ইমেইল থেকে
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬ ১৬:০৯ পিএম
ইদানিং পুরনো ঢাকার ফরিদাবাদ-গেন্ডারিয়াতে যে হারে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে তাতে এলাকাবাসী উদ্ধিগ্ন। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
ইদানিং পুরনো ঢাকার ফরিদাবাদ-গেন্ডারিয়াতে যে হারে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে তাতে এলাকাবাসী উদ্ধিগ্ন। এলাকার বিদ্যুৎ, মটর, এসি এমনকি টেলিফোনের ক্যাবল ও তার চুরির হিড়িক পরেছে। তারপর একদল কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্বে যেভাবে ছিনতাই শুরু হয়েছে তাতে ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকাবাসী আতংকিত। প্রায় রাত্রে ফরিদাবাদ, আইজি গেইট, মিলব্যারাক ও গেন্ডারিয়া এলাকার বিভিন্ন অলি-গলিতে যে হারে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে যা পুলিশের নিস্কৃয়তায় অনেকাংশে বেড়েছে। প্রতি রাতে পুরনো ঢাকার ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকা হতে যেভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এমনকি চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে তাতে পুরান ঢাকার জনগণ চরম আতঙ্কে রয়েছেন। চোরেরা এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসার তার, হাড়ি, পাতিল যা পাচ্ছে তাই নিয়ে চম্পট দেয়। এ সকল কর্মকান্ডে এলাকায় অবস্থিত ভাঙ্গারি দোকানগুলো চুরির সাথে ওৎপ্রতভাবে জড়িত বলে অনেকে সন্দেহ করছে।
পুলিশকে এ ব্যাপারে নিরবতা ভূমিকা পালন করলে চলবে না। ইতোমধ্যে, ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া এলাকায় অস্বাভাবিকহারে মাদকের প্রবণতা বেড়েছে। এলাকাবাসী ঝামেলার চিন্তা করে চুরি-ছিনতায়ের শিকার হলেও পুলিশের দ্বারস্থ হতে চান না। তবে এলাকায় বেশির ভাগ অপরাধীরা ভাসমান, মাদকাসিক্ত ও উঠতি বয়সী তরুণ বখাটে। পুরান ঢাকার ফরিদাবাদ ও গেন্ডারিয়া, জুরাইন, পোস্তাগোলা এবং সূত্রাপুর এলাকাটি বেশি অপরাধপ্রবণের কারণে আজকাল অনেক ভুক্তভোগীরা থানায় জিডি বা মামলা করতে অনগ্রাহ প্রকাশ করেন। ইতিপূর্বে গেন্ডারিয়া টেলিফোন একচেঞ্জের ক্যাবল ও তার চুরি যাওয়াতে এলাকায় টি এন্ড টি’র শতশত টেলিফোন এখনও বিকল রয়েছে।
জরুরীভাবে পুরান ঢাকার চুরি-ছিনতাই রোধে স্থানীয় থানা পুলিশকে সক্রিয় হওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করছি।
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
১৭, ফরিদাবাদ-গেন্ডারিয়া, ঢাকা