নূরুদ্দীন দরজী
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬ ১৩:০৮ পিএম
পিতা হানিফ পাঠানের হাতে শুরু হলেও দেশের অতি পুরাতন প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার উয়ারী-বটেশ্বরের গবেষণা, নিদর্শনসহ সবকিছু সম্পাদিত হয়েছে তারই ছেলে হাবিবুল্লা পাঠানের হাত ধরে। হাবিবুল্লা পাঠানের অক্লান্ত পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা ওয়ারী-বটেশ্বরকে বিশ্বদরবারে স্থান করে দিয়েছে। তিনি এ বটেশ্বরের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক আবিস্কারক হিসেবে পরিচিত। হাবিবুল্লা পাঠান শেকড়ের সন্ধান করে প্রায় তিন হাজার বছর আগের এক নগর সভ্যতাকে আমাদের সামনে উন্মোচন করেছেন। দেখিয়েছেন মাটির নিচে এক শহর, যার নাম উয়ারী-বটেশ্বর। অনেক অনেক খোঁড়াখুঁড়ি, গবেষণা, প্রচেষ্টায় বেরিয়ে এসেছে এ শহর এবং শহরের বিচিত্রতা চমকিত করেছে মানুষকে। মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান আর নেই, চলে গেছেন পরপারে।
আবিষ্কারের
সূত্রপাতে হানিফ পাঠান ও পরে পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে হাবিবুল্লা পাঠান উভয়েই
প্রাথমিক শিক্ষক ছিলেন। এমন আবিষ্কারের বিশালতা বিবেচনায় তার গবেষকদ্বয় প্রাথমিক
শিক্ষক ছিলেন ভাবতে কিছুটা আশ্চর্য হতে হয়। কারণ, পৃথিবীতে গবেষণার কাজগুলো
সাধারণত করে থাকেন কোনো না কোনো সুখ্যাত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দামি দামি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী শিক্ষকগণ। প্রাথমিক শিক্ষকগণের গবেষণার হার নিতান্তই
স্বল্প। কারণ তাদের বেশিরভাগ কাজই শ্রেণিকক্ষে অ্যাকশন রিচার্স বা কর্মগবেষণা।
প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার সাথে প্রাথমিক শিক্ষকের তেমন সংশ্লিষ্টতা থাকে না। অবশ্য
ভারতের তামিলনাড়ুর প্রাথমিক শিক্ষক মুনিয়াসাথী সিন্ধু সভ্যতার একটি অংশ
মৃৎপাত্রের টুকরো আবিষ্কারের সাথে জড়িত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কিছু জায়গায়
প্রাথমিক শিক্ষকগণ ছোটখাটো আবিষ্কারের সাথে কমবেশি জড়িতের কথা শোনা যায়। কিন্তু বাংলাদেশের
নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরের আবিষ্কারক হানিফ পাঠান ও তার ছেলে অদম্য হাবিবুল্লা
পাঠানের মতো একটি বৃহৎ প্রাচীন সভ্যতা আবিষ্কার করেছেন এমন কোনো দ্বিতীয় প্রাথমিক
শিক্ষক পৃথিবীতে আছেন বলে এখন পর্যন্ত মনে করা হয় না।
প্রাগৈতিহাসিক
ব্রহ্মপুত্র সভ্যতার কেন্দ্রভূমি উয়ারী-বটেশ্বর। উয়ারী ও বটেশ্বর দুটি গ্ৰাম
পাশাপাশি অবস্থানে। হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশের
অববাহিকা তীরে নরসিংদীর বেলাবোতে উয়ারী-বটেশ্বর। এখানে এখনও রয়েছে পুরাতন
ব্রহ্মপুত্র নদের চিহ্ন ও স্রোতধারা। ১৯৩৩ সালে শ্রমিকরা মাটি খনন করতে গিয়ে
সর্বপ্রথম এ সভ্যতার সন্ধান পান। সময় বিবেচনায় আবিষ্কার খুব বেশি দিনের নয়Ñ যদিও
এ সভ্যতা তিন হাজার বছরের পুরাতন। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত অন্য কোনো সভ্যতা
উয়ারী-বটেশ্বরের চেয়ে পুরাতন নয়। দেশের মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার,
কুমিল্লার ময়নামতি, শালবনবিহারসহ আমাদের ছোটবড় প্রায় আড়াই হাজার প্রত্নতাত্ত্বিক
আবিষ্কার রয়েছে তার মধ্যে উয়ারী-বটেশ্বর সবচেয় পুরাতন বলে সকল মহলে অনুমিত ও
প্রমাণিত হয়েছে । অনেকের মতে, ১০০০ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দেও এর অস্তিত্ব ছিল।
উল্লেখ্য যে, পৃথিবীর আবিষ্কৃত কোনো সভ্যতাই খুব একটি পূর্বে আবিষ্কার করা হয়নি
বা করা যায়নি। অর্থাৎ প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাস খুব বেশি পুরনো নয়।
সপ্তদশ
শতাব্দীর শুরুতে প্রত্নতাত্ত্বিক পুরাকীর্তির বিষয়ে মানব জাতির আগ্ৰহ দেখা দেয়।
১৮৫৯ সালে ডারউইনের ‘অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস’ নামক বই লেখা ও পাওয়ার পর অতীত
ইতিহাস ও বিবর্তন বিষয়ে জানতে মানুষের আগ্ৰহ সৃষ্টি হয়। সাত হাজার বছর আগের
মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে মনে করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা। আর এ সভ্যতা
ব্রিটিশ ও ফরাসি প্রত্নতাত্ত্বিকদের হাতে আবিষ্কৃত হয়েছে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ
দিকে। বিশ্বের প্রথম নগর সভ্যতা, উরুক, সমসাময়িক কালেই পাওয়া গেছে। ১৮৮০ সালের
দিকে মিসরের পিরামিডের অস্তিত্ব খুঁজে পান প্রত্নতত্ত্বের জনক স্যার উইলিয়াম
ফ্লিন্ডার্স পেট্টি। ১৯১১ সালে হায়রাম বিংহাম ইনকা সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়। ১৯২২
সালের দিকে হাওয়ার্ড কার্টার মিসরের, ‘ভ্যালি অব দ্য কিংস’, বা তুতেন খামুনের সমাধি
জনসমক্ষে তুলে আনলে গোটা দুনিয়ায় হৈচৈ পড়ে যায়। এমন আরও অনেক অনেক আবিষ্কারক ও
আবিষ্কার রয়েছে ।
উয়ারী-বটেশ্বরে
খননে প্রাপ্ত দ্রব্যাদির মধ্যে আছে ছাপাঙ্কিত রৌপ্য মুদ্রা, লোহার কুঠার, ছুড়ি,
বর্ষার ফলা, পেরেক, পোড়ামাটির তৈরি নানাবিধ সামগ্ৰী, কাচের ও পাথরের পুঁতি,
ভারতের প্রাচীন মুদ্রা, মৃৎপাত্র। পাওয়া গেছে প্রাচীন দুর্গের দেয়াল, রাস্তা,
পরিখা, বৌদ্ধমন্দির, ব্রোঞ্জপাত্র বাটখারা ইত্যাদি। রয়েছে নদীবন্দর এবং দূরবর্তী
বিভিন্ন এলাকার সাথে বাণিজ্যের একটি সমৃদ্ধ নগরের পদচিহ্ন। দেশি বিদেশি বিভিন্ন
সংস্থা দ্বারা প্রাপ্ত জিনিসপত্র বৈজ্ঞানিকভাবে ডেটিং পরীক্ষানিরীক্ষা করে
প্রমাণিত হয়েছে যে, সবগুলোই আড়াই, তিন হাজার বছরের পুরাতন সভ্যতার। এছাড়াও
আমেরিকার ফ্লোরিডার, বেটা অ্যানালিটিক্যাল কার্বন ডেটিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা
সম্পন্নের পর সবকিছুই যে অধিকতর পুরাতন তা নিশ্চিত হওয়া যায়। এতদ্ব্যতীত
নিউজিল্যান্ড আর নেদারল্যান্ডের যথোপযুক্ত ল্যাবরেটরিতে ও কিছু কিছু দ্রব্যাদির
পরীক্ষা করে সমকালের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ সকল বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও গবেষণার জন্য
মূল ভূমিকা পালন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এবং
ঐতিহ্য অন্বেষণ নামের গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সালে থেকে উয়ারী-বটেশ্বরের খনন
ও গবেষণার কাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ব বিভাগের অধ্যাপক
সুফি মোস্তাফিজুর রহমান। তার উদ্যোগেই প্রাপ্ত নমুনাগুলো ডেটিংয়ের জন্য বিদেশি
ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। আর খনন কাজে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হাবিবুল্লা
পাঠান।
হানিফ
পাঠানের চিহ্নিত পথে হাঁটতে হাঁটতেই হাবিবুল্লাহ পাঠান যে সভ্যতার পরিচয় তুলে
এনেছেন তার অবস্থান পূর্ববাংলা, বর্তমান বাংলাদেশের পূর্বপ্রান্তে। এ-আবিষ্কার
পরিচয় বহন করে যে, এককালের গঙ্গারিড জাতির অন্যতম অভিমুখ ছিল উয়ারী-বটেশ্বর। এ
সভ্যতা খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিক নির্দেশক রূপে গণ্য হয়। বাংলাদেশে প্রাপ্ত
মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কুমিল্লার ময়নামতি বা শালবন বিহারের মতো
বৃহৎ নিদর্শন ছাড়াও ছোট বড় প্রায় আড়াই হাজার প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার ও
নিদর্শন রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে উয়ারী-বটেশ্বরই সবচেয়ে প্রাচীন বলে প্রমাণিত
হয়েছে। এ কীর্তি আরও নিশানা দেয় যে, পুরাকালে আলেকজান্ডার দ্য গ্ৰেটের কর্ণগোচর
হয়েছিল যে, বঙ্গের পূর্বদিকে পরাক্রমশালী এক রাজ্যের অবস্থান রয়েছে। শত ইচ্ছা
থাকলেও ওই জাতির শক্তিমত্তার ভয়ে আলেকজান্ডার সিন্ধুর প্রান্ত থেকে পূর্বদিকে
অগ্ৰসর হতে সাহস পাননি। সম্ভবত চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দের তৃতীয় দশকে আলেকজান্ডার
ওই শক্তিশালী জাতির কথা শুনেছিলেন। তৎসময়ে তাদের বিশাল হস্তী বাহিনীর কথা শুনে
আলেকজান্ডার বাহিনীর সৈন্যরা গঙ্গা অতিক্রম করতে ভয় পেয়ে যায়। শুধুই
আলেকজান্ডার নয় গঙ্গারিড জাতির শক্তিমত্তা এবং শৌর্যবীর্যের কথা শুনে পরাস্ত করা
তো দূরের কথা, তৎকালীন কোনো শক্তিই এ অঞ্চলের দিকে ফিরেও তাকাতেও সাহস করত না।
পুরাকালের
সেই উয়ারী-বটেশ্বর এক নীরবতার গভীরে দাঁড়িয়ে আছে। ইতিহাসের এ প্রত্নতাত্ত্বিক
নিদর্শনে যেন নেমে এসেছে অজানা শোকের ছায়া। সুগভীর মাটির নিচ থেকে নিদ্রিত অতীতকে
যিনি জাগিয়ে তুলেছিলেন, মাটির গভীরতা ভেদ করে উঠিয়ে এনেছিলেন প্রাচীনকালের
গৌরবময় দীপ্তি সেই শ্রেষ্ঠ রূপকার হাবিবুল্লাহ পাঠান এখন আর নেই। বটেশ্বরের
প্রতিটি মাটি ও ধূলিকণায় প্রত্যহ ধ্বনিত ও প্রতিধ্বনিত হয় শ্রদ্ধেয় হাবিবুল্লা
পাঠানের পদ স্পর্শ, বাতাসে ভেসে বেড়ায় উদাত্ত হাসিমাখা কথার ধ্বনি, স্মৃতিকাতরতায়
মগ্ন থাকে প্রতিটি পর্যটক দল। তাকে আর দেখা যায় না যাকে খুঁজে বেড়ায় মানুষের
অবচেতন মন। উয়ারী-বটেশ্বর হারিয়েছে তার আপনজনকে, হারিয়েছে তাকে যিনি খুঁজে
এনেছিলেন এ সভ্যতাকে। যিনি উয়ারীকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন বিশ্বের দরবারে, বিশ্ব
মানচিত্রের হৃদয়জুড়ে। মনীষী হাবিবুল্লা পাঠান পরপারে পারি জমিয়েছেন গত ২১ মার্চ
২০২৬ সালের এক প্রহরে। দিনটি ছিল মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন।
অমোঘ
সত্য মৃত্যুর পথে নরসিংদীর কৃতী সন্তান বাংলাদেশের গর্ব মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান
চলে গেছেন চিরতরে। রেখে গেছেন বাংলাদেশের সবচেয় পুরাতন উয়ারী-বটেশ্বর এবং আবিষ্কৃত
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। জীবনের সকল সুখশান্তি আরাম আয়েশ বিসর্জন দিয়ে তিলে
তিলে তুলে এনেছেন তিন হাজার বছরের হারিয়ে ফেলা এক নগর সভ্যতাকে। তিনি একজন সাধারণ
শিক্ষক হয়েও বুঝতে পেরেছিলেন, একটি দেশের মাটির নিচে সুপ্ত নিদর্শন প্রাপ্তিতে সে
দেশ ও জাতির আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান বৃদ্ধি পায়। নিজের অর্থ ব্যয় করে খননকৃত
জিনিসপত্র নিয়ে ঘুরেছেন নানা গবেষণা কেন্দ্রে। গিয়েছেন বহুবিধ মিডিয়া, পত্রিকা
অফিসে। অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে কথা বলেছেন কর্তৃপক্ষ, পত্রিকা সম্পাদকগণের সাথে।
একেবারে অকৃতজ্ঞ নয় বাংলাদেশের কিছু কিছু সংগঠন তাকে পুরস্কৃত করেছে। কাজের
স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন, প্রথম আলোর বর্ষসেরা বই পুরস্কার। পেয়েছেন,
আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার, বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের, জ্ঞানালোক পুরস্কার,
কবি জসীমউদ্দীন পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার। ২০০৯ সালে বাংলা একাডেমি তাকে বিশেষ
ফেলোশিপ প্রদান করে। আবার ২০২১ সালে তিনি পান বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এসব সংগঠন ও
সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সমুদয় অর্থই তিনি ব্যয় করেছেন উয়ারী-বটেশ্বরের গবেষণার
কাজে।
বাংলাদেশের সবচেয় পুরনো উয়ারী-বটেশ্বরকে খনন করে প্রাপ্ত জিনিসপত্র সংরক্ষণের জন্য হাবিবুল্লা পাঠান একটি উন্নতমানের জাদুঘর নির্মাণের স্বপ্ন দেখেন। তার পিতা হানিফ পাঠানের তৈরি, বটেশ্বর প্রত্ন সংগ্ৰহশালা ও গ্ৰন্থাগারকে উন্নততর রূপ দিয়ে করা হয়, গঙ্গাঋদ্ধি জাদুঘর। ২০১৯ সালে তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী মরহুম নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন জাদুঘরের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন, কিন্তু এখনও শেষ হয়নি। জাদুঘরের নির্মাণ কাজের তিনি শেষ দেখে যেতে পারেননি। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্মাণ কাজ দীর্ঘ দিন যাবৎ ঝুলে রয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী সোচ্চার। গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নরসিংদী প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হাবিবুল্লা পাঠানের স্মরণে নাগরিক শোকসভায় বক্তাগণ গঙ্গাঋদ্ধি জাদুঘরের অসমাপ্ত কাজের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। সভায় অবিলম্বে বাকি কাজ শেষ করে মহতী উদ্যোগকে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, অস্পূর্ণ গঙ্গাঋদ্ধি জাদুঘরের পাশের কবরেই ইতিহাসের বীর পুরুষ মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান চিরতরে ঘুমিয়ে আছেন।
নূরুদ্দীন দরজী
কলাম লেখক ও সাবেক শিক্ষা অফিসার