× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নগরায়ণ

ভুলের পর ভুলে জনদুর্ভোগ বাড়ে

ড. আকতার মাহমুদ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৩ ১১:৫৪ এএম

অলঙ্করন : জয়ন্ত জন

অলঙ্করন : জয়ন্ত জন

রাজউকের আওতাধীন গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরার প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের আবাসিক প্লটে বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার নীতিমালা অনুমোদন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এ ২৬ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলছে, এ নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে ৩ মে। এর ফলে কিছু শর্ত সাপেক্ষে ১০০ ফুট প্রশস্ত সড়কের দুই পাশের আবাসিক প্লটে শর্ত সাপেক্ষে বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলার অনুমোদন দেওয়া হবে। তবে বিস্ময়কর হলো, এই যে একটি নীতিমালা প্রণয়ন হলো, তা চূড়ান্ত করার আগে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা হয়নি। আবাসিক এলাকায় ঢালাওভাবে যদি বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়, তাহলে কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন আমাদের হতে হবে তা বিবেচনায় আনা হয়নি। এমনিতেই পুরো রাজধানী একটি বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফারাক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তার সঙ্গে নীতিমালার মাধ্যমে বাণিজ্যিক স্থাপনা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলবে। যখন রাজধানীর ওপর থেকে চাপ কমানোর বিষয়টি বারবার সামনে আসছে, বিকেন্দ্রীকরণের কথা সামনে আসছে, তখন এ ধরনের উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।

আমাদের প্রতিটি নগরে বিনিয়োগ বেড়েছে। বিনিয়োগের মাধ্যমে নগরের উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা জনমনে রয়েছে। এমনটাই স্বাভাবিক। তবু প্রশ্ন রাখি, আমাদের নগরায়ণ কি সঠিকভাবে হয়েছে? নগর পরিকল্পনার প্রকৌশলগত সমাধানের সঙ্গে আমাদের ভূপ্রকৃতি এবং ভূমির সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের বিকল্প নেই। সমন্বয়ের এ প্রক্রিয়া আমাদের নগর পরিকল্পনায় অনুসৃত হচ্ছে কি না তা এক বড় প্রশ্ন। এর উত্তর পেতে হলে সারা দেশের নগর পরিকল্পনা সামগ্রিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান বোঝার জন্য একবার মানচিত্রে চোখ বোলানোই যথেষ্ট। ভৌগোলিক অবস্থানের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে আমরা যদি নগর পরিকল্পনার দিকে মনোযোগ দিই, তাহলে আমাদের অবশ্যই পরিকল্পনা ও এর সমান্তরালে দুর্যোগের ধারাবাহিক ইতিহাসের সূত্র ধরা পড়বে।

চট্টগ্রামে আমরা দেখছি বারবার সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার। অতীতেও বর্ষার সময় জলাবদ্ধতা মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখা গেছে। তবে এবারই প্রথম বান্দরবান, পার্বত্য চট্টগ্রাম এমনকি চকরিয়ায় আকণ্ঠনিমজ্জিত জলাবদ্ধতা দেখা দিল। দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের জলাবদ্ধতার ধারাবাহিকতা ক্রমেই বেড়েছে এবং সম্প্রতি তা জনদুর্ভোগের সীমা ছাড়িয়ে শঙ্কা ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা শুধু দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের নয়, দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের দিকে তাকালে দেখা যাবে সেখানেও জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। গত বছর সিলেটের সুনামগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি খাত। তখন আইপিডির পক্ষ থেকে আলোচনা করে সুনামগঞ্জের সড়ক অবকাঠামোর সমালোচনা করেছিলাম। এবার মানচিত্রের উত্তর-পশ্চিমাংশ অর্থাৎ দিনাজপুর, রংপুর এলাকায়ও মধ্যমেয়াদি বন্যার শঙ্কা বেড়ে চলেছে। মানচিত্রের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা অঞ্চলেও জলাবদ্ধতা একটি ভয়াবহ সমস্যা। এ নগরগুলোর মধ্যে খুলনায় জলাবদ্ধতার সমস্যা বহু পুরোনো। মানচিত্রের মধ্যাঞ্চলটি রাজধানী ঢাকা। ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যার কথা সবারই জানা। বিশেষত বর্ষাকালে রাজধানী ঢাকায় জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। ৫০ মিলিমিটার সমপরিমাণ বৃষ্টিপাতে রাজধানীর অনেক অঞ্চলের সড়ক তলিয়ে যায়। রাজধানীতে জলাবদ্ধতার কারণ সর্বক্ষণ আমরা বিশ্লেষণ করি এবং সংবাদমাধ্যমের বরাতে সমস্যা সমাধানে প্রস্তাব ও পরিকল্পনাগত পরামর্শ দিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করি। বাংলাদেশের মানচিত্র সার্বিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, উত্তর থেকে দক্ষিণের বিশাল একটি অংশই জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতিতে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষত নগরাঞ্চলে সুপরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে তোলার পরও জলাবদ্ধতা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এমনটি হওয়ার কথা নয় তার পরও এটি আমাদের নগর পরিকল্পনার ত্রুটির পরিণাম হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

বিগত তিন-চার বছরে দেশের ছোটবড় ৩০-৩৫টি শহরে জলাবদ্ধতার কারণ অনুসন্ধানের কাজে আমরা নেমেছিলাম। পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবেই আমরা এ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নিই এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার কিছু সাধারণ কারণ শনাক্ত করতে সমর্থ হই। এই সাধারণ কারণগুলো বাংলাদেশের প্রায় সব শহরেই কমবেশি রয়েছে। প্রথমত, মানুষ নিজের স্বার্থগত কারণে জলাশয় দখল-ভরাট করে সংকুচিত-বিলুপ্ত করার কাজে লিপ্ত থাকে। জলাশয় সংকুচিত-বিলুপ্ত করার মাধ্যমে অনেকে খাসজমি প্রাপ্তির সম্ভাবনা দেখে এবং এভাবেই প্রাকৃতিক উপাদানের বিলুপ্তি ঘটিয়ে শহরকে অনেকটা মেরে ফেলে। দ্বিতীয়ত, সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক ধরনের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতির চিত্র তাদের মধ্যে সমৃদ্ধির ধারণা উস্কে দিয়েছে। এই সমৃদ্ধির ধারণা থেকেই নীতিনির্ধারকরা বড় বড় প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছেন। বড় প্রকল্পের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও নগরের জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়নি। এর কারণ বড় প্রকল্প নেওয়া হলেও প্রকৌশলগত সমাধান কখনও অনুসন্ধান করা হয়নি। প্রকৌশলগত সমাধানের পাশাপাশি পরিকল্পনাগত সমাধান খুঁজে এ দুয়ের সমন্বয় করা জরুরি ছিল। পরিকল্পনাগত সমাধানটি পরিবেশসম্মত হতে হবে। এ জায়গাটিতে আমাদের ঘাটতি রয়েছে।

১৯৯৫ সালে চট্টগ্রামে একটি ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান করা হয়। পরিকল্পনার পরবর্তী ২০ বছরেও এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। সরকার সর্বপ্রথম ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের উদ্যোগ শুরু করে। উপযুক্ত সময়ে যদি এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হতো, তাহলে যেমন সাশ্রয় হতো তেমন এর সুফলভোগী হতো নগরবাসী। মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন কে করবে? এ জটিলতার সমাধান করতে করতেই দীর্ঘদিন কেটে গেছে। এ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের দায় সিটি করপোরেশন পালন করবে, নাকি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান? কেউ কিন্তু তখন ওয়াসার কথা ভাবেনি। অথচ ওয়াসা চট্টগ্রাম নগরের অবকাঠামোতে অন্যতম প্রধান অংশীপ্রতিষ্ঠান। ওয়াসা কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ডÑএ দুই প্রতিষ্ঠানের কোনোটিই জলাবদ্ধতা দূর করার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেনি। নগরের অবকাঠামোগত অংশীপ্রতিষ্ঠানগুলোর অমার্জনীয় নির্লিপ্ততার কারণেই আজ জনদুর্ভোগ বেড়েছে। এ সমস্যার সমাধান অনেক আগেই করা যেত এবং তাতে আমরা লাভবান হতাম। তেমনটি না হয়ে উল্টো আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনগত জটিলতার পাশাপাশি জোয়ারভাটারও প্রভাব রয়েছে। মনুষ্যসৃষ্ট কারণেও জলাবদ্ধতা হয়। জলাবদ্ধতা অনেক প্রভাবকের সংমিশ্রণের ফল। তবে এ সংমিশ্রণের ফলে উদ্ভূত জটিলতার মাত্রা ভয়াবহতা ছাড়িয়েছে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোর অমার্জনীয় নির্লিপ্ততার দরুন।

জলাবদ্ধতা-বন্যার ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে হলে স্থানিক পরিকল্পনার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এ নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। পানি ব্যবস্থাপনা সুচারু করার জন্য সারা দেশের ভূমিরূপ, ভূমির উচ্চতা, মাটির গঠন, পানিপ্রবাহের চরিত্র ইত্যাদি বিবেচনায় এনে পরিকল্পনাগত ও প্রকৌশলগত সমাধান তৈরি করতে হবে। সামগ্রিকভাবে যখন জলাবদ্ধতার সমাধান করা হবে, তখন নগরাঞ্চলে বড় প্রকল্পগুলো সাজানোও সহজ হবে। স্থানিকভাবে চিন্তা করে বড় প্রকল্প করলে ঘাটতি ও ত্রুটি থাকবেই। সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সড়কপথ কিংবা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথকে স্থানিক বিবেচনায় পরিকল্পনা করা হয়েছে বিধায় প্রকল্পগুলো আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভাটির দেশ বলে পরিচিত নদীমাতৃক বাংলাদেশে পানিপ্রবাহের চরিত্রের বিষয়টি বিবেচনা করতেই হবে। শুধু প্রকৌশলগত সমাধানের মাধ্যমে স্থানিক উপাদান বিবেচনায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সঠিক পথ নয়। পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সামগ্রিকতাকে গুরুত্ব দিতে হবে সর্বাগ্রে। যদি তা করা না যায় তাহলে প্রকৃতির বিরূপ প্রতিক্রিয়া বাড়বে বই কমবে না।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরনও পাল্টেছে। বর্ষার শুরুতে আশানুরূপ বৃষ্টিপাত হয়নি। বছরের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বৃষ্টিপাত একীভূত হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এসেছে তাই অবকাঠামোগত পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো বিবেচনা করে পরিবেশসম্মত সমাধানও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এতদিন আমরা ভূমির সঙ্গে সংবেদনশীল পরিকল্পনায় জোর দিয়েছি। এখন এর সঙ্গে আরেকটি উপাদান যোগ করা জরুরি। দুর্যোগকে কেন্দ্রে বিবেচনাধীন রেখে জলবায়ু ও ভূমির সঙ্গে সংবেদনশীল পরিকল্পনার দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। সামগ্রিক পরিকল্পনা বড় প্রকল্পগুলো সাজানোর পাশাপাশি সমন্বয় গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। তবে পরিকল্পনার স্থানিক বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে যেহেতু প্রতিটি অঞ্চলের নির্দিষ্ট চরিত্র রয়েছে। কিন্তু সামগ্রিকতাকে মুখ্য বিবেচনা হিসেবে দেখতে হবে। সামগ্রিকতার মাধ্যমে যখন সমন্বয়মূলক পরিকল্পনা করা হবে, তখন স্থানিক বৈশিষ্ট্য বিচার করে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পন্থা সহজতর হয়ে উঠবে। অনেকে বলেন, আমরা এখনও ডাচ্ ওয়াটার বেজ সলিউশনের ওপর নির্ভরশীল থাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে।

পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পরিবেশসম্মত সমাধানের দিকে ঝুঁকতে হবে। পরিবেশসম্মত সমাধান ব্যয়বহুল হলেও এ প্রক্রিয়াই আমাদের ভবিষ্যতের জন্য উপাদেয়। কিন্তু বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ডাচ্ ওয়াটার বেজ সলিউশনও প্রয়োজন যেহেতু সেখানে জোয়ারভাটার পানি প্রবেশ করে। স্থানিক বিবেচনা কীভাবে নিতে হবে তার একটি উদাহরণ হিসেবেই চট্টগ্রামের বিষয়টি উল্লেখ করলাম। মূল কথা হলো, প্রকল্প যখন সামগ্রিক বিবেচনার মাধ্যমে সাজানো হবে, তখন বড় বড় প্রকল্প ‘আইসোলেটেড’ থাকবে না। বরং তাদের সমন্বয়সাধন হবে। এ সমন্বয়ের মাধ্যমে পানিপ্রবাহের চরিত্রের সামগ্রিকতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আসবে। কোনো একটি অংশে যদি সমস্যা প্রতিবন্ধকতা হয়ে থাকে তাহলেই বিপদ। প্রাসঙ্গিকতার বিচারে যখন আমরা পরিকল্পনা নিতে শুরু করব, তখন দেশব্যাপী জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসন দুরূহ কিছু হবে না। হাতে এখনও সময় রয়েছে। সুযোগও রয়েছে অনেক। উপযুক্ত সময়ে যদি সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া যায় তাহলে তার সুফলভোগী হব আমরাই। সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অমার্জনীয় নির্লিপ্ততা ত্যাগ করে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না, দিন যত যাবে ততই প্রকৌশল, ভূমি, জলবায়ু ও প্রকৃতি সংবেদনশীল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে। আমাদের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এমন একটি ভ্রম রয়েছে যে, আমাদের অর্থনীতি সমৃদ্ধ তাই আমরা ইচ্ছামতো খরচ করতে পারি। কিন্তু অপচয় তো কাম্য হতে পারে না। সময় সাপেক্ষে ব্যয়বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্যও ক্ষতিকর।


  • নগর পরিকল্পনাবিদ ও উপদেষ্টা, আইপিডি
  • অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা