প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ ০০:৪৬ এএম
আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ ১০:৫৪ এএম
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ২০২৪-২৫ সেশনের জন্য নতুন কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশগ্রহণ করে—মূলধারা প্যানেল ও মুক্তবুদ্ধি চর্চা প্যানেল। ১৭ পদের মধ্যে মূলধারা প্যানেল থেকে ১৩ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চা প্যানেল থেকে চার পদে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মূলধারা প্যানেল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে এ কমিটি ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শরিফ উল্লাহ ভূঁইয়া।
এ কাউন্সিলে সভাপতি পদে ৪৯০ ভোট পেয়ে ড. হারুন-অর-রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে ৫৮৯ ভোট পেয়ে ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য পদগুলোর মধ্যে সহসভাপতি পদে ড. হাফিজা খাতুন, ড. সাজাহান মিয়া, ড. ইয়ারুল কবীর, কোষাধ্যক্ষ পদে ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ ও সম্পাদক পদে ড. মো. আবদুর রহিম এবং সদস্য পদে ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, ড. মাহবুবা নাসরীন, অধ্যাপক লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, ড. আশা ইসলাম নাঈম, ড. আবদুল বাছির, ড. নাজমা খান মজলিস, ড. মো. আবদুল করিম, ড. শুচিতা শরমিন ও ড. সাব্বীর আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন।
এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘আমাকে নির্বাচিত করায় এশিয়াটিক সোসাইটির সব সদস্যকে ধন্যবাদ। গবেষণার গুণগত পরিবর্তন ও বৈচিত্র্য আনার দিকেই আমার মূল লক্ষ্য থাকবে। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) শিক্ষকদের গবেষণায় অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগ নেব। পাশাপাশি সুবক্তাদের এশিয়াটিক সোসাইটিতে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা থাকবে। সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধের চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি মৌলিক গবেষণার অগ্রণী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষের জীবন-কর্ম এবং প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণায় আত্মনিয়োগে গবেষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তান এশিয়াটিক সোসাইটি নামে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা করে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে পরের বছর প্রতিষ্ঠানটির নাম বদলে রাখা হয় বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।