সৈয়দ আরিফ
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৩ ১২:৪৮ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৩ ১৬:১০ পিএম
নোয়াখালী জেলার শেষ প্রান্ত ‘নিঝুম দ্বীপের দেশ’ হিসেবে পরিচিত। জায়গাটি পড়েছে জেলার হাতিয়া উপজেলায়।

নোয়াখালী বললেই সাধারণত আমাদের দৃশ্যপটে যে চিত্র ভেসে ওঠে তা হলো, নোয়াখালীরই একটি অংশ হয়েও এ দ্বীপের চিত্র তার সম্পূর্ণ বিপরীত। নিঝুম দ্বীপে দাঁড়িয়ে মনে হবে এ দ্বীপ আসলেই নিঝুম, যেন বাংলাদেশ ছেড়ে, পৃথিবী ছেড়ে অন্য কোনো এক স্বপ্নভূমি অবলোকন করছি।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত এ দ্বীপ অবারিত সবুজ, বৈচিত্র্যময় অদ্ভুত প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর।
একদিকে ম্যানগ্রোভ বন, অন্যদিকে বিস্তীর্ণ বালুকারাশির এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা বৈচিত্র্যময়। একই সঙ্গে কষ্টেরও বটে। অন্যদিকে পর্যটনের জন্য বড় একটি সম্ভাবনাময় জায়গা এ দ্বীপ।

এ দ্বীপের সৃষ্টি মূলত বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা চরের সমন্বয়ে। সময়ের সঙ্গে বাড়তে বাড়তে আজ বিশাল এক ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে। ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা এসব চর বাংলাদেশের মানচিত্রে বেশ ভালো প্রভাব ফেলেছে।

সকালবেলা এখানকার দৃশ্য যে-কাউকে মুগ্ধ করবে। নামাবাজার থেকে চৌধুরী খাল দিয়ে ট্রলার বা নৌকাযোগে দ্বীপের চরগুলো ঘুরে দেখা যাবে।

খালের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে এক পাশে দেখা যাবে অন্যরকম সবুজ ম্যানগ্রোভ বন। দেখা মিলতে পারে শিয়াল ও বন্যকুকুরের।

এ দ্বীপের সূর্যাস্ত এতটাই মোহনীয় যে, কিছুক্ষণের জন্য মনে হবে আশপাশের জগৎ স্তব্ধ হয়ে গেছে। প্রকৃতির এমন সান্নিধ্যে খেই হারিয়ে ফেলাটাও একেবারে ভিন্ন রকমের অনুভূতি। নামাবাজার সৈকতও মুগ্ধ করবে যে-কাউকে।

শ্বাসমূলের বন, প্রমত্তা মেঘনার বুক চিরে যাত্রা, বনের ভেতর ভোরের মোহনীয় সৌন্দর্য, আচমকা ছুটে যাওয়া চিত্রাহরিণ, গহিন রাতের খোলা প্রান্তরে তারার হাতছানি, নিঝুম পরিবেশে অনন্য প্রকৃতি অবলোকন- এসব মিলেই নিঝুম দ্বীপ।

নিঝুম দ্বীপে একঝাঁক পাখি