× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গ্রামভিত্তিক অর্থনীতিকে প্রাধান্য দিতে হবে

ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৮ পিএম

ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক কর কমিশনার ও প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক কর কমিশনার ও প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

গ্রামীণ অর্থনীতি হলো বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতির মূল ভিত্তি। যা প্রধানত কৃষি, পশুপালন, মৎস্য চাষ, ক্ষুদ্র শিল্প এবং অকৃষি খাতের ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রায় ৬৫% মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং তাদের জীবন-জীবিকা এই খাতের ওপরই নির্ভর করে। বর্তমানে কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রেমিট্যান্স, ক্ষুদ্রঋণ এবং গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় করে তুলছে। গ্রামীণ অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্য ও উপাদান হলো কৃষি ও আনুষঙ্গিক খাত : জিডিপিতে কৃষির বড় অবদান রয়েছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এছাড়া অকৃষি খাত যেমন হাঁস-মুরগির খামার, গবাদিপশু পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং হস্তশিল্প গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখন তো রেমিট্যান্সের গ্রামের মানুষের আয়ের অন্যতম বড় উৎস বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ । তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের প্রধান বাধা।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং বা ক্যাশলেস লেনদেন গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। সার্বিকভাবে, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন ছাড়া জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়, তাই এই খাতকে আধুনিকায়ন ও উৎপাদনশীল করে তোলা জরুরি। অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটি বড় সত্য হলো, আমাদের দেশ এখনও গ্রামে বসে আছে। দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বসবাস করে গ্রামে, আর তাদের জীবনধারা, কর্মসংস্থান ও আয়নির্ভর করে কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও শ্রমবাজারের ওপর। অথচ দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা শহরমুখী থেকে গেছে, গ্রামীণ অর্থনীতি রয়ে গেছে নীতিনির্ধারকদের নখদর্পণে নয় বরং প্রান্তে। আমরা শয়ে শয়ে শহর গড়ে তুলছি, শহরকেন্দ্রিক দেশ গড়ে তুলছি, পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে শহরে। কিন্তু এগিয়ে যাওয়ার রসদ যে গ্রাম থেকে গড়ে উঠছে তা নিয়ে কয়জন ভেবেছে? ভাবতে না চাইলেও ভাবতে হয়, নিয়তি আমাদের শিকড়ের কাছেই টেনে নিয়ে যায়।

বাংলাদেশের জিডিপির ১৩ শতাংশ আসে কৃষি থেকে, যেখানে শ্রমশক্তির প্রায় ৪০ শতাংশ নিয়োজিত। অর্থাৎ সংখ্যায় কম হলেও কৃষিকেই বলা চলে বাংলাদেশের প্রাণ। ধান, পাট, গম, ডাল, চা, আলু, পেঁয়াজ, সবজি থেকে শুরু করে মৌসুমি ফল ও মৎস্য উৎপাদনে দেশের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটি চলছে অনিশ্চয়তা আর দুর্বল কাঠামোর ওপর। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষিপণ্যের যথাযথ মূল্য না পাওয়া, বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীর দাপট ও প্রযুক্তিগত পশ্চাৎপদতা যেন এই খাতের ঘাড়ে চেপে বসা অদৃশ্য অভিশাপ।

আমাদের গ্রামের কৃষকরা অধিকাংশই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক। তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম মেলে না, কারণ বাজারব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে একটি অদৃশ্য দালালচক্র। উৎপাদনের পর খোলা বাজারে গিয়ে যখন পণ্যের দাম পড়ে যায়, তখন কৃষক লাভ তো দূরের কথা, খরচই তুলতে পারে না। এর ফলে ঋণের ফাঁদে পড়ে অনেকেই কৃষি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। রাগে-ক্ষোভে অনেক কৃষককে উৎপাদিত পণ্য নদীতে ভাসিয়ে দিতে দেখা যায়, দেখা যায় পুড়িয়ে দিতেও।

প্রযুক্তির দিক দিয়ে এখনও কৃষকরা পিছিয়ে। আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, সার ও কীটনাশকের প্রাপ্যতা একদিকে সীমিত, অন্যদিকে এর ব্যবহার সম্পর্কেও সচেতনতা নেই। কোল্ড স্টোরেজ ও পরিবহনব্যবস্থার দুর্বলতা ফসল নষ্টের একটি বড় কারণ। বন্যা বা ঘূর্ণিঝড় এলে শুধু ফসল নয়, কৃষকের স্বপ্নও ভেসে যায়। ফসল নষ্ট হয়ে গেলে কৃষকের নেই বীমা পাওয়ার কোনো সুবিধা। সার-বীজের ভর্তুকির সুবিধাও যথাযথভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছায় না।

সব দিকেই কি অন্ধকার? আশার আলো কি একদম নেই? অবশ্যই আছে। আশার কিছু দিক আছেÑ যেমন কৃষকদের প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, ডিজিটাল কৃষিসেবা ও মাইক্রোফাইন্যান্স। এখন অনেক কৃষকই মোবাইল অ্যাপে দেখে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, বাজার দর এমনকি ফসল সংরক্ষণের কৌশল। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তা, এনজিও ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণের বিস্তারও এই অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে। মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলো সহজ শর্তে কৃষিঋণ দিচ্ছে- যা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নতুন সুযোগ তৈরি করছে। একইভাবে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগও তৈরি হচ্ছে, যা কৃষককে মধ্যস্বত্বভোগীর হাত থেকে কিছুটা মুক্তি দিতে শুরু করেছে।

এ কথা সত্য, বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে টেকসই ও সমৃদ্ধ করার জন্য প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা। 

প্রথমত. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় কৃষিকে দুর্যোগ-সহনশীল করে তুলতে হবে। এর জন্য খরাপ্রবণ বা জলাবদ্ধ এলাকায় উপযোগী ফসল ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। 

দ্বিতীয়ত. আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, বিশেষ করে কোল্ড চেইন, কৃষিপণ্য পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। 

তৃতীয়ত. কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে একটি স্বচ্ছ ও সরাসরি বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ কমবে এবং কৃষক সরাসরি ক্রেতার সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। একইসঙ্গে, অনলাইন বিক্রয় প্লাটফর্ম এবং তথ্যভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়াও উন্নয়নের অংশ হতে পারে।

চতুর্থত. গ্রামীণ যুবকদের দক্ষ করে তুলতে ভোকেশনাল ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ জোরদার করতে হবে, যাতে তারা প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় যুক্ত হয়ে নিজের আয় বাড়াতে পারে। 

পঞ্চমত. উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, যেমন ড্রোন, সেন্সর, স্মার্ট ইরিগেশন ও কৃষি অ্যানালিটিকস ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও কার্যকারিতা আনা সম্ভব। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য দরকার কার্যকর নীতি, স্থানীয় পর্যায়ের সক্রিয় নেতৃত্ব এবং কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সচেতনতা কার্যক্রম। উন্নয়নের কৌশল যতই আধুনিক হোক না কেন, তা তখনই সফল হবে যখন সেটি মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হচ্ছে এই কৃষি। দেশকে দাঁড় করাতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে উঁচিয়ে ধরতে হবে। তার সবচেয়ে উত্তম পন্থা হচ্ছে কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, যা দেশ পরিচালনার যারা দায়িত্বে আছেন তাদের মাধ্যমেই আসতে হবে। আমাদের কৃষি খাতকে আধুনিকায়ন, বৈজ্ঞানিকীকরণ ও রফতানিমুখী খাতে রূপান্তরের যে প্রস্তাবনা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিয়েছেন, তা দেশের কৃষিজ অর্থনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খননের মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার ভিত নির্মাণ যেমন কৃষি বিপ্লবের সূচনা করেছিল, ঠিক তেমনি তারেক রহমানের পরিকল্পনায় উঠে এসেছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির ভবিষ্যৎ। তার প্রস্তাবে ডিজিটাল কৃষি, ফার্মার্স কার্ড, সমবায়ভিত্তিক উৎপাদন, ফসল বীমা এবং ইউনিয়নভিত্তিক সরকারি ক্রয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিষয়গুলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসলে কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তা নিয়ে বিএনপি ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।

বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার মধ্যে বেশ কয়েকটি দফা সরাসরি কৃষি ও কৃষকের জীবনমান এবং কাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। দফা ২৭-এ উল্লেখ রয়েছে, ইউনিয়নভিত্তিক ক্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে মূল্য সমর্থন দেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষকদের ডাটাবেজ তৈরি করে সঠিক সহায়তা নিশ্চিত, ভর্তুকি দিয়ে সার-বীজ সরবরাহ এবং কৃষিজমির অপব্যবহার রোধ করে কৃষকের আবাসন ও জমি রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও রয়েছে। এসব পদক্ষেপ সরাসরি কৃষকের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি।

তারেক রহমানের কৃষিনীতির একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, গবেষণা ও উদ্ভাবননির্ভর কৃষির দিকে অগ্রসর হওয়া। উচ্চফলনশীল, লবণাক্ততা ও খরাপ্রতিরোধী ফসল, জিএমও প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব ব্যবহার এবং ‘ক্রপ জোনিং’-এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদন কৌশল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ফার্মার্স কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই সার, বীজ, ঋণ ও সংরক্ষণের সুবিধা পাবে। রেল, নৌ ও বিকল্প সড়ক ব্যবস্থায় কৃষিপণ্যের পরিবহন নিশ্চিত করে মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণও এই নীতির অন্যতম লক্ষ্য।

এই নীতির স্পষ্ট লক্ষ্য হলো, কৃষিকে কেবল খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে নয়, বরং রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের কৌশলগত খাতে পরিণত করা। শস্য বৈচিত্র্যকরণ, কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ডস্টোরেজ স্থাপন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী মানসম্পন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তনির সুযোগ তৈরিতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে মাঠ, খাল, ক্ষেত থেকে শুরু করে কৃষকের হাতে গড়া ভিত্তির ওপর, আর সেই পথের নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলÑ বিএনপি এবং সেটা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে চায় বিএনপি, জনগণের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসলে এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে চায় সে।

গ্রামীণ অর্থনীতি আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথের সারথি হতে পারে। এখানেই বাংলাদেশে সত্যিকারের অর্থনৈতিক মুক্তির বীজ লুকিয়ে আছে। শহর নয়, দেশের পুনর্জাগরণ শুরু হবে গ্রাম থেকে, যেখানে একজন কৃষক, একজন জেলে কিংবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। এজন্য প্রয়োজন জাতীয় অগ্রাধিকারে গ্রামীণ উন্নয়নকে স্থান দেওয়া, অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সব ধরনের ভেদাভেদ ছাড়িয়ে একটি বাস্তববাদী ও মানবিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা। অর্থাৎ সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। তবেই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হবে।


ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম

সাবেক কর কমিশনার ও প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশন

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা