চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ২০:৩১ পিএম
গভীর ষড়যন্ত্র চলছে আগামী নির্বাচন ও বাংলাদেশকে নিয়ে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, একটি দল সংস্কার চাচ্ছে না।
তারা পুরনো বস্তাপঁচা নিয়মে নির্বাচন করতে পাঁয়তারা করছে। অন্তর্বর্তী সরকার ওই দলের ফাঁদে পা দিয়েছে। যদি সংস্কার না হয়, শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা হবে। সেজন্য আমরা গণভোটের কথা বলেছি। সরকার গণভোট দেবে বলেছে, তবে প্যাঁচ লাগিয়ে দিয়েছে। সেটা হচ্ছে, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একসঙ্গে হবে। এ দুটো নির্বাচন এক জিনিস নয়। কিন্তু ওই দলটি আলাদা গণভোট চায় না। কারণ, ডাকসু, জাকসু, রাকসু ও চাকসু নির্বাচনের ফলাফল। জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি সংস্কার হয়, তাহলে শতকরা আশি ভাগ লোক আমাদের পক্ষে রায় দেবে। অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ফাঁদে পা দিয়েছে। সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং বিশ্বাসঘাতকতা করছে। সরকারের সিদ্ধান্তে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেনি।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) তিনি সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে চৌমুহনী বাজার মুজিবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেনÑ জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাও. আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, আমেরিকার নিউইয়র্কের মুনা কনভেনশন সেন্টারের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও বায়তুল মামুর মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন।
শ্রীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল হাকিমের সভাপতিত্বে এবং জামায়াত নেতা মনির হোসাইন ও রবিউল হোসেন মিলনের যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেনÑ জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্ম পরিষদের সদস্য ভিপি শাহাব উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, চৌদ্দগ্রাম পৌর আমির মাওলানা মু. ইব্রাহীম, শিবিরের কেন্দ্রীয় মাদ্রাসাবিষয়ক সম্পাদক আলাউদ্দিন, কুমিল্লা জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি খায়রুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি শাহ মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চৌদগ্রাম উপজেলা আমির মাও. আবদুল্লাহ আল নোমান, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের পরিচালক ডা. ফজলুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. এ কে এম শামসুদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. একরামুল হক, ছুফুয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. কাজী শহীদুল্লাহ, গুণবতী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আবদুল হাই, কালিকাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন, শ্রীপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, শ্রীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আবু তাহের প্রমুখ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা।