প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৪ ১৯:১০ পিএম
আপডেট : ৩১ মে ২০২৪ ১৯:৩৬ পিএম
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি। প্রবা ফটো
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি, বৈষম্যহীন নবম জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণাসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি।
শুক্রবার (৩১ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কয়েকশ কর্মচারী অংশ নেন।
সমিতির সভাপতি লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মো. ছালজার রহমানের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল দেওয়ার পর বিগত দশ বছরে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, ঔষুধ, চিকিৎসা ব্যয়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের শতভাগ মূল্যবৃদ্ধিতে সীমিত আয়ের সরকারি কর্মচারীরা অর্থকষ্টে জীবনযাপন করছেন।
এ অবস্থায় সরকারের দেওয়া অন্তর্বতীকালীন ৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা ৩০ শতাংশে উন্নীত করা এবং অবিলম্বে নবম জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সমিতির অন্যান্য দাবি হলো, মূল বেতনের ১০০ শতাংশ বাড়ি ভাতা, চিকিৎসা, যাতায়াত, টিফিন, শিক্ষাসহায়ক ভাতা বৃদ্ধিকরণ, কর্মচারীদের জন্য স্থায়ীভাবে রেশনিং পদ্ধতি চালু করা, পূর্বের ন্যায় শতভাগ পেনশন প্রথা চালু, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনঃবহাল, সচিবালয় ও সচিবালয়ের বাইরের সকল পদের জন্য এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন এবং সকল ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড দেওয়া।
সমিতির সভাপতি লুৎফুর রহমান পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘দাবি আদায় না হলে আগামী ঈদের পর আন্দোলনরত সকল সংগঠন নিয়ে মহাসমাবেশ করা হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করা হবে।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সেলিম মোল্লা, মো. মিজানুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মামুন, মনিরুল ইসলাম, তাপস কুমার সাহা, মাহবুব হক তালুকদার, মো. রায়হান উদ্দিন, মফিজুল ইসলাম পিন্টু, মোজাম্মেল হক, এমদাদ, আসাদ, মনির হোসেন, আসাদুজ্জামান পিয়াল, মোফাজ্জল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহিম মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, শেখ রাসেল, আনোয়ার হোসেন, আরিফুল ইসলাম, লিপি আক্তার, হাদিউজামান, শাহ আলম, ইবনে ফারুক, কামরুন্নাহার, রেখা, রুবি, ইলিয়াস হোসেন, নুরী মো. মোফাজ্জল, ইমরানসহ ঢাকা মহানগরীর সকল দপ্তরের নির্বাচিত কর্মচারী প্রতিনিধি।
এ ছাড়া মানববন্ধনে সংহতি জানাতে আসেন, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি গাজী সাইফুল ইসলাম, মহাসচিব জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কার্যনির্বাহী সভাপতি জহিরুল ইসলাম জাফর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির সভাপতি সারোয়ার মোর্শেদ, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ওয়ারেস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহনেওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাস্তবায়ন পরিষদের মহাসচিব আবু নাসির খান, সুপ্রিম কোর্ট কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিমুদ্দিন, ১১-২০ গ্রেড অধিকার আদায় ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, ১১-২০ গ্রেড জাতীয় অধিকার আদায় ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন খান, বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির মহাসচিব খন্দকার নাজমুল আলম, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি জাইদুল ইসলাম জাহিদসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।