বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০:০২ পিএম
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০:২৯ পিএম
ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি জেনারেল এস এম ফরহাদ। ফাইল ফটো
একসময়
ছাত্রলীগের একটি কমিটিতে পদে থাকা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি জেনারেল এস এম ফরহাদ। আর এ-সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশের
পরই সামাজিকমাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনোভাবে
সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেছেন ফরহাদ।
সোমবার
বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ-বিষয়ক ব্যাখ্যা দেন তিনি।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েমের পরিচয় শনিবার সামনে আসে। তিনি নিজেই
তা প্রকাশ করেন। এরপর গত রবিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল
কাদেরের দেওয়া একটা পোস্টে সেক্রেটারি জেনারেল ফরহাদের পরিচয় উঠে আসে।
জানা
যায়, ফরহাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের ২০২২
সালের নভেম্বরে ঘোষিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন।
বিবৃতিতে
ফরহাদ বলেন, সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের কোনো কর্মসূচি ও কার্যক্রমের সঙ্গে আমার
(এস এম ফরহাদ) কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ছাত্রলীগের কোনো পদ-পদবির জন্য কোনো সিভি কখনও
কাউকে দিইনি।
তিনি
বলেন, ডিপার্টমেন্টের কমিটিতে কাকে রাখা হবে সেটি সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগের সিদ্ধান্ত।
সেখানে আমাকে কেন জড়ানো হচ্ছে। যেখানে আমি ডিপার্টমেন্ট ছাত্রলীগের সঙ্গে কোনোভাবেই
সম্পৃক্ত নই। বিষয়টিকে আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের স্পিরিট ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র
মনে করি।
ফরহাদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদ্দীন হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি এবং সমাজকল্যাণ ও
গবেষণা ইনস্টিটিউট ডিবেটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তার সঙ্গে ছাত্রলীগের
বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের ছবি
গত রবিবার রাতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাজনৈতিক
ব্যক্তিদের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া ছবি শুধুই ডিবেটিং ক্লাবের অনুষ্ঠানকেন্দ্রিক উল্লেখ করে
ফরহাদ বলেন, আমি হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ও ডিপার্টমেন্ট ডিবেটিং ক্লাবের সেক্রেটারি
হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় বিভিন্ন আয়োজনে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি সোশ্যাল
মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। যার সবগুলোই ছিল ডিবেট ক্লাব সংশ্লিষ্ট আয়োজন, কোনো রাজনৈতিক
আয়োজন নয়।
সাদিক
আরও বলেন, ২০১৮ সালে প্রথম বর্ষের ছাত্র থাকাবস্থায় ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায়
ফরহাদকে তারা হল থেকে বের করে দিয়েছিল।