প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৪ ১৭:০১ পিএম
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৪ ১৭:৫৭ পিএম
শনিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত বিএনপির সমাবেশে কথা বলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। প্রবা ফটো
অবিলম্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়র মুক্তি না হলে দেশের জনগণ আপনাকে ক্ষমা করবে না। গণতন্ত্রের সংগ্রাম চলছে চলবে।
শনিবার (২৯ জুন) বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত বিএনপির সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ্যানি বলেন, আমরা অনেক আন্দোলন করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারিনি। আজকে তিনি যদি মুক্ত থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে ভারতের রেল চলবে সেই দেশবিরোধী চুক্তি হতো না। দেশ থেকে টাকা পাচার ও দুর্নীতি হতো না।
এতে সভাপতিত্ব করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উপস্থিত আছেন। সমাবেশ সঞ্চালনা করছেন প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এরই মধ্যে বক্তব্য রেখেছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জয়নাল আবদিন ফারুক, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল করিব খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, শিরিন সুলতানা, আলহাজ সালাহউদ্দীন আহমদ,
রফিকুল আলম মজনু, আফরোজা আব্বাস, আমিনুল হক, সাদেক খান, শহীদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।
এর আগে সমাবেশে যোগ দিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজধানীর নয়াপল্টনে এসেছেন। এখনও নেতাকর্মীদের মিছিল আসছে।
দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি গত বুধবার তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। প্রথম দিন আজ শনিবার নয়াপল্টনে সমাবেশ হচ্ছে। প্রায় আট মাস পর দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি নতুন করে কর্মসূচি শুরু করল। এরপর আগামী ১ জুলাই ও ৩ জুলাই সারা দেশের সব মহানগর ও জেলা শহরে সমাবেশ হবে।
বিএনপির কার্যালয়কে পেছনে রেখে সমাবেশের মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। পুরানা পল্টন, বিজয় নগর, ফকিরাফুল ও আরামবাগ এলাকায় জনসমাগম ছড়িয়ে গেছে।