প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৪ ১৫:৫২ পিএম
আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৪ ১৬:১১ পিএম
২০২৮ সালের মধ্যে দেশের ১০ হাজার শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করতে চায় নহর ইনিশিয়েটিভ। সে লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম-২০২৪’ চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যেখানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৮টি দেশের ২০০ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
এক বছর মেয়াদি এই ফেলোশিপ প্রোগ্রাম এবং চার মাসের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম-২০২৪ সেশনের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে শনিবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর বনানী ক্লাবে ফান্ড রাইজিং প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত জানান, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা ডিজিটাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধকতা কোন বাধা নয়, যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে আবদান রাখতে পারে। এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ভ্যালেরি অ্যান টেইলর ভিডিও বার্তায় জানান, এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে পারবে।
প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব ববি হাজ্জাজ বলেন, ২.৮ শতাংশ জনসংখ্যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। সমাজের এই মানুষদের সহায়তায় সর্বস্তরের মানুষকে নহর ইনিশিয়েটিভের কার্যক্রমে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বলেন, এই সহযোগিতা দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফারিদ খান জানান, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবে। বলেন, বর্তমানে দেশের মোট জনশক্তির ৪৬ লাখের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। যাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ডিজিটাল প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে ‘ডিজিটাল ফেলোশিপ প্রোগ্রাম-২০২৪’ চালু করা হয়। যেখানে বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, নাইজেরিয়া, ঘানা, কেজেডএনের ২০০ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব, আজিজুল হাকিম ও জিনাত হাকিম, ফুটবলার কায়সার হামিদ, ক্রিকেটার জাভেদ ওমর, ওয়ারফেজের পলাশ নূর, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেজারার আতিফ ওয়াফিক, পাবলিক রিলেশন ডিরেক্টর রনিসাহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ভেরিটাস একাডেমি ও নগরভিটা প্রোপার্টিজ।