ওরাইনা খাঁন চৌধুরী
প্রকাশ : ৭ ঘণ্টা আগে
ফাইল ছবি
বিদেশে কর্মসংস্থান, শিক্ষা কিংবা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ বিমানবন্দর ব্যবহার করেন।
আবার প্রবাসীরা দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে আসেন পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের জন্য ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে নানা ধরনের উপহার নিয়ে। এসব উপহারের মধ্যে থাকে পোশাক, খেলনা, প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক সামগ্রী কিংবা ভঙ্গুর জিনিসপত্র। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক সময় বিমানবন্দরে লাগেজ পরীক্ষার সময় ব্যাগ যথাযথ সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হয় না। অভিযোগ রয়েছে, স্ক্যানিং বা তল্লাশির সময় অনেক কর্মী ব্যাগ অসাবধানতাবশত ছুড়ে ফেলেন বা রুক্ষভাবে স্থানান্তর করেন। ফলে ব্যাগের ভেতরে থাকা মূল্যবান ও ভঙ্গুর জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রবাসীরা কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে
স্বজনদের জন্য যে উপহার নিয়ে আসেন, তা নষ্ট হয়ে গেলে তাদের মানসিক কষ্টের শেষ থাকে
না। অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। বিমানবন্দর
একটি দেশের ভাবমূর্তির প্রতীক। তাই সেখানে যাত্রীসেবা ও লাগেজ ব্যবস্থাপনায়
সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত কর্মীদের
যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং লাগেজ পরিচালনার
ক্ষেত্রে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে যাত্রীদের অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত
সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি তাদের
সম্পদের প্রতিও সম্মান দেখানো প্রয়োজন। মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই
বিমানবন্দরসেবা আরও উন্নত ও যাত্রীবান্ধব হয়ে উঠতে পারে।
ওরাইনা খাঁন চৌধুরী
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়