× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল: বাংলাদেশিদের অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি

নিরঞ্জন রায়

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬ ১৩:৪৯ পিএম

আপডেট : ২৪ মে ২০২৬ ১৪:১১ পিএম

নিরঞ্জন রায়; সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নিরঞ্জন রায়; সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গত সপ্তাহে কানাডার টরন্টো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবং এবার ছিল নবম বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল। কানাডার অন্যতম বাণিজ্যিক শহর টরন্টোর অত্যাধুনিক একটি কনভেনশন হলে এই বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয় এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন ফেস্টিভ্যাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

টরন্টো এবং আশপাশের শহরে বসবাসরত গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এতদিন ধরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হলেও, আগে কখনোই যাওয়া হয়নি। প্রধান আয়োজকের আমন্ত্রণে এবারই প্রথম সস্ত্রীক বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে গিয়েছিলাম। আপাতদৃষ্টিতে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল গতানুগতিক ধারার একটি সাধারণ অনুষ্ঠান মনে হলেও এটি ছিল ভিন্ন মাত্রার এক আয়োজন। এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য অনেক বেশি মনে হয়েছে। এবারের নবম বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে, পুরো আয়োজনটি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, তাদের পিতামাতা এবং তাদের সহযোগিতা প্রদানে নিয়োজিতদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে- যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। 

এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী প্রদান করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড। সশরীরে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেছেন একাধিক ফেডারেল এমপি এবং বেশ কয়েকজন প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টের এমপি। আগামীতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এমন কয়েকজন সম্ভাবনাময় রাজনীতিবিদও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এমনকি টরন্টো শহরের বর্তমান মেয়র অলিভিয়া চাও এবং আরেকজন মেয়রপ্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন মূলধারার রাজনীতিবিদ এবং সমাজসচেতন ব্যক্তিও এই বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে উপস্থিত ছিলেন। আমি জানি না কানাডার বাংলাদেশিদের আর কোনো অনুষ্ঠানে এত সংখ্যক এমপি, এমপিপি, মেয়র কাউন্সিলরসহ মূলধারার রাজনীতিবিদ একসাথে উপস্থিত হয়েছেন কি না। শুধু তাই নয়, এই অনুষ্ঠানে যে সকল এমপি, এমপিপি, মেয়র এবং রাজনীতিবিদ উপস্থিত ছিলেন, তাদের অনেকেই বাংলাদেশি পোশাক পরে এসেছিলেন এবং তারা সবাই দুয়েকটি বাক্য বাংলায় উচ্চারণ করার চেষ্টা করেছেন। তাদের সবাই বাংলাদেশিদের নাম উল্লেখ করে কানাডায় তাদের অবদান এবং সম্ভাবনার কথা স্মরণ করে বক্তব্য প্রদান করেছেন। আর এখানেই বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের বিশেষত্ব এবং গুরুত্ব। 

বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল যে উচ্চতায় পৌঁছেছে তার পিছনে যার অবদান সবচেয় বেশি, তিনি হচ্ছেন শহিদুল ইসলাম মিন্টু। তিনি কানাডা আসার পর থেকে নিরলস প্রচেষ্টায় নিজেকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করাতে পেরেছেন। নিজ সম্প্রদায়ের বাইরে মূলধারার সমাজেও স্থান করে নিতে পেরেছেন। তার একটি বড় গুণ হচ্ছে সমাজ ও রাজনীতির সকল পক্ষের কাছে তার সমান গ্রহণযোগ্যতা। এরকম যোগ্যতা খুব কম মানুষেরই আছে। তার একক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে কানাডার সরকার এবং বিরোধী দল, উভয় পক্ষ থেকেই এমপি, এমপিপি এবং জনপ্রতিনিধি আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। যে ডলি বেগম কিছুদিন আগে তার মূল দল এনডিপি ত্যাগ করে লিবারেল পার্টিতে যোগ দিয়ে ফেডারেলের এমপি হয়ে গেছেন, সেই ডলি বেগম যেমন উপস্থিত ছিলেন, তেমনি উপস্থিত ছিলেন তার আগের দলের নেত্রী ম্যারিট স্টাইল। একদিকে উপস্থিত ছিলেন বর্তমান মেয়র, অন্যদিকে ছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়রপ্রার্থী। মোটকথা কানাডার সব দল ও মতের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের একসাথে সমবেত করতে পেরেছিলেন এই বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে এবং এটা সম্ভব হয়েছিল মিন্টুর কারণে। 

এই অনুষ্ঠানে কানাডার সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করা লেখক ও সাহিত্যিক সুব্রত কুমার দাসও ক্ষুদ্র পরিসরে একটি ব্যতিক্রমী ভূমিকা রেখেছেন। একজন কানাডাপ্রবাসী লেখককে কবি ইকবাল হাসান পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এই পুরস্কারটি সুব্রত কুমার দাস নিজে না দিয়ে কানাডার মূলধারার নামকরা একজন কবিকে দিয়ে পুরস্কারটি প্রদান করিয়েছেন। আমরা যেখানে সব সময় নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকি, নিজেই সবকিছু করতে পছন্দ করি, সেখানে সুব্রত কুমার দাস নিজে না করে অন্যকে দিয়ে সম্মানিত করাতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কয়েক দিন আগে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানেও তিনি বেশ কয়েকজন কানাডার মূলধারার কবি, সাহিত্যিককে আমন্ত্রণ করে নিয়ে এসেছিলেন। 

কানাডায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানের অন্ত নেই। অনেক অনুষ্ঠানে বারবার আমন্ত্রণ জানিয়েও লোক সমাগম করা যায় না। অথচ বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে যেতে হয় টিকিট কেটে। অবশ্য একটি অংশ সৌজন্য টিকিট পেয়ে থাকেন এবং আমি নিজেও সেরকম একটি সৌজন্য টিকিট পেয়েই গিয়েছিলাম। কিন্তু দর্শকদের বড় একটি অংশ ডলার দিয়ে টিকিট কেটেই এই অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। প্রায় এক হাজার লোকের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন কনভেনশন হল পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানে টিকিট কেটে এত মানুষ অংশ নিতে পারে, তা আমার ধারণার মধ্যেই ছিল না। এরকম লোকসমাগম দেখা যায় সেসব অনুষ্ঠানে, যেখানে হয় ভালো খাবারদাবারের ব্যবস্থা আছে, অথবা বাংলাদেশ-ভারতের নামকরা শিল্পীদের গানের আয়োজন থাকে। এর কোনোটাই ছিল না বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে। শুধু অনুষ্ঠানের গুরুত্বের কারণেই এত বিপুল সংখ্যাক বাংলাদেশি টিকিট কেটে এসেছিলেন।

অনুষ্ঠানটি মূলত কোনো তারকা পুরস্কার বিতরণী বা বাংলাদেশ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আদলে সাজানো হয়েছিল। পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের, যারা মূলত আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত। যে সকল ব্যবসায়ী পুরস্কার পেয়েছেন, তারা নিজেদের ধন্য মনে করবেন। কেননা পুরস্কারটা এখানে যত না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যাদের কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন, সেটা। পুরস্কার গ্রহণের মুহূর্ত নিশ্চয়ই তাদের জীবনে স্মরণীয় ঘটনাই হয়ে থাকবে এবং তাদের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রায়, বিশেষ করে ব্যবসার প্রচারে বেশ ভালো কাজে আসবে বলেই মনে হয়। তবে পুরস্কার প্রদানের প্রয়াসকে সর্বজনীন করার স্বার্থে অন্যান্য পেশার বাংলাদেশিদের, যেমনÑ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিল্পী, ব্যাংকার সম্পৃক্ত করতে পারলে আরও ভালো হতো। 

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরাই মূলত গান ও নৃত্য পরিবেশন করেছেন। দুজন অতিথি শিল্পী থাকলেও, তারা এসেছিলেন আমেরিকা থেকে। তারা প্রখ্যাত কোনো শিল্পী না হয়েও দর্শকদের আনন্দ দিতে পেরেছেন। বিশেষ করে আরজিন কামালের গান পরিবেশনা বেশ উপভোগ্য ছিল। তার গান যত না ভালো লেগেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ভালো লেগেছে তার গানের পরিবেশনা। যেভাবে নেচে, গেয়ে এবং বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করে গান পরিবেশন করছিলেন, তা দর্শকদের বেশ মুগ্ধ করেছে। তার গান পরিবেশন দেখে আমার মনে হচ্ছিল যে তিনি হয়তো দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএসের পারফরম্যান্স থেকে ধারণা নিয়েছেন। অবশ্য এখনকার গান পরিবেশনের ধরনই এমন। গলার চেয়ে অঙ্গভঙ্গির গুরুত্ব বেশি। 

নবম বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে এত বিপুল সংখ্যক এমপি, এমপিপি, মেয়র, কাউন্সিলর, মূলধারার রাজনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের সরব উপস্থিতি যে শুধুমাত্র অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বাড়িয়েছে তাই নয়, সেই সাথে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সাথে এখানকার মূলধারার রাজনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের এক নিবিড় সেতুবন্ধ বা নেটওয়ার্কের সৃষ্টি করেছে। এখন এই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে এখানকার মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্যে বিস্তার লাভ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এই কথাগুলো উপস্থিত দুয়েকজন এমপি এবং এমপিপি তাদের বক্তব্যে প্রকারান্তরে উল্লেখ করেছেন। কানাডায় ব্যবসায়িক করপোরেট অফিস স্থাপন করে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে এখানকার বৃহৎ রিটেইল স্টোরে সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। যেমন, এখানে পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব পাটের গ্রোসারি ব্যাগের ব্যাপক চাহিদা আছে। কিন্তু পাটের ব্যাগ এখানে বাজারজাত করার ক্ষেত্রে এখানকার সিটি করপোরেশন, প্রভিন্সিয়াল সরকার এবং ফেডারেল সরকারের একটা বড় ভূমিকা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালকে কেন্দ্র করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে পাটের ব্যাগ বাজারজাত করার ক্ষেত্রে তাদের সহায়ক ভূমিকা গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু তার আগে প্রডাক্ট চিহ্নিত এবং বাজারজাতের আধুনিক কৌশল ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। সেটি কীভাবে সম্ভব, তা ব্যাখ্যা করতে গেলে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন, যার সুযোগ এখানে নেই। তাই অন্য কোনো পরিসরে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব। 

অনেক কষ্ট ও প্রচেষ্টার বিনিময়ে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে এই মাত্রার এক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এখন যদি এই নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের ব্যবসায়িক সমৃদ্ধি ঘটানো এবং এখানকার মূলধারার ব্যবসায় ভালো জায়গা করে নেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে এই নেটওয়ার্ক বেশিদিন ধরে রাখা সম্ভব হবে না। কেননা দিন শেষে অর্থ ও অর্থনীতিই মূল কথা। বর্তমান যুগে এ দুটো না থাকলে, কোনোকিছুই টেকসই হয় না। এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল আয়োজনে সফল নেতৃত্ব দেওয়া শহিদুল ইসলাম মিন্টু একটা ভূমিকা নিতে পারেন। কেননা তিনি ইতোমধ্যে সেরকম সফলতা এবং সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখতে পেরেছেন। কাজটি যে তিনি নিজে করবেন, তেমন নয়। তিনি যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কয়েকজনকে নিয়ে একটি টিম গঠন করবেন এবং সেই টিম এই কাজটা করবে। তিনি শুধু নেপথ্যে থেকে সহযোগিতা প্রদান করবেন, যেমনটা তিনি এখানে মিডিয়া প্রতিষ্ঠায় করতে পেরেছেন। সেখানেও তিনি যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি ভালো টিম গঠন করেছেন, যারা সফলতার সাথে কাজ করে চলেছে।

টরন্টোয় অনুষ্ঠিত এবারের বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল নিঃসন্দেহে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অগ্রযাত্রার এক স্বীকৃতি। এখন এই স্বীকৃতি কাজে লাগানোর পালা। এ কাজে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে টরন্টোয় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস এবং অটোয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা প্রদানের প্রয়োজন আছে। আশা করব সংশ্লিষ্ট সকলেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন।


নিরঞ্জন রায়

সার্টিফায়েড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরন্টো, কানাডা

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা