। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনের মত প্রার্থী হয়নি। যদি প্রার্থী পরিবর্তন না করা হয় তাহলে কটিয়াদি উপজেলায় আঞ্চলিকতার টানে জামায়াত প্রার্থী পাশ করার সম্ভাবনা আছে। এভাবেই নিজের মতামত ব্যক্ত করেন চান্দপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন। সরেজমিনে কটিয়াদী অঞ্চলে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে একজন বিএনপি নেতার নাম বার বার উচ্চারিত হয়েছে। তাদের দাবি বিএনপি নেতাদের মধ্যে শহিদুজ্জামান কাকন তাদের বিপদে আপদে পাশে ছিলো।  কটিয়াদী বাজার বণিক সমিতির নির্বাচিত সহ-সাধারণ সম্পাদক ও জালালপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম জনি জানান, এতদিন ধরে রাজনীতি করি তাকে(জালাল উদ্দিন) কোনদিন পাইনি। কটিয়াদী এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তার কোন  সর্ম্পক নাই বলে তিনি দাবি করেন। 

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সৃষ্টি হওয়া এই বিতর্ক এখন শুধু রাজনীতির নয়, জনগণের আবেগের বিষয়ও হয়ে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের হৃদয়ের আওয়াজ যদি কেন্দ্রীয় নেতাদের কানে পৌঁছে যায়, তবে হয়তো এই আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে এমনটাই বলছেন মানুষ। সাধারণ জনগণ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটাই দাবি, কেন্দ্রীয় বিএনপি যেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে জনগণের পছন্দের নেতাকে প্রার্থী ঘোষণা করে। তাদের ভাষায় এই আসনে বিএনপি’র জয় চাইলে মাঠের জনপ্রিয় নেতার হাতেই ধানের শীষ তুলে দিতে হবে।

সম্প্রতি গত সোমবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দিনকে ‘ফ্যাসিস্টের পদলেহনকারী’ উল্লেখ করে তার দলীয় মনোনয়ন বাতিল এবং দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আহসান হাবিব বরুন। 

এর আগে পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি কামাল উদ্দিন টাকার বিনিময়ে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিন করানোর অভিযোগ তুলেন জালাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। ভিপি কামাল উদ্দিন প্রকাশ্য সভায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মকবুল হোসেনকে জামিন করাতে ১০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। অথচ এসবের জবাব জালাল উদ্দিন দিচ্ছেন না। 

সুইডেন প্রবাসী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শহীদুজ্জামান কাকন বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলের পক্ষে তারা কাজ করছেন। প্রাথমিকভাবে যার নাম ঘোষণা করা হয়েছে তিনি একজন বির্তকিত ব্যক্তি। তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না। যদি কিশোরগঞ্জ-২ এ বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন না করা হয় তাহলে নির্বাচনের ফলাফলে এর প্রভাব পরবে।  

আপনার মনোনয়ন নিয়ে কটিয়াদি উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে,  যেহেতু ওই উপজেলায় ভোটার বেশি, তারা ওই উপজেলার প্রার্থি চায়, শেষ পর্যন্ত অসন্তোষের  বিষয়টি কিভাবে সমাধান হবে প্রশ্নের জবাবে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, "আমি তো চেষ্টা করতেছি ভাই। এরকম কোনো কিছু আমার বিরুদ্ধে নাই। সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং কি বলবো, প্রতিহিংসাপরায়ণ এইগুলি বলতেছে। অভিযোগ সব মিথ্যা। যারা দল করে, প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, এক রাতের মধ্যে সবাইরে এক করছি, একদিনের মাথায় সবাইরে আমি এক মঞ্চে নিয়ে আসছি। আর এই লোকটা সংবাদসম্মেলনে যে অভিযোগ করছে, তাকে আমি চিনি না। সে দলের কোনো পর্যায়ের সদস্য না। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা কোনো সদস্য না। তিনি দাবি করেন, মনোনয়নপ্রত্যাসী সবাইকে এক মঞ্চ ঐক্যবদ্ধ করবেন। কাকন আর দিলীপকে এক সপ্তাহের মধ্যে তিনি এক মঞ্চে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমানকে মুক্তিযোদ্ধাদের চিঠি

কিশোরগঞ্জ-২ সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আবেদন করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা ও ১৩ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট। গত ১৪ নভেম্বর সকল ইউনিটের আহ্বায়কদের স্বাক্ষরিত এক আবেদনপত্র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরাবরে পাঠানো হয়। এর আগে গত ১১ নভেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট কার্যালয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডের যৌথ সভায় কিশোরগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, গত ৩ নভেম্বর ঘোষিত বিএনপির মনোনয়ন তালিকায় প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনকে। কিন্তু তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত। বিশেষ করে গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন মামলার বিতর্কিত তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহহার আকন্দের সঙ্গে তার সখ্য ও হৃদ্যতা সর্বজনস্বীকৃত। এ ছাড়া সভায় অ্যাডভোকেট জালালের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা আরও সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করেন। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে জালালউদ্দিনকে বাদ দিয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগঠক অ্যাডভোকেট মাহমুদুল ইসলাম জানুকে মনোনয়নের দাবি জানানো হয়।


শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা