× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জলসীমার অতন্দ্র প্রহরী থেকে মানবতার সেবক বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ড. হাসান মাহমুদ

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬ ১৮:৩৯ পিএম

আপডেট : ২৯ মে ২০২৬ ১৮:৪৭ পিএম

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

“শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়” এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী কেবল দেশের তিন হাজার বর্গমাইলেরও বেশি সমুদ্রসীমা ও একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) অতন্দ্র প্রহরীই নয়, বরং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যেকোনো সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক পরম বিশ্বস্ত নাম। গত কয়েক দশকে দেশের অভ্যন্তরে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের সাধারণ জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নৌবাহিনী যে অভূতপূর্ব অবদান রেখেছে, তা এক সোনালী অধ্যায়। সামরিক শৃঙ্খলার সাথে মানবিকতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে নৌবাহিনী আজ বেসামরিক স্বাস্থ্য সেবায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে।

গৌরবের উৎস

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও নৌবাহিনীর চিকিৎসা সেবার সূচনা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মানবিক এবং চিকিৎসাসেবার এই ঐতিহ্য কিন্তু হঠাৎ করে গড়ে ওঠেনি; এর শিকড় প্রোথিত রয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসে। ১৯৭১ সালে 'অপারেশন জ্যাকপট'-এর মাধ্যমে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা ধূলিসাৎ করে দিয়েছিল বীর নৌ-কমান্ডোরা।

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে ভারতের পলাশ ও পদ্মা নামক দুটি গানবোটে এবং বিভিন্ন নদীভিত্তিক ক্যাম্পগুলোতে নৌ-কমান্ডোদের পাশাপাশি সাধারণ বেসামরিক মানুষ ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হতো। সীমিত সম্পদ ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও নৌ-কমান্ডোদের নিজস্ব চিকিৎসকরা যুদ্ধাহত ও স্থানীয় চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মাত্র দুটি গানবোট নিয়ে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রথম থেকেই উপকূলের অবহেলিত মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাকে তাদের অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করে।

ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা

চিকিৎসা খাতে নৌবাহিনীর পূর্ববর্তী অবদান বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের বিশাল উপকূলীয় জনগোষ্ঠী যখনই কোনো বড় স্বাস্থ্য সংকটে পড়েছে, নৌবাহিনী তখনই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকা যখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল, তখন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো প্রথম জরুরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও মেডিক্যাল টিম নিয়ে কুতুবদিয়া, সন্দ্বীপ ও মহেশখালীতে পৌঁছায়। কলেরা ও ডায়রিয়ার মহামারি থেকে লাখো বেসামরিক মানুষকে বাঁচিয়েছিল নৌবাহিনীর তৎকালীন বিশেষ মেডিক্যাল ক্যাম্পগুলো।

সিডর ও আইলা পরবর্তী চিকিৎসা বিপ্লব

২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' এবং ২০০৯ সালের ‘আইলা’র পর বাগেরহাট, শরণখোলা এবং সাতক্ষীরার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুপেয় পানির অভাবে তীব্র স্বাস্থ্য সংকট দেখা দেয়। নৌবাহিনী তাদের যুদ্ধজাহাজে করে বিশাল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নিয়ে যায় এবং প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইনের মাধ্যমে উপকূলবাসীকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করে।

চিকিৎসা শিক্ষায় নতুন মাইলফলক

চট্টগ্রাম নেভি মেডিক্যাল কলেজ (এনএমসিসি) চিকিৎসা খাতের এই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং দেশের চিকিৎসা খাতের টেকসই উন্নয়ন ও দক্ষ চিকিৎসকের অভাব পূরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাম্প্রতিকতম এবং সবচেয়ে বড় অর্জন হলো চট্টগ্রাম নেভি মেডিক্যাল কলেজের সফল প্রতিষ্ঠা।

২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে এই বিশেষায়িত কলেজটি চিকিৎসা শিক্ষার মানচিত্রে নিজের নাম খোদাই করেছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় সমুদ্রের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই অত্যাধুনিক ক্যাম্পাসে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি, দেশের অন্যতম আধুনিক ‘মেডিক্যাল সিমুলেশন ল্যাব’ এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরি। এর শিক্ষাদানকারী হাসপাতাল (Teaching Hospital) হিসেবে কাজ করছে নৌবাহিনীর সুসজ্জিত হাসপাতাল ‘বানৌজা পতেঙ্গা’।

এখানে পাস করা চিকিৎসকদের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতে সিভিল বা বেসামরিক স্বাস্থ্য খাতে যোগ দেবেন। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে যেখানে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা যেতে চান না, সেখানে এই কলেজের গ্র্যাজুয়েটরা গ্রামীণ ও প্রান্তিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনবেন বলে চিকিৎসাবিদদের ধারণা।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবতার দূত

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে স্বাস্থ্যসেবা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বেসামরিক চিকিৎসাসেবার পরিধি কেবল দেশের মানচিত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সুদূর আফ্রিকা ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও এর গৌরবোজ্জ্বল পদচিহ্ন রয়েছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (ইউএন পিসকিপিং মিশন) ব্লু হেলমেট পরিহিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের বেসামরিক নাগরিকদের চিকিৎসাসেবায় অসামান্য অবদান রাখছেন।

লেবাননে (ইউএনআইএফআইএল) সাড়াজাগানো অবদান

ভূমধ্যসাগরে নিয়োজিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ (যেমন- বানৌজা সংগ্রাম বা আলী হায়দার) কেবল মেরিটাইম ইন্টারডিকশন অপারেশনই চালায় না, বরং লেবাননের স্থানীয় বেসামরিক জনগণের জন্য নিয়মিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও জরুরি ফার্স্ট-এইড সহায়তা প্রদান করে আসছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানিজদের কাছে বাংলাদেশি নৌ-চিকিৎসকরা আজ এক পরম আশ্রয়ের নাম।

আফ্রিকান মিশনগুলোতে ফিল্ড হাসপাতাল

দক্ষিণ সুদান বা মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মতো যুদ্ধবিক্ষুব্ধ ও চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোতে নৌবাহিনীর মেডিক্যাল অফিসাররা অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সাথে মিলে লেভেল-২ ফিল্ড হাসপাতাল পরিচালনা করেন। সেখানে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ বেসামরিক জনগোষ্ঠীর জটিল অপারেশন, ম্যালেরিয়া ও ইবোলা প্রতিরোধ এবং প্রসূতি মায়েদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

দুর্যোগের দিনগুলোতে ত্রাতা

মাঠপর্যায়ের কিছু সাম্প্রতিক ঘটনা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন স্থানীয় সিভিল প্রশাসন ও সাধারণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন নৌবাহিনী স্পিডবোট, যুদ্ধজাহাজ এবং হেলিকপ্টার নিয়ে দুর্গমতম এলাকায় পৌঁছে যায়। বিগত বছরগুলোতে তাদের এমন কিছু অর্জন নিচে তুলে ধরা হলো:

ক. ঘূর্ণিঝড় মোখা পরবর্তী সেন্ট মার্টিন্স উদ্ধার অভিযান

২০২৩ সালের মে মাসে ক্যাটাগরি-৫ সমতুল্য শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' যখন দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আঘাত হানে, তখন দ্বীপের একমাত্র ১০ শয্যার সরকারি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বীপটি মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি মেডিক্যাল টিম নিয়ে দ্বীপে পৌঁছায় এবং অস্থায়ী ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করে টানা দুই সপ্তাহ ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা দেয়। সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষকে সরাসরি ওষুধ, খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি দেওয়া হয়, যার ফলে সেখানে কোনো মহামারি ছড়াতে পারেনি।

খ. খুলনার কয়রা ও দাকোপে মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন (২০২৬)

সম্প্রতি ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে খুলনার উপকূলীয় এবং অত্যন্ত দুর্গম এলাকা কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নে নৌবাহিনী একটি দিনব্যাপী বিশাল ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা করে। নৌবাহিনীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল দিনভর ওই অঞ্চলের ৩ হাজারের বেশি প্রান্তিক মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসাসেবা এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সামগ্রী প্রদান করে। উপকূলের নারীদের জন্য এটি ছিল এক অনন্য সুযোগ, কারণ তীব্র লবণাক্ততার কারণে ওই অঞ্চলের নারীরা জরায়ু ও চর্মরোগে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন।

সংখ্যায় ও পরিসংখ্যানে নৌবাহিনীর বেসামরিক চিকিৎসাসেবা

সংখ্যা ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বেসামরিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম দেশের উপকূলীয় ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিবছর নৌবাহিনী পরিচালিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে গড়ে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ চিকিৎসা সুবিধা গ্রহণ করেন, যা প্রত্যন্ত চর ও দ্বীপাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের মাধ্যমে প্রায় ৬০ হাজারের বেশি সুবিধাভোগী দরিদ্র মানুষ স্বাস্থ্য ব্যয়ের চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পান।

মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার আওতায় প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার মানুষ সেবা গ্রহণ করেন, যা উপকূলীয় অঞ্চলে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুহার কমাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে জরুরি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স সেবার মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজারের বেশি রোগীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নদী ও সমুদ্রপথে বিভাগীয় হাসপাতালগুলোতে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়, যা অনেক ক্ষেত্রেই জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করছে।

পরিসংখ্যানগত প্রভাব

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৫% মানুষ তাদের জীবনে অন্তত একবার নৌবাহিনীর স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প কিংবা জরুরি উদ্ধারকালীন চিকিৎসা সহায়তার সরাসরি সুফল ভোগ করেছেন।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ও ঘাঁটি হাসপাতালগুলোর অবদান

চট্টগ্রামের বানৌজা ঈসা খান, খুলনার বানৌজা তিতুমীর বা ঢাকার নৌঘাঁটি সংলগ্ন বিশেষায়িত সামরিক হাসপাতালগুলো কেবল নৌবাহিনীর নিজস্ব সদস্যদের জন্যই নয়, বরং প্রতিরক্ষা খাতের আওতাধীন বেসামরিক কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিশেষ বিবেচনায় সাধারণ সিভিলিয়ানদেরও উন্নত চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।

নৌবাহিনীর এই হাসপাতালগুলোর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্ব, সুশৃঙ্খল পরিবেশ, নিয়মিত রাউন্ড এবং নিখুঁত ও নির্ভুল ডায়াগনস্টিক সুবিধার কারণে রোগীদের সন্তুষ্টির হার বেসামরিক হাসপাতালের তুলনায় অনেক বেশি লক্ষ্য করা যায়।

সমুদ্রের প্রহরী, মানবতার বন্ধু

একটি দেশের নৌবাহিনী কেবল যুদ্ধজাহাজ আর কামান দিয়ে পরিমাপ করা যায় না, বরং সংকটের সময়ে তারা সাধারণ জনগণের কতটা আপন হতে পারল, সেটাই তাদের আসল শক্তি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একটি পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী- “বেসামরিক নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও মহামারি মোকাবিলায় সিভিল প্রশাসনের সাথে সামরিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সুশৃঙ্খল সমন্বয় অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করে”।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আজকের ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের সুশৃঙ্খল চিকিৎসা কাঠামো, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে অনন্য অবদান এবং নেভি মেডিক্যাল কলেজের মতো স্থায়ী ও দূরদর্শী শিক্ষামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত এটি প্রমাণ করে চলেছে। তারা কেবল সমুদ্রসীমার দক্ষ রক্ষকই নন, বরং দেশে ও বিদেশে কোটি বেসামরিক মানুষের জীবন বাঁচানোর এক পরম ও নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল।

জাতীয় বাজেটে নৌবাহিনীর এই স্বাস্থ্যসেবামূলক খাতকে আরও গতিশীল করতে পারলে উপকূলীয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে।

লেখক: স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষক

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা